মুফতি মুহাম্মদ জাকারিয়া আল-আজহারি

প্রশ্ন: আজকাল শহর-নগরের অধিকাংশ মসজিদের নিচতলায় দোকানপাট বা মার্কেট নির্মাণ করতে দেখা যায়। এসব দোকানের আয় মসজিদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়। ইসলামের দৃষ্টিতে এই কাজ কতটুকু সঠিক? বিস্তারিত জানতে চাই।
ফাহিম কাদরি, ঢাকা
উওর: ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে মসজিদের সঙ্গে লাগোয়া বা নিচতলায় মার্কেট বা দোকান নির্মাণ জায়েজ। তবে দোকানপাটের অংশটিকে মসজিদের অংশ গণ্য করা হবে না। বরং একে এমন স্থাপনার অন্তর্ভুক্ত বিবেচনা করা হবে, যা মসজিদের কল্যাণে ওয়াক্ফ করা হয়েছে। নিচতলায় দোকান নির্মিত হলে ওপরতলা থেকেই মসজিদ গণ্য করা হবে, আর সামনের অংশে বা এক পাশে নির্মিত হলে এর পরের অংশ থেকে মসজিদ গণ্য করা হবে।
আল্লামা আলাউদ্দিন হাসকাফি (রহ.) বলেন, ‘মসজিদের নিচে মসজিদের কল্যাণের জন্য কিছু নির্মিত হলে তা জায়েজ। যেমন, আল-আকসা মসজিদ।’ (আদ্দুরুল মুখতার: ২ / ৫৭২)
তবে জায়েজ হওয়ার শর্ত হলো, মসজিদ নির্মাণের শুরুতেই ওই স্থানে দোকান নির্মাণের নিয়ত থাকতে হবে। মসজিদ নির্মাণ করে ফেলার পর নিচতলা দোকান হিসেবে ভাড়া দিয়ে ওপর তলায় মসজিদের কার্যক্রম পরিচালনা করা জায়েজ নেই। সুতরাং মসজিদের জন্য ওয়াক্ফকৃত স্থানে নিচতলা মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করার পরে আরও কয়েক তলা নির্মাণ করে নিচতলা বা অন্য কোনো ফ্লোরে দোকানপাট করা জায়েজ হবে না।
তবে দোকান নির্মাণ জায়েজ হলেও মসজিদের নিচে তা করা অনুচিত। কেননা মসজিদ হলো সর্বোৎকৃষ্ট স্থান আর বাজার হলো নিকৃষ্টতম স্থান। তাই মসজিদ ভবনে শপিং মল, দোকানপাট থাকলে মসজিদের পরিবেশ ভীষণভাবে নষ্ট হয়। তাই মসজিদের আয়ের জন্যও মসজিদের নিচতলায় দোকানপাট করা থেকে বিরত থাকা উচিত। বিকল্প হিসেবে মসজিদ ভবন থেকে দূরে পৃথক ভবন নির্মাণ করে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তা ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে মসজিদের পরিবেশও বজায় থাকবে এবং মসজিদের আয়েরও একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
সূত্র: জাদিদ ফিকহি মাসায়েল: ১/১০৩-১০৪; আলমুহাররারুল ওয়াজিয: ১৫ / ১৪৫; হাশিয়াতুশ শিলবি আলাত তাবয়িন: ৪/২৭১; আলমুহিতুল বুরহানি: ৯/১২৭; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ৮/১৬২; আদ্দুররুল মুখতার: ৪/৩৫৮।
লেখক: মুহাদ্দিস, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া, চট্টগ্রাম

প্রশ্ন: আজকাল শহর-নগরের অধিকাংশ মসজিদের নিচতলায় দোকানপাট বা মার্কেট নির্মাণ করতে দেখা যায়। এসব দোকানের আয় মসজিদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়। ইসলামের দৃষ্টিতে এই কাজ কতটুকু সঠিক? বিস্তারিত জানতে চাই।
ফাহিম কাদরি, ঢাকা
উওর: ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে মসজিদের সঙ্গে লাগোয়া বা নিচতলায় মার্কেট বা দোকান নির্মাণ জায়েজ। তবে দোকানপাটের অংশটিকে মসজিদের অংশ গণ্য করা হবে না। বরং একে এমন স্থাপনার অন্তর্ভুক্ত বিবেচনা করা হবে, যা মসজিদের কল্যাণে ওয়াক্ফ করা হয়েছে। নিচতলায় দোকান নির্মিত হলে ওপরতলা থেকেই মসজিদ গণ্য করা হবে, আর সামনের অংশে বা এক পাশে নির্মিত হলে এর পরের অংশ থেকে মসজিদ গণ্য করা হবে।
আল্লামা আলাউদ্দিন হাসকাফি (রহ.) বলেন, ‘মসজিদের নিচে মসজিদের কল্যাণের জন্য কিছু নির্মিত হলে তা জায়েজ। যেমন, আল-আকসা মসজিদ।’ (আদ্দুরুল মুখতার: ২ / ৫৭২)
তবে জায়েজ হওয়ার শর্ত হলো, মসজিদ নির্মাণের শুরুতেই ওই স্থানে দোকান নির্মাণের নিয়ত থাকতে হবে। মসজিদ নির্মাণ করে ফেলার পর নিচতলা দোকান হিসেবে ভাড়া দিয়ে ওপর তলায় মসজিদের কার্যক্রম পরিচালনা করা জায়েজ নেই। সুতরাং মসজিদের জন্য ওয়াক্ফকৃত স্থানে নিচতলা মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করার পরে আরও কয়েক তলা নির্মাণ করে নিচতলা বা অন্য কোনো ফ্লোরে দোকানপাট করা জায়েজ হবে না।
তবে দোকান নির্মাণ জায়েজ হলেও মসজিদের নিচে তা করা অনুচিত। কেননা মসজিদ হলো সর্বোৎকৃষ্ট স্থান আর বাজার হলো নিকৃষ্টতম স্থান। তাই মসজিদ ভবনে শপিং মল, দোকানপাট থাকলে মসজিদের পরিবেশ ভীষণভাবে নষ্ট হয়। তাই মসজিদের আয়ের জন্যও মসজিদের নিচতলায় দোকানপাট করা থেকে বিরত থাকা উচিত। বিকল্প হিসেবে মসজিদ ভবন থেকে দূরে পৃথক ভবন নির্মাণ করে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তা ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে মসজিদের পরিবেশও বজায় থাকবে এবং মসজিদের আয়েরও একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে।
সূত্র: জাদিদ ফিকহি মাসায়েল: ১/১০৩-১০৪; আলমুহাররারুল ওয়াজিয: ১৫ / ১৪৫; হাশিয়াতুশ শিলবি আলাত তাবয়িন: ৪/২৭১; আলমুহিতুল বুরহানি: ৯/১২৭; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ৮/১৬২; আদ্দুররুল মুখতার: ৪/৩৫৮।
লেখক: মুহাদ্দিস, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া, চট্টগ্রাম

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫