আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরানে এখনো জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরছে না। রাজধানী তেহরানসহ দেশটির সর্বত্র মানুষ এখন বিশ্বাস করছে—আবারও ফিরে আসবে যুদ্ধ। এই অনিশ্চয়তা অনেকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। সবাই এখন ভাবছে—আবারও যুদ্ধ শুরু হলে কীভাবে বাঁচবে।
ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের একেবারে শুরুর দিকে পরিস্থিতি যুদ্ধের মতো দেখায়নি। সে সময় ইরানের বিপ্লবী গার্ডের জেনারেল ও পরমাণুবিজ্ঞানীরা নিহত হন আর কয়েকটি ভবন ধ্বংস হয়। অনেকে ভেবেছিলেন, ইসরায়েল একবার আঘাত করে সরে গেছে। কিন্তু দ্বিতীয় দিনেই স্পষ্ট হয়—এটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ।
ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিন যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতি হয়েছে। তবে খুব কম মানুষই বিশ্বাস করে এটি স্থায়ী হবে।
সরকারি জরিপ সংস্থা আইএসপিএ জানিয়েছে, তেহরানের অর্ধেকের বেশি বাসিন্দা আরও এক দফা যুদ্ধের আশঙ্কায় ভুগছেন। ১৫ শতাংশ শহর ছেড়ে স্থায়ীভাবে চলে যাওয়ার কথা ভাবছেন। এর ফলে মানুষের জীবনে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সামাজিক চাপ, আইনি জটিলতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হঠাৎ মৃত্যু বা বাস্তুচ্যুত হওয়ার ভয়।
যাঁদের সামর্থ্য বেশি, তাঁরা রাজধানীর বাইরে উত্তর প্রদেশ মাজানদারান ও গিলানে বাড়ি বা জমি কিনছেন। সেখানে ভাড়াও এখন কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। কেউ কেউ বছরের জন্য বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন, যাতে যুদ্ধ শুরু হলে পরিবার নিয়ে সরে যেতে পারেন।
তবে সীমিত আয়ের মানুষদের একমাত্র ভরসা খাদ্য মজুত করা আর যেভাবেই হোক টিকে থাকা। যেমন—ফারিদেহ নামের তেহরানের এক বাসিন্দা জানালায় লাগানো টেপ এখনো সরাননি। বোমার আঘাতে যেন কাচ ছিটকে না পড়ে, সে জন্য এই টেপ লাগানো হয়েছিল। অন্যদিকে সাবের নামের ৪২ বছরের এক টেকনিশিয়ান একটি জরুরি ব্যাগে তাঁবু, স্লিপিং ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে রেখেছেন।
যাঁদের রাজধানীর বাইরে যাওয়ার জায়গা আছে, তাঁরা গাড়ির জ্বালানি ট্যাংক সব সময় ভর্তি রাখছেন। ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক সিনা বলেন, ‘যুদ্ধের সময় তিন দিন গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। এখন অর্ধেক খালি হলেই ভরে নিই। জানি, যেকোনো সময় ইসরায়েল আক্রমণ করতে পারে।’
তবে সবাই যে প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা নয়। অনেকে ভয় ও মানসিক চাপ এড়াতে কিছুই করছে না। তাদের কাছে যুদ্ধ এতটাই ধ্বংসাত্মক মনে হয় যে, কোনো সচেতনতাই কাজে আসবে না।
কড়া ইসলামি অনুশাসনে থাকা ইরানের মানুষদের মাঝে বছরের পর বছর একটি সান্ত্বনা বাক্য প্রচলিত ছিল—‘অন্তত নিরাপত্তা তো আছে।’ আজ সেই লাইনও পরিণত হয়েছে এক তিক্ত রসিকতায়।

ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরানে এখনো জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরছে না। রাজধানী তেহরানসহ দেশটির সর্বত্র মানুষ এখন বিশ্বাস করছে—আবারও ফিরে আসবে যুদ্ধ। এই অনিশ্চয়তা অনেকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। সবাই এখন ভাবছে—আবারও যুদ্ধ শুরু হলে কীভাবে বাঁচবে।
ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের একেবারে শুরুর দিকে পরিস্থিতি যুদ্ধের মতো দেখায়নি। সে সময় ইরানের বিপ্লবী গার্ডের জেনারেল ও পরমাণুবিজ্ঞানীরা নিহত হন আর কয়েকটি ভবন ধ্বংস হয়। অনেকে ভেবেছিলেন, ইসরায়েল একবার আঘাত করে সরে গেছে। কিন্তু দ্বিতীয় দিনেই স্পষ্ট হয়—এটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ।
ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিন যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতি হয়েছে। তবে খুব কম মানুষই বিশ্বাস করে এটি স্থায়ী হবে।
সরকারি জরিপ সংস্থা আইএসপিএ জানিয়েছে, তেহরানের অর্ধেকের বেশি বাসিন্দা আরও এক দফা যুদ্ধের আশঙ্কায় ভুগছেন। ১৫ শতাংশ শহর ছেড়ে স্থায়ীভাবে চলে যাওয়ার কথা ভাবছেন। এর ফলে মানুষের জীবনে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সামাজিক চাপ, আইনি জটিলতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হঠাৎ মৃত্যু বা বাস্তুচ্যুত হওয়ার ভয়।
যাঁদের সামর্থ্য বেশি, তাঁরা রাজধানীর বাইরে উত্তর প্রদেশ মাজানদারান ও গিলানে বাড়ি বা জমি কিনছেন। সেখানে ভাড়াও এখন কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। কেউ কেউ বছরের জন্য বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন, যাতে যুদ্ধ শুরু হলে পরিবার নিয়ে সরে যেতে পারেন।
তবে সীমিত আয়ের মানুষদের একমাত্র ভরসা খাদ্য মজুত করা আর যেভাবেই হোক টিকে থাকা। যেমন—ফারিদেহ নামের তেহরানের এক বাসিন্দা জানালায় লাগানো টেপ এখনো সরাননি। বোমার আঘাতে যেন কাচ ছিটকে না পড়ে, সে জন্য এই টেপ লাগানো হয়েছিল। অন্যদিকে সাবের নামের ৪২ বছরের এক টেকনিশিয়ান একটি জরুরি ব্যাগে তাঁবু, স্লিপিং ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে রেখেছেন।
যাঁদের রাজধানীর বাইরে যাওয়ার জায়গা আছে, তাঁরা গাড়ির জ্বালানি ট্যাংক সব সময় ভর্তি রাখছেন। ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক সিনা বলেন, ‘যুদ্ধের সময় তিন দিন গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। এখন অর্ধেক খালি হলেই ভরে নিই। জানি, যেকোনো সময় ইসরায়েল আক্রমণ করতে পারে।’
তবে সবাই যে প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা নয়। অনেকে ভয় ও মানসিক চাপ এড়াতে কিছুই করছে না। তাদের কাছে যুদ্ধ এতটাই ধ্বংসাত্মক মনে হয় যে, কোনো সচেতনতাই কাজে আসবে না।
কড়া ইসলামি অনুশাসনে থাকা ইরানের মানুষদের মাঝে বছরের পর বছর একটি সান্ত্বনা বাক্য প্রচলিত ছিল—‘অন্তত নিরাপত্তা তো আছে।’ আজ সেই লাইনও পরিণত হয়েছে এক তিক্ত রসিকতায়।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৩ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৬ ঘণ্টা আগে