খুলনা প্রতিনিধি

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার আস্তায়খোলা গ্রামের মো: শরীফুল ইসলাম হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া মামলায় পলাতক এক আসামিকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলায় বাকি ৬ জন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিভাগীয় (জেলা ও দায়রা) জজ আদালতের বিচারক মোঃ নজরুল ইসলাম হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলন, জিয়াউর রহমান জিয়া (যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক), আবদুল্লাহ (পলাতক), ইকবাল (পলাতক), আলম, কামাল ও নাঈম। এদের মধ্যে জিয়া ছাড়া বাকি সবাইকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে ২০১৫ সালের এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বলা হয়, ওই ৯ জুন সকালের দিকে এনামুল ও শরীফুল বাড়ির কাজ দেখাশোনা করার জন্য ধলগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। তাদের কাছে নগদ এক লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিল। পথিমধ্যে তকব্বর নামে এক আসামি তাদের গতিরোধ করে। পাশে অবস্থানরত অন্য দুর্বৃত্তরা এনামুল-শরীফুলকে জোর করে ওই আসামির বাড়ি নিয়ে যায়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা।
এদের মধ্যে আস্তায়খোলা গ্রামের নাইম লোহার রড দিয়ে শরীফুলকে মাথার পেছনে পরপর কয়েকটি আঘাত করে। তাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে আসলে তাদের ওপরও আক্রমণ করে দুর্বৃত্তরা। আসামিরা এনামুল ও শরীফুলের কাছ থেকে নগদ এক লাখ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়। পরে জখম হওয়া দু’ জনকে যশোরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শরীফুলের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঘটনার পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরীফুল মারা যান।
এ ব্যাপারে ঘটনার দিন নিহতের চাচাতো ভাই মো: শাহ আলম বাদী হয়ে ১২ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন, ইকবাল হোসেন, আবদুল্লাহ, জিয়াউর রহমান, আলম, কামাল, আলম, রুবেল, আবু তালেব, আবু বক্কার, হাসমত, তকব্বর ও নাইম। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তকব্বর ও নাইমকে রিমান্ডে নেয়। তারা দু’জন হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং অন্য আসামিদের নাম জানায়।
এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাঘারপাড়া উপজেলার নারকেল বাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ শরজিৎ কুমার ঘোষ ১২ জনকে আসামি করে ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় ট্রাইব্যুনালে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার আস্তায়খোলা গ্রামের মো: শরীফুল ইসলাম হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া মামলায় পলাতক এক আসামিকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলায় বাকি ৬ জন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিভাগীয় (জেলা ও দায়রা) জজ আদালতের বিচারক মোঃ নজরুল ইসলাম হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলন, জিয়াউর রহমান জিয়া (যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক), আবদুল্লাহ (পলাতক), ইকবাল (পলাতক), আলম, কামাল ও নাঈম। এদের মধ্যে জিয়া ছাড়া বাকি সবাইকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে ২০১৫ সালের এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বলা হয়, ওই ৯ জুন সকালের দিকে এনামুল ও শরীফুল বাড়ির কাজ দেখাশোনা করার জন্য ধলগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। তাদের কাছে নগদ এক লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিল। পথিমধ্যে তকব্বর নামে এক আসামি তাদের গতিরোধ করে। পাশে অবস্থানরত অন্য দুর্বৃত্তরা এনামুল-শরীফুলকে জোর করে ওই আসামির বাড়ি নিয়ে যায়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা।
এদের মধ্যে আস্তায়খোলা গ্রামের নাইম লোহার রড দিয়ে শরীফুলকে মাথার পেছনে পরপর কয়েকটি আঘাত করে। তাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে আসলে তাদের ওপরও আক্রমণ করে দুর্বৃত্তরা। আসামিরা এনামুল ও শরীফুলের কাছ থেকে নগদ এক লাখ ২৫ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়। পরে জখম হওয়া দু’ জনকে যশোরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শরীফুলের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঘটনার পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরীফুল মারা যান।
এ ব্যাপারে ঘটনার দিন নিহতের চাচাতো ভাই মো: শাহ আলম বাদী হয়ে ১২ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন, ইকবাল হোসেন, আবদুল্লাহ, জিয়াউর রহমান, আলম, কামাল, আলম, রুবেল, আবু তালেব, আবু বক্কার, হাসমত, তকব্বর ও নাইম। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তকব্বর ও নাইমকে রিমান্ডে নেয়। তারা দু’জন হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং অন্য আসামিদের নাম জানায়।
এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাঘারপাড়া উপজেলার নারকেল বাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ শরজিৎ কুমার ঘোষ ১২ জনকে আসামি করে ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় ট্রাইব্যুনালে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫