ফ্যাক্টচেক ডেস্ক
দেশের সড়ক দুর্ঘটনার দৃশ্য দাবিতে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে প্রায় একই ক্যাপশনে ছড়ানো হচ্ছে। ভিডিওটি দেখে মনে হয়, এটি সিসিটিভি ফুটেজ। স্কুল ইউনিফর্ম পরা কয়েকজন কিশোরীকে একটি পাকা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ পেছন দিক থেকে খুব জোরে আসা একটি গাড়ি দুজনকে আঘাত করে। এতে একজন পাশে দাঁড়ানো অটোরিকশার পেছনে ছিটকে পড়ে এবং অন্যজন রিকশার সামনের অংশে পড়ে যায়।
‘Kamrul Hosen Oni’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গত শুক্রবার বিকেল ৪টা ১ মিনিটে পোস্ট করা ৬ সেকেন্ডের এই ভিডিও সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে। ক্যাপশনে লেখা, ‘স্বাধীন দেশের অবস্থা, বেপরোয়া গতি। মানুষের ক্ষতি।’ (বানান অপরিবর্তিত)
আজ রোববার (১৮ মে) বেলা ১টা পর্যন্ত ভিডিওটি ১ লাখ ৪০ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং পোস্টটিতে ৫০৯টি রিঅ্যাকশন পড়েছে, ২৬টি কমেন্ট পড়েছে এবং শেয়ার হয়েছে ৩৪৫ বার। পোস্টে কেউ কেউ ভিডিওটি অন্য দেশের উল্লেখ করে কমেন্ট করেছেন। আবার অনেকে বাংলাদেশের ঘটনা লিখেও মন্তব্য করেছেন।
Abdullah Al Faisal নামের এক্স অ্যাকাউন্ট ও Rifat Jahan, Atikullah Khan Masum ও Yousuf Uzzal Khan নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একই দাবিতে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। তবে এসব পোস্টের কোথাও তথ্যসূত্র উল্লেখ নেই।
এসব পোস্টের কমেন্টে অনেকেই ভিডিওটি অন্য দেশের উল্লেখ করেছেন। আবার কেউ কেউ বাংলাদেশের মনে করেও মন্তব্য করেছেন। AL Amin Molla নামের অ্যাকাউন্ট থেকে লেখা হয়েছে, ‘লাল স্বাধীনতা ভোগ করছে বাংলার মানুষ সময় আছে জেগে ওঠো বাংলাদেশ রাজাকারমুক্ত কর।’ (বানান অপরিবর্তিত) A R AF AT লিখেছে, ‘শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশের মহিলারা স্বাধীন ভাবে রাস্তায় হাটতো এখন তাদের স্বাধীনতা হারিয়ে গেছে, স্বাধীনতার নামে চলছে দুর্নীতী।’ (বানান অপরিবর্তিত)
ভিডিওটির কিছু কি–ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করা হলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম News18-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সাদৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি গত ২৪ এপ্রিল প্রকাশিত। এর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা রাস্তা, স্কুলড্রেস পরা কিশোরীর দল, রাস্তার পাশে দাঁড়ানো অটোরিকশা ও দুর্ঘটনার ধরনে সাদৃশ্য পাওয়া যায়।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের দেরাদুন শহরের সেলাকিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আট শিক্ষার্থী আহত হয়। তাদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত হয়। তারা সবাই স্কুল ছুটির পর বাড়িতে ফিরছিল। টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে নিউজ১৮ জানায়, অভিযুক্ত গাড়ি চালকের নাম বিক্রান্ত কুমার। তাঁকে পুলিশ আটক করেছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইটে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় গত ২৩ এপ্রিল।

প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, আহত শিক্ষার্থীরা সেলাকির সরকারি ইন্টার কলেজের শিক্ষার্থী। চালক বিক্রান্ত কুমার সেলাকির স্টেট মেন্টাল হেলথ ইনস্টিটিউটের একজন স্বাস্থ্যকর্মী। তিনিও দুর্ঘটনায় আহত হন। তাঁকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। চিকিৎসার জন্য আহত শিক্ষার্থীদের ধুলকট হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং একজনকে দেহরাদুনের ঝাজরায় পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে সেলাকির পুলিশ স্টেশনের কর্মকর্তা পিডি ভাট টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানান, চালককে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে। বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হচ্ছে।
সুতরাং, দেশে বেপরোয়া চালকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের। প্রকৃতপক্ষে, গত ২৩ এপ্রিলে ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের দেরাদুন শহরের সেলাকিতে শিক্ষার্থীদের ওপর গাড়ি উঠিয়ে দেন এক চালক। ভিডিওটি সেই ঘটনার।
দেশের সড়ক দুর্ঘটনার দৃশ্য দাবিতে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে প্রায় একই ক্যাপশনে ছড়ানো হচ্ছে। ভিডিওটি দেখে মনে হয়, এটি সিসিটিভি ফুটেজ। স্কুল ইউনিফর্ম পরা কয়েকজন কিশোরীকে একটি পাকা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ পেছন দিক থেকে খুব জোরে আসা একটি গাড়ি দুজনকে আঘাত করে। এতে একজন পাশে দাঁড়ানো অটোরিকশার পেছনে ছিটকে পড়ে এবং অন্যজন রিকশার সামনের অংশে পড়ে যায়।
‘Kamrul Hosen Oni’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গত শুক্রবার বিকেল ৪টা ১ মিনিটে পোস্ট করা ৬ সেকেন্ডের এই ভিডিও সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে। ক্যাপশনে লেখা, ‘স্বাধীন দেশের অবস্থা, বেপরোয়া গতি। মানুষের ক্ষতি।’ (বানান অপরিবর্তিত)
আজ রোববার (১৮ মে) বেলা ১টা পর্যন্ত ভিডিওটি ১ লাখ ৪০ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং পোস্টটিতে ৫০৯টি রিঅ্যাকশন পড়েছে, ২৬টি কমেন্ট পড়েছে এবং শেয়ার হয়েছে ৩৪৫ বার। পোস্টে কেউ কেউ ভিডিওটি অন্য দেশের উল্লেখ করে কমেন্ট করেছেন। আবার অনেকে বাংলাদেশের ঘটনা লিখেও মন্তব্য করেছেন।
Abdullah Al Faisal নামের এক্স অ্যাকাউন্ট ও Rifat Jahan, Atikullah Khan Masum ও Yousuf Uzzal Khan নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একই দাবিতে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে। তবে এসব পোস্টের কোথাও তথ্যসূত্র উল্লেখ নেই।
এসব পোস্টের কমেন্টে অনেকেই ভিডিওটি অন্য দেশের উল্লেখ করেছেন। আবার কেউ কেউ বাংলাদেশের মনে করেও মন্তব্য করেছেন। AL Amin Molla নামের অ্যাকাউন্ট থেকে লেখা হয়েছে, ‘লাল স্বাধীনতা ভোগ করছে বাংলার মানুষ সময় আছে জেগে ওঠো বাংলাদেশ রাজাকারমুক্ত কর।’ (বানান অপরিবর্তিত) A R AF AT লিখেছে, ‘শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশের মহিলারা স্বাধীন ভাবে রাস্তায় হাটতো এখন তাদের স্বাধীনতা হারিয়ে গেছে, স্বাধীনতার নামে চলছে দুর্নীতী।’ (বানান অপরিবর্তিত)
ভিডিওটির কিছু কি–ফ্রেম রিভার্স ইমেজ সার্চ করা হলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম News18-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সাদৃশ্য পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি গত ২৪ এপ্রিল প্রকাশিত। এর সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা রাস্তা, স্কুলড্রেস পরা কিশোরীর দল, রাস্তার পাশে দাঁড়ানো অটোরিকশা ও দুর্ঘটনার ধরনে সাদৃশ্য পাওয়া যায়।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের দেরাদুন শহরের সেলাকিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আট শিক্ষার্থী আহত হয়। তাদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত হয়। তারা সবাই স্কুল ছুটির পর বাড়িতে ফিরছিল। টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে নিউজ১৮ জানায়, অভিযুক্ত গাড়ি চালকের নাম বিক্রান্ত কুমার। তাঁকে পুলিশ আটক করেছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইটে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় গত ২৩ এপ্রিল।

প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, আহত শিক্ষার্থীরা সেলাকির সরকারি ইন্টার কলেজের শিক্ষার্থী। চালক বিক্রান্ত কুমার সেলাকির স্টেট মেন্টাল হেলথ ইনস্টিটিউটের একজন স্বাস্থ্যকর্মী। তিনিও দুর্ঘটনায় আহত হন। তাঁকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। চিকিৎসার জন্য আহত শিক্ষার্থীদের ধুলকট হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং একজনকে দেহরাদুনের ঝাজরায় পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে সেলাকির পুলিশ স্টেশনের কর্মকর্তা পিডি ভাট টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানান, চালককে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে। বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হচ্ছে।
সুতরাং, দেশে বেপরোয়া চালকের কারণে সড়ক দুর্ঘটনার দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ভারতের। প্রকৃতপক্ষে, গত ২৩ এপ্রিলে ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের দেরাদুন শহরের সেলাকিতে শিক্ষার্থীদের ওপর গাড়ি উঠিয়ে দেন এক চালক। ভিডিওটি সেই ঘটনার।

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫