আবির হাকিম, ঢাকা

শিল্পসাহিত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে ব্যতিক্রমধর্মী চিন্তাধারা, নতুন ভাষা ও মতামতের জয়গান গাওয়াই লিটল ম্যাগাজিন (ম্যাগ) বা ছোট কাগজের প্রধান কাজ। অনেকটা অনিয়মিত এবং অবাণিজ্যিক এসব কাগজ ঠিকে থাকে তারুণ্যের স্পর্ধায়। শিল্প-সাহিত্যের মরা গাঙে যুগে যুগে এদের জোয়ার আনতে দেখা গেছে। বিশ্বের আর দশটি দেশের মতো বাংলাদেশের অনেক বিখ্যাত লেখকই সাহিত্য চর্চার শুরুতে লিটলম্যাগে লিখেছেন।
প্রধানত রাজধানী ঢাকা হলেও চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল তথা বিভাগীয় শহরগুলোতে এখনো কিছু কিছু লিটলম্যাগ বের হয়। বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের তরুণ-তরুণীরাই মূল চালিকা শক্তি হলেও এমন অনেকে আছেন, যাঁরা হয়তো ২০-৩০ বছর বা আরও বেশি সময় ধরে লিটলম্যাগে লিখছেন। ছোট কাগজের আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন।
গতকাল লিটলম্যাগ চত্বর ঘুরে দেখা যায়, মূলধারার স্টলের চেয়ে লিটলম্যাগ চত্বরে পাঠকের উপস্থিতি একেবারে কম নয়। ব্যতিক্রমী বিষয়বস্তু, নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ইত্যাদির স্বাদ নিতেই পাঠকেরা মৌচাকের মতো ভিড় জমান বইমেলার লিটলম্যাগ চত্বরে।
লিটলম্যাগ চত্বর কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কামরুল কাইয়েসের সঙ্গে। লিটলম্যাগের সঙ্গে একধরনের নিবিড় ভালোবাসার কথা জানালেন তিনি। নতুন চিন্তার খোরাক পাওয়া যায়, দৃষ্টিভঙ্গি খুলে যায়, স্বাধীনভাবে লেখার সাহস পাওয়া যায়—তাই এখানে এসে আড্ডা দেন কাইয়েস ও তাঁর বন্ধুরা।
বাংলাদেশে গত শতকের সত্তরের দশক থেকে শুরু হওয়া লিটলম্যাগ আন্দোলন আশি-নব্বইয়ের দশকে উচ্ছ্বাসের জোয়ার বইয়ে দিয়েছিল। পরিস্থিতি বদলেছে। তথ্যপ্রযুক্তির নতুন উদ্ভাবনের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে আর্থসামাজিক অবস্থা। অনেক কিছুর মতো পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে লিটলম্যাগ।
জনপ্রিয় লিটলম্যাগ কালের ধ্বনির সম্পাদক কবি ইমরান মাহফুজ বলেন, যাঁরা একসময় লিটলম্যাগে লিখতেন, তাঁরা এখন ফেসবুক, ওয়েবজিনসহ নানা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লিখছেন। ইউটিউবে কনটেন্ট বানাচ্ছেন। তারপরও আমরা লিটলম্যাগ ছেড়ে দিইনি। লিটলম্যাগ স্বপ্নবাজ তরুণদের এখনো আকর্ষণ করে বলে জানান তিনি।
বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা যায়, লিটলম্যাগ চত্বরে এবার ১২৭টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শালুক, কালের ধ্বনি, চারবাক, কাশফুল, অনুভূতির মতো পুরোনো কাগজগুলোর পাশাপাশি রয়েছে তুলনামূলক নতুন চিহ্ন, দাগ, খেয়া, মাদুলির মতো কাগজ।
কয়েকটি স্টলে দেখা গেছে, ছোট কাগজ বা সে সম্পর্কিত পত্রিকা নয়, এমনও কিছু বইও স্টলে সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রয়কর্মীরা। কোনো লিটলম্যাগ নতুন সংখ্যাই আনতে পারেনি। বোঝায় যায়—লেখা, উৎসাহ, অর্থ সব দিক থেকে ধুঁকছে লিটলম্যাগ আন্দোলন।
লিটলম্যাগ শালুকের সম্পাদক ওবায়েদ আকাশ বলেন, লিটলম্যাগ হলেও সমাজের বড় ইস্যু নিয়ে কথা বলাই এর বৈশিষ্ট্য। সেটা অতীতে যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও তেমন হওয়া উচিত। তবে সময় দাবি মেনে লিটলম্যাগের ধারণা পাল্টাতে পারে, এটাও স্বাভাবিক।
২৭তম দিনের মেলা: গতকাল ছিল বইমেলার ২৭তম দিন। এ দিন নতুন বই এসেছে ৬৮টি। বিকেলে বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ‘তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া: নির্ভীক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ পাঠ করেন দেলওয়ার হাসান।

শিল্পসাহিত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে ব্যতিক্রমধর্মী চিন্তাধারা, নতুন ভাষা ও মতামতের জয়গান গাওয়াই লিটল ম্যাগাজিন (ম্যাগ) বা ছোট কাগজের প্রধান কাজ। অনেকটা অনিয়মিত এবং অবাণিজ্যিক এসব কাগজ ঠিকে থাকে তারুণ্যের স্পর্ধায়। শিল্প-সাহিত্যের মরা গাঙে যুগে যুগে এদের জোয়ার আনতে দেখা গেছে। বিশ্বের আর দশটি দেশের মতো বাংলাদেশের অনেক বিখ্যাত লেখকই সাহিত্য চর্চার শুরুতে লিটলম্যাগে লিখেছেন।
প্রধানত রাজধানী ঢাকা হলেও চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল তথা বিভাগীয় শহরগুলোতে এখনো কিছু কিছু লিটলম্যাগ বের হয়। বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের তরুণ-তরুণীরাই মূল চালিকা শক্তি হলেও এমন অনেকে আছেন, যাঁরা হয়তো ২০-৩০ বছর বা আরও বেশি সময় ধরে লিটলম্যাগে লিখছেন। ছোট কাগজের আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন।
গতকাল লিটলম্যাগ চত্বর ঘুরে দেখা যায়, মূলধারার স্টলের চেয়ে লিটলম্যাগ চত্বরে পাঠকের উপস্থিতি একেবারে কম নয়। ব্যতিক্রমী বিষয়বস্তু, নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ইত্যাদির স্বাদ নিতেই পাঠকেরা মৌচাকের মতো ভিড় জমান বইমেলার লিটলম্যাগ চত্বরে।
লিটলম্যাগ চত্বর কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কামরুল কাইয়েসের সঙ্গে। লিটলম্যাগের সঙ্গে একধরনের নিবিড় ভালোবাসার কথা জানালেন তিনি। নতুন চিন্তার খোরাক পাওয়া যায়, দৃষ্টিভঙ্গি খুলে যায়, স্বাধীনভাবে লেখার সাহস পাওয়া যায়—তাই এখানে এসে আড্ডা দেন কাইয়েস ও তাঁর বন্ধুরা।
বাংলাদেশে গত শতকের সত্তরের দশক থেকে শুরু হওয়া লিটলম্যাগ আন্দোলন আশি-নব্বইয়ের দশকে উচ্ছ্বাসের জোয়ার বইয়ে দিয়েছিল। পরিস্থিতি বদলেছে। তথ্যপ্রযুক্তির নতুন উদ্ভাবনের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে আর্থসামাজিক অবস্থা। অনেক কিছুর মতো পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে লিটলম্যাগ।
জনপ্রিয় লিটলম্যাগ কালের ধ্বনির সম্পাদক কবি ইমরান মাহফুজ বলেন, যাঁরা একসময় লিটলম্যাগে লিখতেন, তাঁরা এখন ফেসবুক, ওয়েবজিনসহ নানা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লিখছেন। ইউটিউবে কনটেন্ট বানাচ্ছেন। তারপরও আমরা লিটলম্যাগ ছেড়ে দিইনি। লিটলম্যাগ স্বপ্নবাজ তরুণদের এখনো আকর্ষণ করে বলে জানান তিনি।
বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা যায়, লিটলম্যাগ চত্বরে এবার ১২৭টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শালুক, কালের ধ্বনি, চারবাক, কাশফুল, অনুভূতির মতো পুরোনো কাগজগুলোর পাশাপাশি রয়েছে তুলনামূলক নতুন চিহ্ন, দাগ, খেয়া, মাদুলির মতো কাগজ।
কয়েকটি স্টলে দেখা গেছে, ছোট কাগজ বা সে সম্পর্কিত পত্রিকা নয়, এমনও কিছু বইও স্টলে সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রয়কর্মীরা। কোনো লিটলম্যাগ নতুন সংখ্যাই আনতে পারেনি। বোঝায় যায়—লেখা, উৎসাহ, অর্থ সব দিক থেকে ধুঁকছে লিটলম্যাগ আন্দোলন।
লিটলম্যাগ শালুকের সম্পাদক ওবায়েদ আকাশ বলেন, লিটলম্যাগ হলেও সমাজের বড় ইস্যু নিয়ে কথা বলাই এর বৈশিষ্ট্য। সেটা অতীতে যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও তেমন হওয়া উচিত। তবে সময় দাবি মেনে লিটলম্যাগের ধারণা পাল্টাতে পারে, এটাও স্বাভাবিক।
২৭তম দিনের মেলা: গতকাল ছিল বইমেলার ২৭তম দিন। এ দিন নতুন বই এসেছে ৬৮টি। বিকেলে বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় ‘তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া: নির্ভীক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ পাঠ করেন দেলওয়ার হাসান।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫