আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালের স্মতরিচ। পাশাপাশি তিনি হুমকি দিয়ে বলেছেন, গাজার ফিলিস্তিনি জনগণের ‘বিশাল একটি অংশকে তৃতীয় কোনো দেশে’ চলে যেতে বাধ্য করা হবে। ইসরায়েল গাজায় জাতিগত নির্মূলীকরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এমন আশঙ্কার মধ্যেই তিনি এই ঘোষণা দেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ এই মন্তব্য করেন। এর এক দিন আগে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা ‘অপারেশন গিদিডিওন’স চ্যারিয়টস’ নামে একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করে। ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা জানান, এই পরিকল্পনায় ‘গাজা উপত্যকা দখল এবং অঞ্চলটি নিজেদের দখলে রাখা’ অন্তর্ভুক্ত।
স্থায়ীভাবে গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইসরায়েলের এই হুমকি বিশ্বজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মন্ত্রী হামিশ ফকনার বলেছেন, ‘ইসরায়েলের অভিযান সম্প্রসারণের তীব্র বিরোধিতা করছি আমরা। গাজায় ভূমি দখলের যেকোনো প্রচেষ্টা অগ্রহণযোগ্য।’
এদিকে, ইসরায়েলের এই ঘোষণার পর হামাস জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় আর আগ্রহী নয়। হামাস আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ‘ক্ষুধার যুদ্ধ’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় ত্রাণ সরবরাহে সম্পূর্ণ অবরোধের কথা উল্লেখ করে তারা এই মন্তব্য করে। হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসেম নাইম বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘যতক্ষণ গাজা উপত্যকায় ক্ষুধার যুদ্ধ এবং নিধনের যুদ্ধ চলছে, ততক্ষণ আলোচনায় অংশ নেওয়া বা নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব বিবেচনা করার কোনো মানে হয় না।’
ইসরায়েলের প্রধান সামরিক মুখপাত্র এফফি ডেফরিন বলেছেন, পরিকল্পিত আক্রমণে ‘গাজা উপত্যকার বেশির ভাগ জনসংখ্যাকে...তাদের সুরক্ষার জন্য সরিয়ে নেওয়া হবে।’ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে বলেছেন, ‘তাদের নিজেদের সুরক্ষার জন্য (গাজার) জনগণকে সরানো হবে।’ তবে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনবিষয়ক এক সম্মেলনে স্মতরিচ আরও স্পষ্ট করে বলেছেন যে, অনেক ফিলিস্তিনিকে পুরোপুরি গাজা থেকে বিতাড়িত করা হবে। এটি ইসরায়েলের পোড়া মাটি নীতির অংশ। তিনি বলেন, ‘গাজা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে, বেসামরিকদের দক্ষিণে হামাস বা সন্ত্রাসবাদমুক্ত মানবিক অঞ্চলে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকে তারা বিপুলসংখ্যক তৃতীয় দেশে চলে যেতে শুরু করবে।’
ইসরায়েলের প্রতিবেশী মিসর ও জর্ডান তাদের ভূখণ্ডে শরণার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেবে বলে জানিয়েছে। তারা যুক্তি দিয়েছে যে, এটি গাজার জাতিগত নির্মূলের অংশীদার হওয়ার শামিল হবে।
এদিকে, স্মতরিচের এই ঘোষণার বিষয়ে নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইনের সহকারী অধ্যাপক ভিক্টর কাট্টান বলেছেন, ‘স্মতরিচ কিছুদিন ধরে একই ধরনের কথা বলছেন, তবে দেশটির সরকার যখন গাজায় আরও বেশি সৈন্য ডেকে পাঠিয়েছে তখন এটি অত্যন্ত গুরুতর।’
তিনি বলেন, ‘বেসামরিকদের নির্বাসন এবং জোরপূর্বক স্থানান্তর রোম সংবিধি (আইসিসির প্রতিষ্ঠাতা চুক্তি) অনুযায়ী মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, এবং এটি সেটিরই স্পষ্ট আহ্বান। যদি এটি তার মন্ত্রীর অবস্থান থেকে বা মন্ত্রিসভার আলোচনার ফলস্বরূপ ঘটে থাকে, তবে এটি অত্যন্ত গুরুতর হতে পারে।’

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালের স্মতরিচ। পাশাপাশি তিনি হুমকি দিয়ে বলেছেন, গাজার ফিলিস্তিনি জনগণের ‘বিশাল একটি অংশকে তৃতীয় কোনো দেশে’ চলে যেতে বাধ্য করা হবে। ইসরায়েল গাজায় জাতিগত নির্মূলীকরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এমন আশঙ্কার মধ্যেই তিনি এই ঘোষণা দেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মতরিচ এই মন্তব্য করেন। এর এক দিন আগে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা ‘অপারেশন গিদিডিওন’স চ্যারিয়টস’ নামে একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করে। ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা জানান, এই পরিকল্পনায় ‘গাজা উপত্যকা দখল এবং অঞ্চলটি নিজেদের দখলে রাখা’ অন্তর্ভুক্ত।
স্থায়ীভাবে গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইসরায়েলের এই হুমকি বিশ্বজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মন্ত্রী হামিশ ফকনার বলেছেন, ‘ইসরায়েলের অভিযান সম্প্রসারণের তীব্র বিরোধিতা করছি আমরা। গাজায় ভূমি দখলের যেকোনো প্রচেষ্টা অগ্রহণযোগ্য।’
এদিকে, ইসরায়েলের এই ঘোষণার পর হামাস জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় আর আগ্রহী নয়। হামাস আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ‘ক্ষুধার যুদ্ধ’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় ত্রাণ সরবরাহে সম্পূর্ণ অবরোধের কথা উল্লেখ করে তারা এই মন্তব্য করে। হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসেম নাইম বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘যতক্ষণ গাজা উপত্যকায় ক্ষুধার যুদ্ধ এবং নিধনের যুদ্ধ চলছে, ততক্ষণ আলোচনায় অংশ নেওয়া বা নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব বিবেচনা করার কোনো মানে হয় না।’
ইসরায়েলের প্রধান সামরিক মুখপাত্র এফফি ডেফরিন বলেছেন, পরিকল্পিত আক্রমণে ‘গাজা উপত্যকার বেশির ভাগ জনসংখ্যাকে...তাদের সুরক্ষার জন্য সরিয়ে নেওয়া হবে।’ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে বলেছেন, ‘তাদের নিজেদের সুরক্ষার জন্য (গাজার) জনগণকে সরানো হবে।’ তবে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনবিষয়ক এক সম্মেলনে স্মতরিচ আরও স্পষ্ট করে বলেছেন যে, অনেক ফিলিস্তিনিকে পুরোপুরি গাজা থেকে বিতাড়িত করা হবে। এটি ইসরায়েলের পোড়া মাটি নীতির অংশ। তিনি বলেন, ‘গাজা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে, বেসামরিকদের দক্ষিণে হামাস বা সন্ত্রাসবাদমুক্ত মানবিক অঞ্চলে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকে তারা বিপুলসংখ্যক তৃতীয় দেশে চলে যেতে শুরু করবে।’
ইসরায়েলের প্রতিবেশী মিসর ও জর্ডান তাদের ভূখণ্ডে শরণার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেবে বলে জানিয়েছে। তারা যুক্তি দিয়েছে যে, এটি গাজার জাতিগত নির্মূলের অংশীদার হওয়ার শামিল হবে।
এদিকে, স্মতরিচের এই ঘোষণার বিষয়ে নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইনের সহকারী অধ্যাপক ভিক্টর কাট্টান বলেছেন, ‘স্মতরিচ কিছুদিন ধরে একই ধরনের কথা বলছেন, তবে দেশটির সরকার যখন গাজায় আরও বেশি সৈন্য ডেকে পাঠিয়েছে তখন এটি অত্যন্ত গুরুতর।’
তিনি বলেন, ‘বেসামরিকদের নির্বাসন এবং জোরপূর্বক স্থানান্তর রোম সংবিধি (আইসিসির প্রতিষ্ঠাতা চুক্তি) অনুযায়ী মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, এবং এটি সেটিরই স্পষ্ট আহ্বান। যদি এটি তার মন্ত্রীর অবস্থান থেকে বা মন্ত্রিসভার আলোচনার ফলস্বরূপ ঘটে থাকে, তবে এটি অত্যন্ত গুরুতর হতে পারে।’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে