আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের এমপিরা গত সপ্তাহে বিপুল ভোটে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ নামের একটি সংগঠনকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে সংগঠনটিকে আল-কায়েদা এবং আইএসআইএস—এর মতো গোষ্ঠীগুলোর কাতারে ফেলা হলো।
এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সন্ত্রাস দমন আইন—২০০০ সংশোধনের খসড়া আদেশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার। গত বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে এই বিলটি ৩৮৫ ভোটে পাস হয়, বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৬ টি।
এই বিলটি পার্লামেন্টে পেশ করার কয়েক দিন আগে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের’ কর্মীরা অক্সফোর্ডশায়ারে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ারফোর্সের ঘাঁটি আরএএফ ব্রাইজ নরটনে হামলা চালায়। এটি রয়্যাল এয়ারফোর্সের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি। কর্মীরা সেখানে ঢুকে দুটি যুদ্ধবিমানকে লাল রঙে রাঙিয়ে দেয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, এতে কয়েক মিলিয়ন পাউন্ডের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শুক্রবার লন্ডনের হাইকোর্টে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন হুদা আমোরি এই নিষেধাজ্ঞা অস্থায়ীভাবে ঠেকাতে আবেদন করেন। তবে আদালত তাঁর আবেদন নাকচ করে দেয়। শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ব্রাইজ নরটনে হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এক্সে লিখেন, ‘আরএএফ ব্রাইজ নরটনে যে নৃশংস ভাঙচুর চালানো হয়েছে, তা ন্যক্কারজনক।’
প্যালেস্টাইন অ্যাকশন নিজেদের ‘ইসরায়েলের গণহত্যা এবং বর্ণবাদী শাসনের সঙ্গে যুক্ত অস্ত্রশিল্পের বিরোধিতায় সরাসরি আন্দোলনকারী একটি প্রো-প্যালেস্টাইন সংগঠন’ হিসেবে দাবি করে। তারা বলছে, তারা বিশ্বব্যাপী ইসরায়েলের এই শাসনের সহযোগিতা বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে, ব্রিটিশ সরকার বলছে, এটি একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠন।’ কিন্তু আসলে এই সংগঠনটি কী করেছে?
২০২০ সালের জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাজ্যে শত শত বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়েছে প্যালেস্টাইন অ্যাকশন (পিএ)। ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে লাভবান এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে এসব কর্মসূচি পরিচালনা করছে তারা। বিশেষ করে ইসরায়েলি অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমস তাদের প্রধান টার্গেট।
প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের কর্মীদের সাধারণ কৌশলের মধ্যে রয়েছে—কোনো প্রতিষ্ঠানে অনধিকার প্রবেশ, যন্ত্রপাতিতে শিকল দিয়ে নিজেদের আটকে রাখা, ভবনে লাল রং ছিটিয়ে দেওয়া এবং সরঞ্জাম ভাঙচুর করা।
তাদের পরিচালিত উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা হলো—
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

যুক্তরাজ্যের এমপিরা গত সপ্তাহে বিপুল ভোটে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ নামের একটি সংগঠনকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে সংগঠনটিকে আল-কায়েদা এবং আইএসআইএস—এর মতো গোষ্ঠীগুলোর কাতারে ফেলা হলো।
এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সন্ত্রাস দমন আইন—২০০০ সংশোধনের খসড়া আদেশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার। গত বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে এই বিলটি ৩৮৫ ভোটে পাস হয়, বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৬ টি।
এই বিলটি পার্লামেন্টে পেশ করার কয়েক দিন আগে ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের’ কর্মীরা অক্সফোর্ডশায়ারে ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ারফোর্সের ঘাঁটি আরএএফ ব্রাইজ নরটনে হামলা চালায়। এটি রয়্যাল এয়ারফোর্সের সবচেয়ে বড় ঘাঁটি। কর্মীরা সেখানে ঢুকে দুটি যুদ্ধবিমানকে লাল রঙে রাঙিয়ে দেয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, এতে কয়েক মিলিয়ন পাউন্ডের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শুক্রবার লন্ডনের হাইকোর্টে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন হুদা আমোরি এই নিষেধাজ্ঞা অস্থায়ীভাবে ঠেকাতে আবেদন করেন। তবে আদালত তাঁর আবেদন নাকচ করে দেয়। শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ব্রাইজ নরটনে হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এক্সে লিখেন, ‘আরএএফ ব্রাইজ নরটনে যে নৃশংস ভাঙচুর চালানো হয়েছে, তা ন্যক্কারজনক।’
প্যালেস্টাইন অ্যাকশন নিজেদের ‘ইসরায়েলের গণহত্যা এবং বর্ণবাদী শাসনের সঙ্গে যুক্ত অস্ত্রশিল্পের বিরোধিতায় সরাসরি আন্দোলনকারী একটি প্রো-প্যালেস্টাইন সংগঠন’ হিসেবে দাবি করে। তারা বলছে, তারা বিশ্বব্যাপী ইসরায়েলের এই শাসনের সহযোগিতা বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অন্যদিকে, ব্রিটিশ সরকার বলছে, এটি একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠন।’ কিন্তু আসলে এই সংগঠনটি কী করেছে?
২০২০ সালের জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাজ্যে শত শত বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়েছে প্যালেস্টাইন অ্যাকশন (পিএ)। ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে লাভবান এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে এসব কর্মসূচি পরিচালনা করছে তারা। বিশেষ করে ইসরায়েলি অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমস তাদের প্রধান টার্গেট।
প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের কর্মীদের সাধারণ কৌশলের মধ্যে রয়েছে—কোনো প্রতিষ্ঠানে অনধিকার প্রবেশ, যন্ত্রপাতিতে শিকল দিয়ে নিজেদের আটকে রাখা, ভবনে লাল রং ছিটিয়ে দেওয়া এবং সরঞ্জাম ভাঙচুর করা।
তাদের পরিচালিত উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা হলো—
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৪ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৭ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৭ ঘণ্টা আগে