
মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমে সাগাইং প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’-এর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ চলছে। এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
রেডিও ফ্রি এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার পালে টাউনের কাছে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন মিয়ানমারের ৩০ সেনা সদস্য। নিহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর এক কমান্ডারও রয়েছেন বলে খবর।
বিদ্রোহী বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন, `আমরা জানতাম সেনাদের ওই বহরে একজন কমান্ডার আছেন। তাই আমরা পথে ল্যান্ডমাইন বিছিয়ে রেখেছিলাম।'
গণতন্ত্রের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল মিয়ানমার। সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন গণতন্ত্রকামী মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করে মিয়ানমারের ‘বিদ্রোহী সরকার’ বা ‘ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট’।
চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন দল এনএলডিকে উৎখাত করেছিল মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। সে সময় তারা সুচির দলের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ আনে এবং সুচিসহ দেশটির প্রেসিডেন্টকে বন্দী করেছিল। তবে জালিয়াতির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিল দেশটির নির্বাচন কমিশন। এ অবস্থায় জান্তাকে অবৈধ ঘোষণা দিয়ে একটি ছায়া সরকার গড়ে তোলেন মিয়ানমারের রাজনীতিবিদেরা, যার বেশির ভাগ সদস্যই এনএলডির। জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি) নাম দিয়ে এটিকেই মিয়ানমারের বৈধ সরকার বলে দাবি করেন তাঁরা। মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্য সরকারের সশস্ত্র সংগঠন হলো পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস। অবশ্য মিয়ানমার জান্তা এটিকে ‘সন্ত্রাসী’ বলে ঘোষণা দিয়েছে। যার অর্থ, তাদের সঙ্গে যে কেউ আলাপ করলে বা যোগাযোগ রাখলেই বন্দী হতে পারেন।

মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমে সাগাইং প্রদেশে সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’-এর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ চলছে। এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
রেডিও ফ্রি এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার পালে টাউনের কাছে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন মিয়ানমারের ৩০ সেনা সদস্য। নিহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর এক কমান্ডারও রয়েছেন বলে খবর।
বিদ্রোহী বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেছেন, `আমরা জানতাম সেনাদের ওই বহরে একজন কমান্ডার আছেন। তাই আমরা পথে ল্যান্ডমাইন বিছিয়ে রেখেছিলাম।'
গণতন্ত্রের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল মিয়ানমার। সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন গণতন্ত্রকামী মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করে মিয়ানমারের ‘বিদ্রোহী সরকার’ বা ‘ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট’।
চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন দল এনএলডিকে উৎখাত করেছিল মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। সে সময় তারা সুচির দলের বিরুদ্ধে নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ আনে এবং সুচিসহ দেশটির প্রেসিডেন্টকে বন্দী করেছিল। তবে জালিয়াতির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিল দেশটির নির্বাচন কমিশন। এ অবস্থায় জান্তাকে অবৈধ ঘোষণা দিয়ে একটি ছায়া সরকার গড়ে তোলেন মিয়ানমারের রাজনীতিবিদেরা, যার বেশির ভাগ সদস্যই এনএলডির। জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি) নাম দিয়ে এটিকেই মিয়ানমারের বৈধ সরকার বলে দাবি করেন তাঁরা। মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্য সরকারের সশস্ত্র সংগঠন হলো পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস। অবশ্য মিয়ানমার জান্তা এটিকে ‘সন্ত্রাসী’ বলে ঘোষণা দিয়েছে। যার অর্থ, তাদের সঙ্গে যে কেউ আলাপ করলে বা যোগাযোগ রাখলেই বন্দী হতে পারেন।

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৫ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৩৩ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে