Ajker Patrika

খামেনি কেবল ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নন, ছিলেন আরও বেশি কিছু

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৬, ১১: ৩৯
খামেনি কেবল ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নন, ছিলেন আরও বেশি কিছু
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েলি-মার্কিন হামলায় নিহত হয়েছেন। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল। তারা জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ খামেনি গতকাল শনিবার ভোরে তাঁর দপ্তরে ‘দায়িত্ব পালনরত অবস্থায়’ নিহত হন। তবে খামেনি কেবলই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন না। তিনি ছিলেন রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের পরিচয় পেরিয়েও আরও বিশাল পরিসরের এক ব্যক্তিত্ব।

আমরা যখন ইরানে ‘সর্বোচ্চ নেতা’ বলতে শুধু একজন ধর্মীয় নেতার কথা বলি—তখন সেটা আসলে বড় ধরনে ভুল ভাবনা হয়। অনেকেই এ ভুলটি করে থাকেন। তিনি শুধু ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নন, তিনি রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতা। সরকারের প্রধান ক্ষমতাধারী। সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। অর্থনীতির নীতিনির্ধারক। সমাজের দিকনির্দেশক। রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত ব্যক্তি।

কিন্তু বিষয়টি এখানেই শেষ নয়; ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, যে সংবিধানের ভিত্তি আবার শিয়া রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বে প্রতিষ্ঠিত, তিনি কেবল ইরানের নয়; সারা বিশ্বের মুসলমানদেরও নেতা হিসেবে বিবেচিত। শুধু তা-ই নয়, তাঁর কিছু ‘ঐশী অধিকার’ ক্ষমতাও রয়েছে বলে ধরা হয়।

অর্থাৎ আমরা এমন একজন ব্যক্তির কথা বলছি না, যিনি কেবল একটি সংবিধানের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত; বরং সেই সংবিধানই তাঁকে ঐশী অধিকার ও কর্তৃত্বে সমর্থিত নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এ কারণেই তাঁর জারি করা সব আদেশ ও নির্দেশ শেষ পর্যন্ত ইরানিদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। আর এখন সেই মানুষটিকে হত্যা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

নিজ দপ্তরেই মারা যান খামেনি, কখন মৃত্যু হয়—জানাল ইরান

‘অমুসলিম’ শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে রাবি প্রশাসনের ‘গণ-ইফতার’

খামেনিকে হত্যা করে ‘বড় ভুল’ করল যুক্তরাষ্ট্র, পরিণতি কী

ইরানের দ্রুত জবাবে বড় পরীক্ষার মুখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা

খামেনির মরদেহ পাওয়া গেছে, ইসরায়েলের শীর্ষ কর্মকর্তার দাবি

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত