গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

বাঙালি সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিত যাত্রাপালা। এক সময় শহর বা গ্রামে রাতভর মঞ্চস্থ হতো যাত্রাপালা। যাত্রা বা যাত্রাগান যুগে যুগে মানুষকে আনন্দ দিয়েছে। আধুনিকায়নের এই যুগে হারিয়ে যেতে বসেছে সেই ঐতিহ্যবাহী যাত্রা বা যাত্রাগান। বর্তমান প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি পৌঁছে দিতে দীর্ঘদিন পর হলেও গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো যাত্রাপালা উৎসব।
মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এ উৎসবের আয়োজন করে। গত বৃহস্পতিবার রাতে শহরের লেকপাড়ের মুক্তমঞ্চ রক্তকবরীতে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি শাহিদা সুলতানা। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খানসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
যাত্রাপালায় সদর উপজেলার সাতপাড় ইউনিয়নের অরণ্য অপেরার যাত্রা শিল্পীরা অভিনয়ের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত কাহিনি, পাক হানাদারদের নির্যাতনসহ বিভিন্ন বিষয় ফুটিয়ে তোলেন।
যাত্রা দেখতে আসা রাকিবুল ইসলাম বলেন, বাপ-দাদাদের মুখে শুনেছেন তাঁরা না কি সারা রাত ধরে গ্রামের মানুষ একসঙ্গে মিলে যাত্রা দেখতে যেত। শুধু তাঁদের মুখে শুনেছেন, কখনো দেখতে পারেননি। এখন কোথাও যাত্রাপালা হতে দেখা যায় না। এখানে যাত্রাপালা হবে শুনে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে যাত্রাপালা দেখতে এসেছেন।
অরণ্য অপেরার স্বত্বাধিকারী ও যাত্রাশিল্পী কল্যালী বাকচী বলেন, কালক্রমে এখন যাত্রাপালা হারিয়ে যাচ্ছে। এখন আর তেমন একটা যাত্রাপালা হয় না। ফলে যাত্রাশিল্পীরা এক রকম বেকার হয়ে পড়ছেন। তবে দীর্ঘদিন পর হলেও যাত্রাপালা করায় তাঁরা খুশি। তাঁরা চান আগের মতো দেশের সব জায়গায় যাত্রাপালার আয়োজন হোক। মেলা, অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন উৎসবে যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত হলে ভালো হবে বলে করেন তিনি।
জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, বাঙালির প্রাণের উৎস স্থলের অনুষ্ঠান যাত্রাপালা। দীর্ঘদিন অবহেলার কারণে সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে যাত্রাপালা হারিয়ে যাচ্ছিল। এ শিল্পটির পুনর্জাগরণ দরকার বলে মনে করেন তিনি। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা হারিয়ে যেতে বসেছিলেন। যাত্রাপালার চর্চার মাধ্যমে তাঁরা আবার ফিরে আসবেন। সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতায় আমাদের সংস্কৃতি আমরা ধরে রাখতে পারব বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

বাঙালি সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিত যাত্রাপালা। এক সময় শহর বা গ্রামে রাতভর মঞ্চস্থ হতো যাত্রাপালা। যাত্রা বা যাত্রাগান যুগে যুগে মানুষকে আনন্দ দিয়েছে। আধুনিকায়নের এই যুগে হারিয়ে যেতে বসেছে সেই ঐতিহ্যবাহী যাত্রা বা যাত্রাগান। বর্তমান প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি পৌঁছে দিতে দীর্ঘদিন পর হলেও গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো যাত্রাপালা উৎসব।
মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এ উৎসবের আয়োজন করে। গত বৃহস্পতিবার রাতে শহরের লেকপাড়ের মুক্তমঞ্চ রক্তকবরীতে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি শাহিদা সুলতানা। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খানসহ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
যাত্রাপালায় সদর উপজেলার সাতপাড় ইউনিয়নের অরণ্য অপেরার যাত্রা শিল্পীরা অভিনয়ের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত কাহিনি, পাক হানাদারদের নির্যাতনসহ বিভিন্ন বিষয় ফুটিয়ে তোলেন।
যাত্রা দেখতে আসা রাকিবুল ইসলাম বলেন, বাপ-দাদাদের মুখে শুনেছেন তাঁরা না কি সারা রাত ধরে গ্রামের মানুষ একসঙ্গে মিলে যাত্রা দেখতে যেত। শুধু তাঁদের মুখে শুনেছেন, কখনো দেখতে পারেননি। এখন কোথাও যাত্রাপালা হতে দেখা যায় না। এখানে যাত্রাপালা হবে শুনে বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে যাত্রাপালা দেখতে এসেছেন।
অরণ্য অপেরার স্বত্বাধিকারী ও যাত্রাশিল্পী কল্যালী বাকচী বলেন, কালক্রমে এখন যাত্রাপালা হারিয়ে যাচ্ছে। এখন আর তেমন একটা যাত্রাপালা হয় না। ফলে যাত্রাশিল্পীরা এক রকম বেকার হয়ে পড়ছেন। তবে দীর্ঘদিন পর হলেও যাত্রাপালা করায় তাঁরা খুশি। তাঁরা চান আগের মতো দেশের সব জায়গায় যাত্রাপালার আয়োজন হোক। মেলা, অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন উৎসবে যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত হলে ভালো হবে বলে করেন তিনি।
জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, বাঙালির প্রাণের উৎস স্থলের অনুষ্ঠান যাত্রাপালা। দীর্ঘদিন অবহেলার কারণে সাংস্কৃতিক অঙ্গন থেকে যাত্রাপালা হারিয়ে যাচ্ছিল। এ শিল্পটির পুনর্জাগরণ দরকার বলে মনে করেন তিনি। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা হারিয়ে যেতে বসেছিলেন। যাত্রাপালার চর্চার মাধ্যমে তাঁরা আবার ফিরে আসবেন। সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতায় আমাদের সংস্কৃতি আমরা ধরে রাখতে পারব বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫