মানুষের শেষ ঠিকানা কবর। ওসমানীনগর উপজেলার ইব্রাহীম আলী সেই শেষ ঠিকানার কারিগর। পরম দরদ আর ভালোবাসা নিয়ে তিনি সাজান কবর। কারও মৃত্যু সংবাদ কানে আসামাত্র খুন্তি, কোদাল, শাবল, হাতে ছুটে যান কবর খুঁড়তে। মানুষের অন্তিম যাত্রায় সহযাত্রীর মতো বাড়িয়ে দেন দুহাত।
শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা কোনো ঋতুতেই থেমে থাকে না কবর খোঁড়ার কাজ। ত্রিশ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে শতাধিক কবর খনন করেছেন তিনি।
পেশায় রাজমিস্ত্রি ইব্রাহীম আলী গহরপুর গ্রামের মৃত ইসরাফ উল্লাহর ছেলে। কোথাও মানুষ মারা যাওয়ার খবর কানে আসামাত্র ইব্রাহীম আলী শত ব্যস্ততা রেখে ছুটে যান কবর খুঁড়তে। অনেকের শেষ ঠিকানা তিনি তৈরি করে দিলেও তাঁর বাস জরাজীর্ণ ঘরে।
ইব্রাহীম আলী জানান, ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে প্রথম প্রথম আত্মীয়স্বজনের কবর খননের মাধ্যমে কাজে হাতেখড়ি। ধীরে ধীরে দক্ষতা বাড়ায় বাড়তে এক সময় এ কাজটিকেই তিনি জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। এরপর থেকে টানা ৩০ বছর ধরে অকৃত্রিম আবেগে তিনি নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন কবর খননের কাজে।
তিনি বলেন, ‘প্রথমে লাশ দেখে কবরের পরিমাপ করি। তারপর কবর তৈরির কাজ শুরু করি। নিজ গ্রাম বা দূরবর্তী গ্রাম, যেখান থেকে যখনই মৃত্যু সংবাদ পাই, ঘরে থাকতে পারি না। এক অদৃশ্য টানে ছুটে যাই। বিনিময়ে কারও কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করি না। এমনকি যাতায়াত খরচটুকুও না। আর এ কারণেও অনেক মানুষের কাছ থেকে পাচ্ছি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর সম্মান।’

ইসলামে পরিচ্ছন্নতা ও সুগন্ধির গুরুত্ব অপরিসীম। রাসুলুল্লাহ (সা.) সুগন্ধি খুব পছন্দ করতেন এবং নিয়মিত ব্যবহার করতেন। সুগন্ধির প্রতি প্রিয় নবী (সা.)-এর বিশেষ অনুরাগ ছিল। তিনি ইরশাদ করেছেন, ‘চারটি বস্তু সব নবীর সুন্নত—আতর, বিয়ে, মেসওয়াক ও লজ্জাস্থান আবৃত রাখা।’ (মুসনাদে আহমাদ: ২২৪৭৮)
৫ দিন আগে
গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫