বিশ্বে এখন বেশি মৃত্যু ঘটায় এমন প্রধান পাঁচটি রোগের একটি হলো ডায়াবেটিস। পৃথিবীতে প্রতি ১০ সেকেন্ডে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত একজন মারা যায় এবং প্রতি ১০ সেকেন্ডে দুজন ডায়াবেটিস রোগী শনাক্ত হয়। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন অনেকাংশে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ করতে পারে।
ডায়াবেটিস রোগীদের খাবার
- উচ্চ আঁশযুক্ত এবং স্লোরিলিজ কার্বোহাইড্রেটসম্পন্ন খাবার তালিকায় রাখতে হবে।
- উপকারী চর্বি যেমন—বাদাম, অলিভ অয়েল, মাছের তেল ইত্যাদি তালিকায় রাখুন।
- সতেজ, রঙিন ও টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে।
- দেশিয় মাছ ও মুরগি খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে।
- প্রোটিন-জাতীয় খাবার যেমন—ডিম, চর্বি ছাড়া দুধ, টক দই ইত্যাদি খান নিয়মিত।
- চিনি ছাড়া চা খাওয়া যাবে। যাঁদের প্রেশার লো থাকে, তাঁরা গ্রিন টি খাবেন না।
যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন
- ট্রান্স ফ্যাট-জাতীয় খাবার
- সাদা পাউরুটি, চিনিযুক্ত খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও চাল
- প্যাকেটজাত খাবার, ফাস্টফুড, বেকিং করা খাবার, চিপস, কোমল পানীয়, অ্যালকোহল ইত্যাদি
- মাটির নিচের সবজি, যেমন আলু, মিষ্টি আলু, গাজর ইত্যাদি
- মসলাজাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে।
কিছু টিপস
আমরা জানি, ডায়াবেটিস রোগের জন্য মোট ক্যালরির ২০ শতাংশ আসবে আমিষ থেকে, ৩০ শতাংশ আসবে চর্বি থেকে, ৫০ শতাংশ আসবে শর্করা থেকে। পরিমাণমতো শর্করাজাতীয় খাবার প্রতিদিন খেতে হবে। সেই সব শর্করাজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে, যেগুলো রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। যেমন চিনি, মিষ্টি, বেশি ছাঁটা চালের ভাত, ময়দার রুটি ইত্যাদি।
সামর্থ্য অনুসারে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা তৈরি করতে হবে, যেখানে সুষম খাবার থাকবে। রোগীকে অবশ্যই ছয় বেলা খেতে হবে পরিমাণে কম করে।
দৈনিক ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করতে হবে হবে।
শারীরিক পরিশ্রমের জন্য হালকা ব্যায়াম ও দৈনিক এক ঘণ্টা হাঁটতে হবে।
রাত জাগা যাবে না।
লেখক: পুষ্টিবিদ, লেজার ট্রিট










