
একসময় সজলের পরিচয় ছিল রোমান্টিক বয় হিসেবে। এভাবেই তাঁকে পর্দায় দেখে অভ্যস্ত ছিল দর্শক। কয়েক বছর ধরে সজল চেষ্টা করছেন নিজেকে ভেঙে গড়ার। দামি জিনস-প্যান্ট-সানগ্লাস, ঝকঝকে ড্রয়িংরুমের আবহ থেকে নিজের চরিত্রকে টেনে বের করে এনেছেন নানান চ্যালেঞ্জে।
শহুরে ভিক্ষুক, মহিষের গাড়িয়াল, মধ্যবিত্ত মুক্তিযোদ্ধা, সুবোধ স্কুলটিচার—সজল নিজেকে নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করেছেন অনেকভাবে। গত বছর তিনি প্রশংসিত হন ওয়েব ফিল্ম ‘ব্যাচ ২০০৩’-এ অভিনয় করে। এটি ছিল সজল অভিনীত প্রথম ওয়েব কনটেন্ট। প্রথম ছবির সাফল্যের পর আবারও ওয়েব ফিল্মে মুখ দেখাতে যাচ্ছেন সজল। অভিনয় করছেন ওয়েব ফিল্ম ‘দোলাচল’-এ।
কয়েক দিন আগে ছবিটির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন সজল। তবে কাজ শেষ হয়নি এখনো। শুটিং আরও বাকি আছে। দোলাচল-এ সজলের সঙ্গী হয়েছেন কাজী নওশাবা আহমেদ ও অপর্ণা ঘোষ। ছবিটি বানাচ্ছেন আরিফ খান।
গত ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসার পর অভিনয় অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছিলেন অপর্ণা ঘোষ। দোলাচল দিয়ে বড় আয়োজনের কোনো কাজে ফেরা হচ্ছে তাঁর। আর নওশাবা তো নাটক-সিনেমা-ওয়েব কনটেন্ট সব মাধ্যমেই কাজ করে যাচ্ছেন সমানতালে। এই তিনজনের কেমিস্ট্রি গল্পে নতুন মাত্রা যোগ করবে, আশা নির্মাতার।
কী নিয়ে দোলাচল-এর গল্প? খানিকটা জানা গেল নওশাবার মুখ থেকে, ‘গল্পের ধরনটা নাম শুনে কিছুটা বোঝা যাচ্ছে। এটা সম্পর্কের গল্প। এ ছবির প্রতিটি চরিত্র দোলাচলে থাকে সবকিছু নিয়ে। সম্পর্ক নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো অবস্থানে পৌঁছতে পারে না। এই সময়ে এসে বাস্তব জীবনেও এই সংকটে প্রায় প্রত্যেকে ভুগছে।’
দোলাচল-এর শুটিং হয়েছে রাজধানীর মিরপুরে। সজল, নওশাবা, অপর্ণা ছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে শম্পা রেজাকে। ওয়েব ফিল্মটি মুক্তি পাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বিঞ্জ-এ।

একসময় সজলের পরিচয় ছিল রোমান্টিক বয় হিসেবে। এভাবেই তাঁকে পর্দায় দেখে অভ্যস্ত ছিল দর্শক। কয়েক বছর ধরে সজল চেষ্টা করছেন নিজেকে ভেঙে গড়ার। দামি জিনস-প্যান্ট-সানগ্লাস, ঝকঝকে ড্রয়িংরুমের আবহ থেকে নিজের চরিত্রকে টেনে বের করে এনেছেন নানান চ্যালেঞ্জে।
শহুরে ভিক্ষুক, মহিষের গাড়িয়াল, মধ্যবিত্ত মুক্তিযোদ্ধা, সুবোধ স্কুলটিচার—সজল নিজেকে নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করেছেন অনেকভাবে। গত বছর তিনি প্রশংসিত হন ওয়েব ফিল্ম ‘ব্যাচ ২০০৩’-এ অভিনয় করে। এটি ছিল সজল অভিনীত প্রথম ওয়েব কনটেন্ট। প্রথম ছবির সাফল্যের পর আবারও ওয়েব ফিল্মে মুখ দেখাতে যাচ্ছেন সজল। অভিনয় করছেন ওয়েব ফিল্ম ‘দোলাচল’-এ।
কয়েক দিন আগে ছবিটির শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন সজল। তবে কাজ শেষ হয়নি এখনো। শুটিং আরও বাকি আছে। দোলাচল-এ সজলের সঙ্গী হয়েছেন কাজী নওশাবা আহমেদ ও অপর্ণা ঘোষ। ছবিটি বানাচ্ছেন আরিফ খান।
গত ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসার পর অভিনয় অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছিলেন অপর্ণা ঘোষ। দোলাচল দিয়ে বড় আয়োজনের কোনো কাজে ফেরা হচ্ছে তাঁর। আর নওশাবা তো নাটক-সিনেমা-ওয়েব কনটেন্ট সব মাধ্যমেই কাজ করে যাচ্ছেন সমানতালে। এই তিনজনের কেমিস্ট্রি গল্পে নতুন মাত্রা যোগ করবে, আশা নির্মাতার।
কী নিয়ে দোলাচল-এর গল্প? খানিকটা জানা গেল নওশাবার মুখ থেকে, ‘গল্পের ধরনটা নাম শুনে কিছুটা বোঝা যাচ্ছে। এটা সম্পর্কের গল্প। এ ছবির প্রতিটি চরিত্র দোলাচলে থাকে সবকিছু নিয়ে। সম্পর্ক নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো অবস্থানে পৌঁছতে পারে না। এই সময়ে এসে বাস্তব জীবনেও এই সংকটে প্রায় প্রত্যেকে ভুগছে।’
দোলাচল-এর শুটিং হয়েছে রাজধানীর মিরপুরে। সজল, নওশাবা, অপর্ণা ছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে শম্পা রেজাকে। ওয়েব ফিল্মটি মুক্তি পাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বিঞ্জ-এ।

পোশাকশিল্পের ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো সিনেমা। নাম কাট-পিস। বানিয়েছেন ইফফাত জাহান মম। সিনেমার কেন্দ্রীয় দুই চরিত্র তাজ ও মালার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিফাত আমিন শুভ ও রাফাহ নানজীবা তোরসা। গত সোমবার এফডিসিতে এক অনুষ্ঠানে ফার্স্ট লুক টিজার প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয় কাট-পিস সিনেমার
৩ ঘণ্টা আগে
একসময় চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করতেন ডলি জহুর। মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে যাঁরা জনপ্রিয়তা পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ডলি জহুর। একাধিকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অনেকটা অভিমান থেকেই ২০১১ সালে সরে আসেন সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি থেকে। নাটকে নিয়মিত অভিনয় করলেও সিনেমা থেকে ছিলেন দূরে। সিনেমায় আর কাজ
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘প্রথম ভোট’। ভোট দানে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে তৈরি হচ্ছে অনুষ্ঠানটি। ফেরদৌসী আহমেদ চৌধুরীর উপস্থাপনায় এবং ইয়াসির আরাফাতের প্রযোজনায় অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার রাত ১০টায়। ১৩ জানুয়ারি
৪ ঘণ্টা আগে
নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘অ্যাডোলেসেন্স’ গত বছর হইচই ফেলে দিয়েছিল বিশ্বজুড়ে। ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলপড়ুয়ার হাতে তার সহপাঠী খুন হওয়ার গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিরিজটি। তবে অ্যাডোলেসেন্সের উদ্দেশ্য ছিল, এই সময়ের কিশোরদের মনস্তত্ত্বের অনুসন্ধান। এই ব্রিটিশ সিরিজ সবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, কত নীরবে কত ভয়ংকর
৪ ঘণ্টা আগে