সাবিত আল হাসান, নারায়ণগঞ্জ

বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির ভূমিকায় থাকা বিএনপি আন্দোলন সংগ্রামে একসময় নারায়ণগঞ্জে উঠে আসত গুরুত্বসহ। ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে নানান কর্মসূচি গুরুত্বসহকারে পালন করে আলোচনায় থাকত নারায়ণগঞ্জ। এর পেছনে ছিল নারায়ণগঞ্জে তৎকালীন বিএনপি নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা এবং দলটির বিশাল কর্মী বাহিনী।
তবে দিনে দিনে সেই ভূমিকা হারিয়ে গেছে বিএনপি থেকে। এখন সহিংস কর্মসূচি দূরে থাক, মানববন্ধন বা বিক্ষোভ সমাবেশও আয়োজন করেন না নিজ থেকে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির ঘোষণা এলে প্রেসক্লাবের গলিতে ১০-১২ জন দাঁড়িয়ে সেরে নেন ফটোসেশন। মাঝে তৈমুর আলম খন্দকার বিএনপির দায়িত্ব পাওয়ার পর কর্মীদের উপস্থিতি বাড়লেও তাঁকে বহিষ্কারের পর অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বিএনপির।
৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ আদালতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্তত ১৫ নেতার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন গ্রহণ করে আদালত। এর আগে, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর মামলার আবেদন করেন জয়বাংলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আকরাম হোসেন বাদল। আদালত ডিবি পুলিশকে মামলার তদন্তভার দেওয়ায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি। কোনো প্রকার প্রতিবাদ না দিয়ে নীরব অবস্থানে আছে একই দলের মহানগর কমিটি।
নারায়ণগঞ্জের মতো জেলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর বিএনপির নেতাদের এমন অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কর্মীরা। ফতুল্লা ওয়ার্ড বিএনপির নেতা রফিকের মতে, এই মামলার প্রতিবাদে জেলা ও মহানগর কমিটির নিন্দা জ্ঞাপনসহ প্রতিটি শাখায় প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ সমাবেশ ডাকার মতো সক্ষমতা রাখেন তাঁরা। কিন্তু তা না করে জেলা কমিটি বিবৃতি দিয়েই তাঁদের দায়িত্ব শেষ করেছে। আর এমন নীরব আচরণ সহজেই বিএনপির দুর্বলতাকে ইঙ্গিত করে।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রোজেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আসলে যারা মামলা করেছে তাঁদের বিষয়টি আমরা খুব একটা আমলে নিইনি। আর জেলা বিএনপির তরফ থেকে মামলার প্রতিবাদে কোনো কর্মসূচির সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা আমাদের প্রতিবাদলিপিতেই নিজেদের অবস্থান জানিয়েছি।’
মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই কোনো কর্মসূচি বা প্রতিবাদ বিবৃতি দেওয়া হয়নি। আদালত যেই তদন্ত দিয়েছেন আমরা তার সুষ্ঠু তদন্ত চাইব। পাশাপাশি এই মামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ ছাড়া সারা দেশের কোথাও কেউ কথা বললেন না, আর এই বাদী একাই এই বিষয়ে মাথা ঘামালেন, সেই বিষয়টিও তদন্ত সংস্থাকে খতিয়ে দেখার আবেদন জানাব।’
কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মামলার পরে দলের গা ছাড়া ভাবের কারণ জানতে চাইলে মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা যখন রাজনীতি করেছি তখন দল ও নেত্রীকে ভালোবেসে করেছি। এখন দল অনেকটা স্বার্থ রক্ষার কাজে ব্যবহার হয়। নিজ নিজ স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করেন অনেকে। খোদ দলের নেতা–কর্মীরাই মহাসচিবের বিরুদ্ধে মামলা করার স্পর্ধা দেখান। এ ধরনের ঘটনার কারণেই অচেনা অজানা মানুষেরা মামলা করে ফেলতে পারেন।’
একই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মামুন মাহমুদের কাছে। তবে তাঁর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় প্রধান বিবাদী করা হয়েছে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে।

বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির ভূমিকায় থাকা বিএনপি আন্দোলন সংগ্রামে একসময় নারায়ণগঞ্জে উঠে আসত গুরুত্বসহ। ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে নানান কর্মসূচি গুরুত্বসহকারে পালন করে আলোচনায় থাকত নারায়ণগঞ্জ। এর পেছনে ছিল নারায়ণগঞ্জে তৎকালীন বিএনপি নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা এবং দলটির বিশাল কর্মী বাহিনী।
তবে দিনে দিনে সেই ভূমিকা হারিয়ে গেছে বিএনপি থেকে। এখন সহিংস কর্মসূচি দূরে থাক, মানববন্ধন বা বিক্ষোভ সমাবেশও আয়োজন করেন না নিজ থেকে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির ঘোষণা এলে প্রেসক্লাবের গলিতে ১০-১২ জন দাঁড়িয়ে সেরে নেন ফটোসেশন। মাঝে তৈমুর আলম খন্দকার বিএনপির দায়িত্ব পাওয়ার পর কর্মীদের উপস্থিতি বাড়লেও তাঁকে বহিষ্কারের পর অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বিএনপির।
৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ আদালতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্তত ১৫ নেতার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন গ্রহণ করে আদালত। এর আগে, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর মামলার আবেদন করেন জয়বাংলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আকরাম হোসেন বাদল। আদালত ডিবি পুলিশকে মামলার তদন্তভার দেওয়ায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি। কোনো প্রকার প্রতিবাদ না দিয়ে নীরব অবস্থানে আছে একই দলের মহানগর কমিটি।
নারায়ণগঞ্জের মতো জেলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর বিএনপির নেতাদের এমন অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কর্মীরা। ফতুল্লা ওয়ার্ড বিএনপির নেতা রফিকের মতে, এই মামলার প্রতিবাদে জেলা ও মহানগর কমিটির নিন্দা জ্ঞাপনসহ প্রতিটি শাখায় প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ সমাবেশ ডাকার মতো সক্ষমতা রাখেন তাঁরা। কিন্তু তা না করে জেলা কমিটি বিবৃতি দিয়েই তাঁদের দায়িত্ব শেষ করেছে। আর এমন নীরব আচরণ সহজেই বিএনপির দুর্বলতাকে ইঙ্গিত করে।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রোজেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আসলে যারা মামলা করেছে তাঁদের বিষয়টি আমরা খুব একটা আমলে নিইনি। আর জেলা বিএনপির তরফ থেকে মামলার প্রতিবাদে কোনো কর্মসূচির সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা আমাদের প্রতিবাদলিপিতেই নিজেদের অবস্থান জানিয়েছি।’
মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আল ইউসুফ খান টিপু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই কোনো কর্মসূচি বা প্রতিবাদ বিবৃতি দেওয়া হয়নি। আদালত যেই তদন্ত দিয়েছেন আমরা তার সুষ্ঠু তদন্ত চাইব। পাশাপাশি এই মামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ ছাড়া সারা দেশের কোথাও কেউ কথা বললেন না, আর এই বাদী একাই এই বিষয়ে মাথা ঘামালেন, সেই বিষয়টিও তদন্ত সংস্থাকে খতিয়ে দেখার আবেদন জানাব।’
কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মামলার পরে দলের গা ছাড়া ভাবের কারণ জানতে চাইলে মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা যখন রাজনীতি করেছি তখন দল ও নেত্রীকে ভালোবেসে করেছি। এখন দল অনেকটা স্বার্থ রক্ষার কাজে ব্যবহার হয়। নিজ নিজ স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করেন অনেকে। খোদ দলের নেতা–কর্মীরাই মহাসচিবের বিরুদ্ধে মামলা করার স্পর্ধা দেখান। এ ধরনের ঘটনার কারণেই অচেনা অজানা মানুষেরা মামলা করে ফেলতে পারেন।’
একই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মামুন মাহমুদের কাছে। তবে তাঁর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলায় প্রধান বিবাদী করা হয়েছে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫