আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ও তাঁর স্ত্রী ব্রিজিতের একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, ভিয়েতনামে একটি বিমান থেকে নামার সময় ব্রিজিত হঠাৎ মাখোঁর মুখের দিকে হাত বাড়িয়ে ধাক্কা মেরেছেন। ভিডিওটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হওয়ায় আজ সোমবার এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এলিসি প্রাসাদ।
ভিডিও ক্লিপটিতে দেখা যায়, বিমানের দরজা খুলতেই প্রথমে মাখোঁকে দেখা যায়। পরক্ষণেই দরজার আড়ালে থাকা ব্রিজিত তাঁর হাত দুটি দিয়ে মাখোঁর মুখে জোরে ধাক্কা মারেন। ঘটনাটি দেখে অনেকে এটিকে আকস্মিক ধাক্কা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। মুহূর্তের জন্য মাখোঁ বিস্মিত হলেও দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান।
এরপর বিমান থেকে নামার সময় মাখোঁ স্ত্রীকে হাত ধরার প্রস্তাব দিলেও ব্রিজিত সেই হাত না ধরে রেলিং ধরেই নামেন।
বিমান থেকে নামার সময়ের একটি খুনসুটিপূর্ণ মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভুল ব্যাখ্যার শিকার হয়েছে দাবি করে ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় বলছে, এটি ছিল নিছক একটি মজার মুহূর্ত, যা রুশপন্থী প্রচারণায় রূপ নিয়েছে এক বিভ্রান্তিকর ঘটনায়।
প্রথমে এলিসি প্রাসাদ এই ঘটনা অস্বীকার করলেও পরে এক সূত্র মারফত এটিকে গুরুত্বহীন বলে দাবি করেছে। ওই সূত্র সিএনএনকে বলেছে, ‘এটি ছিল একধরনের ব্যক্তিগত মুহূর্ত—যেখানে প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রী সফরের শুরুতে শেষবারের মতো একে অপরকে খুনসুটি করে চাঙা করছিলেন।’
সূত্রটি আরও বলে, এই সামান্য বিষয়কেই ষড়যন্ত্রতাত্ত্বিকেরা বড় করে তুলতে দেরি করেনি। ফরাসি কর্তৃপক্ষের মতে, রুশপন্থী অনলাইন ট্রলগুলো ভিডিওটিকে ভুল ব্যাখ্যা করে বিতর্ক ছড়াতে তৎপর হয়ে ওঠে। রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর ইউক্রেনকে নিয়ে ইউরোপীয় অবস্থান গঠনে মাখোঁ একজন অগ্রণী নেতা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে হ্যানয়ের ওই ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা শুরু হয়েছে।
এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে আরও একটি প্রচারণা শুরু হয়েছিল। সে সময় দাবি করা হয়, পোল্যান্ড থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভগামী একটি ট্রেনে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে বসে কোকেন সেবন করছিলেন মাখোঁ।
ওই প্রচারণার উৎস ছিল রুশপন্থী একাধিক অ্যাকাউন্ট। সে সময় ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, ট্রেনে তিন নেতা যখন বসে ছিলেন, তখন ক্যামেরার সামনে মাখোঁ একটি দলা পাকানো টিস্যু বা রুমাল হাতে তুলে নিচ্ছেন। রুশপন্থী অ্যাকাউন্টগুলো ওই বস্তুকে ‘কোকেনের প্যাকেট’ বলে দাবি করে। পরে এই বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় এলিসি প্রাসাদ থেকে বলা হয়েছিল, ‘এটি একটি রুমাল। নাক ঝাড়ার জন্য। যখন ইউরোপীয় ঐক্য অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে, তখন বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা একটি রুমালকেও মাদকে রূপান্তর করে।’

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ও তাঁর স্ত্রী ব্রিজিতের একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, ভিয়েতনামে একটি বিমান থেকে নামার সময় ব্রিজিত হঠাৎ মাখোঁর মুখের দিকে হাত বাড়িয়ে ধাক্কা মেরেছেন। ভিডিওটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হওয়ায় আজ সোমবার এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এলিসি প্রাসাদ।
ভিডিও ক্লিপটিতে দেখা যায়, বিমানের দরজা খুলতেই প্রথমে মাখোঁকে দেখা যায়। পরক্ষণেই দরজার আড়ালে থাকা ব্রিজিত তাঁর হাত দুটি দিয়ে মাখোঁর মুখে জোরে ধাক্কা মারেন। ঘটনাটি দেখে অনেকে এটিকে আকস্মিক ধাক্কা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। মুহূর্তের জন্য মাখোঁ বিস্মিত হলেও দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান।
এরপর বিমান থেকে নামার সময় মাখোঁ স্ত্রীকে হাত ধরার প্রস্তাব দিলেও ব্রিজিত সেই হাত না ধরে রেলিং ধরেই নামেন।
বিমান থেকে নামার সময়ের একটি খুনসুটিপূর্ণ মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ভুল ব্যাখ্যার শিকার হয়েছে দাবি করে ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় বলছে, এটি ছিল নিছক একটি মজার মুহূর্ত, যা রুশপন্থী প্রচারণায় রূপ নিয়েছে এক বিভ্রান্তিকর ঘটনায়।
প্রথমে এলিসি প্রাসাদ এই ঘটনা অস্বীকার করলেও পরে এক সূত্র মারফত এটিকে গুরুত্বহীন বলে দাবি করেছে। ওই সূত্র সিএনএনকে বলেছে, ‘এটি ছিল একধরনের ব্যক্তিগত মুহূর্ত—যেখানে প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রী সফরের শুরুতে শেষবারের মতো একে অপরকে খুনসুটি করে চাঙা করছিলেন।’
সূত্রটি আরও বলে, এই সামান্য বিষয়কেই ষড়যন্ত্রতাত্ত্বিকেরা বড় করে তুলতে দেরি করেনি। ফরাসি কর্তৃপক্ষের মতে, রুশপন্থী অনলাইন ট্রলগুলো ভিডিওটিকে ভুল ব্যাখ্যা করে বিতর্ক ছড়াতে তৎপর হয়ে ওঠে। রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর ইউক্রেনকে নিয়ে ইউরোপীয় অবস্থান গঠনে মাখোঁ একজন অগ্রণী নেতা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে হ্যানয়ের ওই ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা শুরু হয়েছে।
এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে আরও একটি প্রচারণা শুরু হয়েছিল। সে সময় দাবি করা হয়, পোল্যান্ড থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভগামী একটি ট্রেনে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে বসে কোকেন সেবন করছিলেন মাখোঁ।
ওই প্রচারণার উৎস ছিল রুশপন্থী একাধিক অ্যাকাউন্ট। সে সময় ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, ট্রেনে তিন নেতা যখন বসে ছিলেন, তখন ক্যামেরার সামনে মাখোঁ একটি দলা পাকানো টিস্যু বা রুমাল হাতে তুলে নিচ্ছেন। রুশপন্থী অ্যাকাউন্টগুলো ওই বস্তুকে ‘কোকেনের প্যাকেট’ বলে দাবি করে। পরে এই বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় এলিসি প্রাসাদ থেকে বলা হয়েছিল, ‘এটি একটি রুমাল। নাক ঝাড়ার জন্য। যখন ইউরোপীয় ঐক্য অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে, তখন বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা একটি রুমালকেও মাদকে রূপান্তর করে।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
২ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে