নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মেলবোর্নে রিজেন্ট থিয়েটারের প্লাজা বলরুমে বিশ্বকাপের ১৬ অধিনায়ককে নিয়ে হয়ে গেল ‘ক্যাপ্টেইনস ডে’, যেখানে অধিনায়কেরা সংবাদকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এমন কিছু এবারই প্রথম। তবে এই আয়োজনে থাকছে সরাসরি সুপার টুয়েলভে খেলা ৮ অধিনায়কের ভাবনার চুম্বক অংশ।
সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ)
আমাদের দলটা খুব রোমাঞ্চকর। অনেক নতুন খেলোয়াড় আছে। এটি তাদের জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা হবে। আমাদের (দলের) আমরা সবাই অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলব, অবশ্যই আমিসহ (হাসি)। আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। ক্রাইস্টচার্চে খুব ভালো দুটি দলের বিপক্ষে চারটি ম্যাচ খেলেছি আমরা। আমরা এখন জানি অস্ট্রেলিয়ায় ভালো খেলার জন্য কী করতে হবে। ভালো করার জন্য যথাযথভাবে প্রস্তুত আমরা।
রোহিত শর্মা (ভারত)
দলগুলো এখন দারুণ ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলছে। তারা এখন ফল নিয়ে না ভেবে ঝুঁকি নিচ্ছে। আমার মনে হয়, এই ধরনের সংস্করণের জন্য এটা ভালো উপায়। আমাদের দলও এমন পন্থায় খেলার চেষ্টা করছে। এটি এমন একটি সংস্করণ, যেখানে ঝুঁকি আছে এবং সেটার পুরস্কারও আছে। ঝুঁকি নিতে হলে আপনাকে যথেষ্ট সাহসী হতে হবে। আমরা ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত।
বাবর আজম (পাকিস্তান)
নিউজিল্যান্ডে আমরা দারুণ একটি সিরিজ খেলেছি। বিশ্বকাপে এটা আমাদের অনেক সহায়তা করবে। ছেলেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আছে, এই ধারাবাহিকতা আমরা বিশ্বকাপে ধরে রাখতে চাই। শেষ দুই ম্যাচে আমাদের মিডলঅর্ডার রান করেছে। বিশ্বকাপের আগে দল হিসেবে এমন পারফরম্যান্স আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।
অ্যারন ফিঞ্চ (অস্ট্রেলিয়া)
আপনি যখন বিশ্বকাপ খেলবেন তখন শুধু ১১ জন নয়, ১৫ জন ক্রিকেটারই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপে সবাইকে অবদান রাখতে হবে। আমরা ভারসাম্যপূর্ণ দল। আমাদের ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই বেশ কয়েকজন ম্যাচ উইনার রয়েছে। আমাদের আসলে সঠিক সময়ে সঠিক খেলোয়াড়কে দলে নিতে হবে। টুর্নামেন্টের পরের দিকে গিয়ে এটা বলার সুযোগ নেই যে আমাদের এটা করা উচিত ছিল, এটা করা ঠিক হয়নি। দল নিয়ে আমি খুশি।
কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড)
মানুষ কী বলে সেটা আমাদের হাতে নেই। আমরা ক্রিকেটে মনোযোগ রাখতে চাই এবং খেলতে চাই। আমাদের সামনে যে চ্যালেঞ্জ আছে, সেটা পর্যবেক্ষণ করতে চাই। বেশি দিন হয়নি আমরা বিশ্বকাপে (গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ) দারুণ সময় কাটিয়েছি। এই ছেলেরাই ফাইনালে খেলেছে। আমার মনে হয়, সবারই আলাদা ভাবনা রয়েছে।
এখানে যেকোনো দিন যেকোনো কিছু হতে পারে।
জস বাটলার (ইংল্যান্ড)
আপনাকে এটা মেনে (গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়া) নিতে হবে। কেন (উইলিয়ামসন) যেটা শুরুতে বলল, এখানে দারুণ সব ক্রিকেটার রয়েছে। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে একজন ক্রিকেটারই আপনার কাছ থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে যেতে পারে। আমাদের ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। বেশি কিছু চেষ্টা করতে চাই না। আগের টুর্নামেন্ট থেকে
শেখার চেষ্টা করছি এবং উন্নতি করার চেষ্টা করছি।
টেম্বা বাভুমা (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ছেলেরা দারুণ আত্মবিশ্বাসী। আমরা ভারত থেকে এসেছি, যদিও সেখানে সিরিজটা আমাদের পক্ষে ছিল না। কিন্তু আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে, যা আমরা পুরো টুর্নামেন্টে (বিশ্বকাপ) টেনে নিতে পারি এবং দল হিসেবে আমরা পারফর্ম করতে পারি। আমরা খুবই রোমাঞ্চিত। এখন টুর্নামেন্টের দিকে তাকিয়ে আছি।
মোহাম্মদ নবী (আফগানিস্তান)
বাছাইপর্ব না খেলে সরাসরি সেরা আট থেকে খেলা সম্মানের। সুপার এইটে খেলার সময় এ কারণে চাপের মুখে আমরা অনেক পারফর্ম করেছি। আমরা বাছাইপর্ব খেলেছি, সেরা ৮ কিংবা ১০-এ খেলেছি। এটা খুব ভালো। এটা আমাদের বড় দলগুলোর সঙ্গে খেলার আরও বেশি সুযোগ করে দিয়েছে।

মেলবোর্নে রিজেন্ট থিয়েটারের প্লাজা বলরুমে বিশ্বকাপের ১৬ অধিনায়ককে নিয়ে হয়ে গেল ‘ক্যাপ্টেইনস ডে’, যেখানে অধিনায়কেরা সংবাদকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এমন কিছু এবারই প্রথম। তবে এই আয়োজনে থাকছে সরাসরি সুপার টুয়েলভে খেলা ৮ অধিনায়কের ভাবনার চুম্বক অংশ।
সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ)
আমাদের দলটা খুব রোমাঞ্চকর। অনেক নতুন খেলোয়াড় আছে। এটি তাদের জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা হবে। আমাদের (দলের) আমরা সবাই অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলব, অবশ্যই আমিসহ (হাসি)। আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। ক্রাইস্টচার্চে খুব ভালো দুটি দলের বিপক্ষে চারটি ম্যাচ খেলেছি আমরা। আমরা এখন জানি অস্ট্রেলিয়ায় ভালো খেলার জন্য কী করতে হবে। ভালো করার জন্য যথাযথভাবে প্রস্তুত আমরা।
রোহিত শর্মা (ভারত)
দলগুলো এখন দারুণ ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলছে। তারা এখন ফল নিয়ে না ভেবে ঝুঁকি নিচ্ছে। আমার মনে হয়, এই ধরনের সংস্করণের জন্য এটা ভালো উপায়। আমাদের দলও এমন পন্থায় খেলার চেষ্টা করছে। এটি এমন একটি সংস্করণ, যেখানে ঝুঁকি আছে এবং সেটার পুরস্কারও আছে। ঝুঁকি নিতে হলে আপনাকে যথেষ্ট সাহসী হতে হবে। আমরা ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত।
বাবর আজম (পাকিস্তান)
নিউজিল্যান্ডে আমরা দারুণ একটি সিরিজ খেলেছি। বিশ্বকাপে এটা আমাদের অনেক সহায়তা করবে। ছেলেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আছে, এই ধারাবাহিকতা আমরা বিশ্বকাপে ধরে রাখতে চাই। শেষ দুই ম্যাচে আমাদের মিডলঅর্ডার রান করেছে। বিশ্বকাপের আগে দল হিসেবে এমন পারফরম্যান্স আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।
অ্যারন ফিঞ্চ (অস্ট্রেলিয়া)
আপনি যখন বিশ্বকাপ খেলবেন তখন শুধু ১১ জন নয়, ১৫ জন ক্রিকেটারই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপে সবাইকে অবদান রাখতে হবে। আমরা ভারসাম্যপূর্ণ দল। আমাদের ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই বেশ কয়েকজন ম্যাচ উইনার রয়েছে। আমাদের আসলে সঠিক সময়ে সঠিক খেলোয়াড়কে দলে নিতে হবে। টুর্নামেন্টের পরের দিকে গিয়ে এটা বলার সুযোগ নেই যে আমাদের এটা করা উচিত ছিল, এটা করা ঠিক হয়নি। দল নিয়ে আমি খুশি।
কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড)
মানুষ কী বলে সেটা আমাদের হাতে নেই। আমরা ক্রিকেটে মনোযোগ রাখতে চাই এবং খেলতে চাই। আমাদের সামনে যে চ্যালেঞ্জ আছে, সেটা পর্যবেক্ষণ করতে চাই। বেশি দিন হয়নি আমরা বিশ্বকাপে (গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ) দারুণ সময় কাটিয়েছি। এই ছেলেরাই ফাইনালে খেলেছে। আমার মনে হয়, সবারই আলাদা ভাবনা রয়েছে।
এখানে যেকোনো দিন যেকোনো কিছু হতে পারে।
জস বাটলার (ইংল্যান্ড)
আপনাকে এটা মেনে (গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়া) নিতে হবে। কেন (উইলিয়ামসন) যেটা শুরুতে বলল, এখানে দারুণ সব ক্রিকেটার রয়েছে। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে একজন ক্রিকেটারই আপনার কাছ থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে যেতে পারে। আমাদের ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। বেশি কিছু চেষ্টা করতে চাই না। আগের টুর্নামেন্ট থেকে
শেখার চেষ্টা করছি এবং উন্নতি করার চেষ্টা করছি।
টেম্বা বাভুমা (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ছেলেরা দারুণ আত্মবিশ্বাসী। আমরা ভারত থেকে এসেছি, যদিও সেখানে সিরিজটা আমাদের পক্ষে ছিল না। কিন্তু আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে, যা আমরা পুরো টুর্নামেন্টে (বিশ্বকাপ) টেনে নিতে পারি এবং দল হিসেবে আমরা পারফর্ম করতে পারি। আমরা খুবই রোমাঞ্চিত। এখন টুর্নামেন্টের দিকে তাকিয়ে আছি।
মোহাম্মদ নবী (আফগানিস্তান)
বাছাইপর্ব না খেলে সরাসরি সেরা আট থেকে খেলা সম্মানের। সুপার এইটে খেলার সময় এ কারণে চাপের মুখে আমরা অনেক পারফর্ম করেছি। আমরা বাছাইপর্ব খেলেছি, সেরা ৮ কিংবা ১০-এ খেলেছি। এটা খুব ভালো। এটা আমাদের বড় দলগুলোর সঙ্গে খেলার আরও বেশি সুযোগ করে দিয়েছে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫