
পরীক্ষায় নকল করতে অভিনব কৌশলের আশ্রয় নিলেন ভারতের এক মেডিকেল শিক্ষার্থী। কানে অস্ত্রোপচার করে মাইক্রো ব্লুটুথ ডিভাইস বসিয়ে এমবিবিএস চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ওই শিক্ষার্থী। ঘটনা ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের একটি মেডিকেল কলেজের।
মহাত্মা গান্ধী মেডিকেল কলেজের একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, ‘ওই শিক্ষার্থী ১১ বছর ধরে মেডিকেল কলেজে পড়ছেন। কিন্তু বারবার ফাইনাল অকৃতকার্য হয় সে। আর এবারই ছিল তাঁর শেষ সুযোগ।’
মেডিকেল কলেজের ডিন ডা. সঞ্জয় দীক্ষিত বলেন, ‘সোমবার ওই শিক্ষার্থী অন্যান্য ৭৮ জনের সঙ্গে জেনারেল মেডিসিন পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। তখন দেবী অহিল্যা বাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার রচনা ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি দল সেখানে পৌঁছায়। দলের একজন সদস্য, ওই শিক্ষার্থীর ট্রাউজারের ভেতরের পকেটে একটি মোবাইল ফোন খুঁজে পান। ফোনটি চালু ছিল এবং একটি ব্লুটুথ ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। তবে শিক্ষার্থীর কাছে তখন ব্লুটুথ ডিভাইস খুঁজে পাননি তাঁরা। এর পর টানা জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে, একজন ইএনটি সার্জন তাঁর কানে ত্বকের রঙের সামঞ্জস্য করে একটি মাইক্রো ব্লুটুথ ডিভাইস লাগিয়েছিলেন।’
মেডিকেল কলেজের ডিন আরও জানান, আরেক শিক্ষার্থীর কাছে মাইক্রো ব্লুটুথ ডিভাইস খুঁজে পাওয়া যায়, কিন্তু এটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ঢোকানো হয়নি। একটি পিন দিয়ে সরানো সম্ভব ডিভাইসটি।
ডিভাইসগুলো একটি অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষায় অসদুপায়ের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

পরীক্ষায় নকল করতে অভিনব কৌশলের আশ্রয় নিলেন ভারতের এক মেডিকেল শিক্ষার্থী। কানে অস্ত্রোপচার করে মাইক্রো ব্লুটুথ ডিভাইস বসিয়ে এমবিবিএস চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ওই শিক্ষার্থী। ঘটনা ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের একটি মেডিকেল কলেজের।
মহাত্মা গান্ধী মেডিকেল কলেজের একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, ‘ওই শিক্ষার্থী ১১ বছর ধরে মেডিকেল কলেজে পড়ছেন। কিন্তু বারবার ফাইনাল অকৃতকার্য হয় সে। আর এবারই ছিল তাঁর শেষ সুযোগ।’
মেডিকেল কলেজের ডিন ডা. সঞ্জয় দীক্ষিত বলেন, ‘সোমবার ওই শিক্ষার্থী অন্যান্য ৭৮ জনের সঙ্গে জেনারেল মেডিসিন পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। তখন দেবী অহিল্যা বাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার রচনা ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি দল সেখানে পৌঁছায়। দলের একজন সদস্য, ওই শিক্ষার্থীর ট্রাউজারের ভেতরের পকেটে একটি মোবাইল ফোন খুঁজে পান। ফোনটি চালু ছিল এবং একটি ব্লুটুথ ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। তবে শিক্ষার্থীর কাছে তখন ব্লুটুথ ডিভাইস খুঁজে পাননি তাঁরা। এর পর টানা জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে, একজন ইএনটি সার্জন তাঁর কানে ত্বকের রঙের সামঞ্জস্য করে একটি মাইক্রো ব্লুটুথ ডিভাইস লাগিয়েছিলেন।’
মেডিকেল কলেজের ডিন আরও জানান, আরেক শিক্ষার্থীর কাছে মাইক্রো ব্লুটুথ ডিভাইস খুঁজে পাওয়া যায়, কিন্তু এটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ঢোকানো হয়নি। একটি পিন দিয়ে সরানো সম্ভব ডিভাইসটি।
ডিভাইসগুলো একটি অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষায় অসদুপায়ের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে