নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৪৫ হাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৫১৪ জন ডেঙ্গু রোগী। তবে ডেঙ্গু আক্রান্ত আর কেউ মারা যায়নি।
চলতি বছরে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৪৫ হাজার ২০৬ জন। এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মারা গেছে ১৮৮ জন।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি নতুন রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৭৫ জন, ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ১১১ জন, ময়মনসিংহে ১৫, চট্টগ্রামে ৯০, রাজশাহীতে ৮ এবং বরিশালে ১১৫ জন। বর্তমানে সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২ হাজার ৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৭৪৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ বছর চলতি সেপ্টেম্বরেই সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সর্বশেষ আক্রান্তদের নিয়ে এ মাসে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭৩০ জন। এর আগে জুলাইয়ে এক মাসে ভর্তি হয়েছিলেন ১০ হাজার ৬৮৪ জন। জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩, জুনে ৫ হাজার ৯৫১ এবং আগস্টে ১০ হাজার ৪৯৬ জন ভর্তি হয়।
ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি সেপ্টেম্বরে। এ মাসে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৬৬ জন। এর আগে জুলাইয়ে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩, জুনে ১৯ এবং আগস্টে ৩৯ জন মারা যায়। তবে মার্চে কারও মৃত্যু হয়নি।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ৪৫ হাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৫১৪ জন ডেঙ্গু রোগী। তবে ডেঙ্গু আক্রান্ত আর কেউ মারা যায়নি।
চলতি বছরে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৪৫ হাজার ২০৬ জন। এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মারা গেছে ১৮৮ জন।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি নতুন রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৭৫ জন, ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ১১১ জন, ময়মনসিংহে ১৫, চট্টগ্রামে ৯০, রাজশাহীতে ৮ এবং বরিশালে ১১৫ জন। বর্তমানে সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২ হাজার ৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৭৪৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ বছর চলতি সেপ্টেম্বরেই সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সর্বশেষ আক্রান্তদের নিয়ে এ মাসে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭৩০ জন। এর আগে জুলাইয়ে এক মাসে ভর্তি হয়েছিলেন ১০ হাজার ৬৮৪ জন। জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩, জুনে ৫ হাজার ৯৫১ এবং আগস্টে ১০ হাজার ৪৯৬ জন ভর্তি হয়।
ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি সেপ্টেম্বরে। এ মাসে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৬৬ জন। এর আগে জুলাইয়ে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩, জুনে ১৯ এবং আগস্টে ৩৯ জন মারা যায়। তবে মার্চে কারও মৃত্যু হয়নি।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে