আফজাল হোসেন পন্টি, নারায়ণগঞ্জ

অনিরাপদ হয়ে উঠেছে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়ে। দিনদুপুরে বসে মাদকের আসর। মাঝেমধ্যে ঘটে ছিনতাইয়ের ঘটনা। যেন মাদকসেবী আর ছিনতাইকারীদের নিরাপদ আশ্রয় বন্দর সেন্ট্রাল খেয়াঘাট থেকে টানবাজার ঘাট পর্যন্ত এ ওয়াকওয়েটি। সন্ধ্যার পর অনেকেই এড়িয়ে চলেন এ পথ। অথচ নাগরিকদের নিরাপদ হাঁটাচলা ও বিনোদনের চিন্তা করেই নির্মাণ করা হয়েছে এটি। পুলিশের দাবি, নিয়মিত ওয়াকওয়েতে টহল দেওয়া হয়। তারা চলে গেলে হয়তো মাদকসেবীরা আড্ডা বসায়।
বন্দর খেয়াঘাটের পাশ ঘেঁষেই চলে গেছে টাইলস বিছানো সুন্দর হাঁটাপথ। এটা টানবাজার ঘাট হয়ে ডালপট্টি পর্যন্ত গিয়েছে। সড়কের যানজট এড়াতে বহু মানুষ এ পথ ব্যবহার করেন। অনেকে বিকেলে বেড়াতেও আসেন। কিন্তু এখন মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে এ পথটি। টানবাজার ঘাটের কাছেই পুলিশ ফাঁড়ি। কিন্তু তাদের নাকের ডগাতেই চলে মাদক সেবন।
এ পথে প্রতিদিন যাতায়াত করা গার্মেন্টস কর্মী ফারুক বলেন, ‘আমি বন্দরে থাকি। ঘাট পার হয়ে এ রাস্তা দিয়ে হেঁটে নিতাইগঞ্জে কাজে যাই। প্রতিদিনই দেখি, পথের পাশে বসছে মাদকের আসর। দ্রুত জায়গাটা পার হই। অনেক সময় এখানে ছিনতাইও হয়।’
কলেজছাত্রী মেহেরিন জানান, বিকেলে মাঝেমধ্যে বন্ধুদের নিয়ে এখানে বেড়াতে আসেন। কিন্তু পরিবেশটা এখন আগের মতো নেই। প্রকাশ্যেই মাদকসেবীরা আড্ডা বসায়। সন্ধ্যার পর তো এখানে আসার কথা চিন্তাও করতে পারেন না।
আশপাশের লোকজন জানান, মূলত এলাকার বখাটে, লঞ্চের কর্মচারী, সুইপাররা এখানে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন করে। তাদের কেউ বাধা দেন না। দিন দিন তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সুযোগ বুঝে চুরি ছিনতাইও করে তারা।
স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর (১৫ নম্বর ওয়ার্ড) অসিত বরন বিশ্বাস বলেন, ‘ওয়াকওয়ে দিয়ে কোনো সুস্থ মানুষ চলাচল করতে পারে না। পুলিশের ওপেন হাউস ডেতে একাধিকবার বিষয়টি বলেছি। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা বা টহলও দেওয়া হয় না। এ সমস্যা দূর করতে ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিয়ে উদ্যোগ নিলে সেটা টেকসই হবে।’
বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের উপপরিচালক মাসুদ কামাল বলেন, ‘নিরাপদে মানুষের হাঁটা ও বিনোদনের জন্য ওয়াকওয়ের এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা পুলিশকে বলেছি। এখন এটা তাদের দায়িত্ব।’
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ্ জামান বলেন, ‘ওয়াকওয়ের নিরাপত্তার বিষয়টি আমরাই দেখব। এখানে আমাদের টহল দল নিয়মিত টহল দেয়। হয়তো তারা সরে গেলে মাদকসেবীরা আড্ডা দেয়। এরপরও আমি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখব।’

অনিরাপদ হয়ে উঠেছে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়ে। দিনদুপুরে বসে মাদকের আসর। মাঝেমধ্যে ঘটে ছিনতাইয়ের ঘটনা। যেন মাদকসেবী আর ছিনতাইকারীদের নিরাপদ আশ্রয় বন্দর সেন্ট্রাল খেয়াঘাট থেকে টানবাজার ঘাট পর্যন্ত এ ওয়াকওয়েটি। সন্ধ্যার পর অনেকেই এড়িয়ে চলেন এ পথ। অথচ নাগরিকদের নিরাপদ হাঁটাচলা ও বিনোদনের চিন্তা করেই নির্মাণ করা হয়েছে এটি। পুলিশের দাবি, নিয়মিত ওয়াকওয়েতে টহল দেওয়া হয়। তারা চলে গেলে হয়তো মাদকসেবীরা আড্ডা বসায়।
বন্দর খেয়াঘাটের পাশ ঘেঁষেই চলে গেছে টাইলস বিছানো সুন্দর হাঁটাপথ। এটা টানবাজার ঘাট হয়ে ডালপট্টি পর্যন্ত গিয়েছে। সড়কের যানজট এড়াতে বহু মানুষ এ পথ ব্যবহার করেন। অনেকে বিকেলে বেড়াতেও আসেন। কিন্তু এখন মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে এ পথটি। টানবাজার ঘাটের কাছেই পুলিশ ফাঁড়ি। কিন্তু তাদের নাকের ডগাতেই চলে মাদক সেবন।
এ পথে প্রতিদিন যাতায়াত করা গার্মেন্টস কর্মী ফারুক বলেন, ‘আমি বন্দরে থাকি। ঘাট পার হয়ে এ রাস্তা দিয়ে হেঁটে নিতাইগঞ্জে কাজে যাই। প্রতিদিনই দেখি, পথের পাশে বসছে মাদকের আসর। দ্রুত জায়গাটা পার হই। অনেক সময় এখানে ছিনতাইও হয়।’
কলেজছাত্রী মেহেরিন জানান, বিকেলে মাঝেমধ্যে বন্ধুদের নিয়ে এখানে বেড়াতে আসেন। কিন্তু পরিবেশটা এখন আগের মতো নেই। প্রকাশ্যেই মাদকসেবীরা আড্ডা বসায়। সন্ধ্যার পর তো এখানে আসার কথা চিন্তাও করতে পারেন না।
আশপাশের লোকজন জানান, মূলত এলাকার বখাটে, লঞ্চের কর্মচারী, সুইপাররা এখানে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন করে। তাদের কেউ বাধা দেন না। দিন দিন তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সুযোগ বুঝে চুরি ছিনতাইও করে তারা।
স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর (১৫ নম্বর ওয়ার্ড) অসিত বরন বিশ্বাস বলেন, ‘ওয়াকওয়ে দিয়ে কোনো সুস্থ মানুষ চলাচল করতে পারে না। পুলিশের ওপেন হাউস ডেতে একাধিকবার বিষয়টি বলেছি। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা বা টহলও দেওয়া হয় না। এ সমস্যা দূর করতে ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিয়ে উদ্যোগ নিলে সেটা টেকসই হবে।’
বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের উপপরিচালক মাসুদ কামাল বলেন, ‘নিরাপদে মানুষের হাঁটা ও বিনোদনের জন্য ওয়াকওয়ের এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা পুলিশকে বলেছি। এখন এটা তাদের দায়িত্ব।’
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ্ জামান বলেন, ‘ওয়াকওয়ের নিরাপত্তার বিষয়টি আমরাই দেখব। এখানে আমাদের টহল দল নিয়মিত টহল দেয়। হয়তো তারা সরে গেলে মাদকসেবীরা আড্ডা দেয়। এরপরও আমি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখব।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫