
গত কোরবানির ঈদে টিভিতে প্রচার হয়েছিল ইমরাউল রাফাত পরিচালিত নাটক ‘বকুল ফুল’। এতে একজন মানসিক রোগীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন সামিরা খান মাহি। নাটকটি গত বৃহস্পতিবার ইউটিউবে প্রকাশের পর আবার আলোচনায় তিনি। প্রশংসিত হচ্ছে মাহির অভিনয় ও লুক। বকুল ফুল নাটকসহ অন্যান্য বিষয়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন শিহাব আহমেদ।
শিহাব আহমেদ

‘বকুল’ ফুল নাটকটি সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশের পর আপনার অভিনয় প্রশংসিত হচ্ছে। কেমন লাগছে?
এই নাটকে আমি বকুল চরিত্রে অভিনয় করেছি, যে মানসিকভাবে অসুস্থ। চরিত্রটা বেশ কঠিন ছিল। কিন্তু আমি নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছি। একজন অভিনেত্রী হিসেবেই নয়, মানুষ হিসেবেও নিজের করণীয় জেনেছি। ইউটিউবে অনেকে ভালো লাগার কথা জানাচ্ছেন, খুব ভালো লাগছে। পরিচালক ইমরাউল রাফাত ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ, তিনি আমার ওপর ভরসা রেখেছেন এবং আমাকে এমন একটা চরিত্রে কাজের সুযোগ দিয়েছেন।
বকুল চরিত্রের জন্য আপনার প্রস্তুতি কেমন ছিল?
রাফাত ভাই যেদিন নাটকের গল্পটা বললেন, শুনেই আমি সম্মতি জানাই। সেদিন থেকেই মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া শুরু। শুটিংয়ের আগে আমি, রাফাত ভাই ও অভিনেতা আরশ খান একটা মানসিক হাসপাতাল ভিজিট করি। সেখানে গিয়ে দেখি বকুলের মতো আরও অনেক মানুষ। হাসপাতাল থেকে ফিরে সারা রাত চরিত্রটি নিয়ে ভেবেছি। নাটকে আমার একটি হ্যান্ড মুভমেন্ট ছিল। পুরো নাটকে আমি হাত দিয়ে কানের পাশে চুলকাচ্ছি। এটা ওখানকার একজনকে দেখে শেখা। ভালোবাসার কথা বলে দৌড়ে চলে যাওয়াটাও ওখান থেকে শেখা। একজন খুব ভালো গান গায়। কিন্তু আমাদের সামনে গাইতে বলায় লজ্জা পেয়ে দৌড় দেয়। সেটা আমি নাটকে ক্যারি করার চেষ্টা করেছি। এভাবেই ছোট ছোট বিষয়গুলো আয়ত্ত করেছি। এ ছাড়া, শুটিংয়ের আগে বকুলের গেটআপ নিতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগত।

অনেকেই বলেন, নাটকে নাকি চরিত্র অনুযায়ী প্রস্তুতির সময় পাওয়া যায় না?
এটা সত্য যে নাটকে চরিত্র অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়ার তেমন সুযোগ পাওয়া যায় না। নাটকের শুটিং অনেক কম সময়ে হয়। লম্বা সময় ধরে ক্যারেক্টার বুঝব, জানব, এরপর সেটা ডেলিভারি করব, সেই সুযোগ নেই বললেই চলে। এই নাটকের শুটিংও কম সময়েই হয়েছে। তবে সাধারণত যে সময় নিয়ে নাটকের শুটিং হয়, তার চেয়ে বেশি। এই যে পুরো একটা দিন হাসপাতালে ভিজিট করলাম, এটা ভীষণ কাজে দিয়েছে। তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। মানুষগুলো কেমন হয়, তাদের লাইফস্টাইল কেমন, তাদের পরিবারগুলো কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যায়। সেখানে না গেলে এসব কেউ বুঝতে পারবে না।

আপনার কেমন লাগল নিজের অভিনয়? কতটা বকুল হতে পারলেন?
বকুল আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে ভিন্ন ধরনের চরিত্র। সারা জীবন মনে রাখার মতো ক্যারেক্টার। আমি আমার শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করেছি। বাকিটা দর্শক বিচার করবে। তবে অনেকের মন্তব্য দেখে ভালো লাগছে। অনেকেই আমার অভিনয়ের প্রশংসা করছেন। অনেকে আমার লুক নিয়ে কথা বলছেন। এত ভালোবাসা দেখে আমার মনে হয়েছে, সিনেমায় যদি এ রকম একটা চরিত্র করতে পারতাম, সেটা আমার জন্য আউটস্ট্যান্ডিং হতো।
এই ধরনের চরিত্রের গল্প নিয়ে নাটক কম হয়। এর কারণ কী বলে মনে করেন?
আমি তো এক্সপেরিমেন্টাল চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। কিন্তু এ ধরনের চরিত্র, বিশেষ করে নারীপ্রধান চরিত্রের গল্প নিয়ে কাজ কম হয়। তাই আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের অভিনয়ের সুযোগ কম। আমার মনে হয়, আরও কিছুটা সময় লাগবে। তাই, বকুল ফুল নাটকে অভিনয় করতে পেরে নিজেকে লাকি মনে হচ্ছে।
এখন তো গল্পভিত্তিক নাটকের ভিউ কম হয়। এ নিয়ে কী বলবেন?
সিরিয়াস গল্পের নাটক মানুষ কম দেখতে চায়; কারণ, এখনকার মানুষ অনেক ডিপ্রেসড। তাই একটু আনন্দের আশায় তারা মজার নাটক দেখতে পছন্দ করে।

আপনি কাজের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন। এর কারণ কী?
আমি নিজেকে সময় দিচ্ছি। মাঝে একটু হেলথ ইস্যু ছিল। তাই কম কাজ করা হয়েছে। তা ছাড়া চেষ্টা করছি একই ধরনের ক্যারেক্টার বারবার না করে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করার। দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে এখন প্রপার স্পনসর পাওয়া যাচ্ছে না। আগে ফেসবুক থেকে আয়ের বড় একটা অংশ উঠে আসত, এখন সেটা কমে গেছে। এসব কারণে অনেকে নাটক রিলিজ করছেন না। এ কারণেও মনে হচ্ছে আমার কাজের সংখ্যা কম।

সম্প্রতি একটি দীর্ঘ ধারাবাহিকে যুক্ত হয়েছেন। এটি নিয়ে কিছু বলুন
ধারাবাহিকটির নাম ‘খুশবু’। নির্মাণ করছেন সাজ্জাদ সুমন। আমি সাধারণত ধারাবাহিকে কাজ করি না। খুশবু নাটকের গল্পটা ভালো লেগেছে বলেই করছি। আমি অভিনয় করছি একজন অভিনেত্রীর চরিত্রে। তবে পুরো ধারাবাহিকে নয়, প্রথম দিকের এপিসোডগুলোয় আমাকে দেখা যাবে।
দুই বছর আগে ‘ওভারট্রাম্প’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। এরপর আর ওটিটিতে দেখা যায়নি আপনাকে।
এখন তো ওটিটির কাজও কম হচ্ছে। প্রথম দুই বছর যে পরিমাণ কাজ হয়েছে, এখন তাও হচ্ছে না। ওভারট্রাম্পের পর কয়েকটি কনটেন্ট নিয়ে কথা হয়েছিল আমার সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত করা হয়নি। তবে, ওটিটির কাজে প্রস্তুতির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যায়। শুটিংয়ের আগে রিহার্সাল হয়। গল্প ও চরিত্র পছন্দ হলে আমি ওটিটিতে কাজ করতে চাই।
‘বকুল’ ফুল নাটকটি সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশের পর আপনার অভিনয় প্রশংসিত হচ্ছে। কেমন লাগছে?
এই নাটকে আমি বকুল চরিত্রে অভিনয় করেছি, যে মানসিকভাবে অসুস্থ। চরিত্রটা বেশ কঠিন ছিল। কিন্তু আমি নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছি। একজন অভিনেত্রী হিসেবেই নয়, মানুষ হিসেবেও নিজের করণীয় জেনেছি। ইউটিউবে অনেকে ভালো লাগার কথা জানাচ্ছেন, খুব ভালো লাগছে। পরিচালক ইমরাউল রাফাত ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ, তিনি আমার ওপর ভরসা রেখেছেন এবং আমাকে এমন একটা চরিত্রে কাজের সুযোগ দিয়েছেন।
বকুল চরিত্রের জন্য আপনার প্রস্তুতি কেমন ছিল?
রাফাত ভাই যেদিন নাটকের গল্পটা বললেন, শুনেই আমি সম্মতি জানাই। সেদিন থেকেই মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া শুরু। শুটিংয়ের আগে আমি, রাফাত ভাই ও অভিনেতা আরশ খান একটা মানসিক হাসপাতাল ভিজিট করি। সেখানে গিয়ে দেখি বকুলের মতো আরও অনেক মানুষ। হাসপাতাল থেকে ফিরে সারা রাত চরিত্রটি নিয়ে ভেবেছি। নাটকে আমার একটি হ্যান্ড মুভমেন্ট ছিল। পুরো নাটকে আমি হাত দিয়ে কানের পাশে চুলকাচ্ছি। এটা ওখানকার একজনকে দেখে শেখা। ভালোবাসার কথা বলে দৌড়ে চলে যাওয়াটাও ওখান থেকে শেখা। একজন খুব ভালো গান গায়। কিন্তু আমাদের সামনে গাইতে বলায় লজ্জা পেয়ে দৌড় দেয়। সেটা আমি নাটকে ক্যারি করার চেষ্টা করেছি। এভাবেই ছোট ছোট বিষয়গুলো আয়ত্ত করেছি। এ ছাড়া, শুটিংয়ের আগে বকুলের গেটআপ নিতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগত।

অনেকেই বলেন, নাটকে নাকি চরিত্র অনুযায়ী প্রস্তুতির সময় পাওয়া যায় না?
এটা সত্য যে নাটকে চরিত্র অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়ার তেমন সুযোগ পাওয়া যায় না। নাটকের শুটিং অনেক কম সময়ে হয়। লম্বা সময় ধরে ক্যারেক্টার বুঝব, জানব, এরপর সেটা ডেলিভারি করব, সেই সুযোগ নেই বললেই চলে। এই নাটকের শুটিংও কম সময়েই হয়েছে। তবে সাধারণত যে সময় নিয়ে নাটকের শুটিং হয়, তার চেয়ে বেশি। এই যে পুরো একটা দিন হাসপাতালে ভিজিট করলাম, এটা ভীষণ কাজে দিয়েছে। তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। মানুষগুলো কেমন হয়, তাদের লাইফস্টাইল কেমন, তাদের পরিবারগুলো কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যায়। সেখানে না গেলে এসব কেউ বুঝতে পারবে না।

আপনার কেমন লাগল নিজের অভিনয়? কতটা বকুল হতে পারলেন?
বকুল আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে ভিন্ন ধরনের চরিত্র। সারা জীবন মনে রাখার মতো ক্যারেক্টার। আমি আমার শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করেছি। বাকিটা দর্শক বিচার করবে। তবে অনেকের মন্তব্য দেখে ভালো লাগছে। অনেকেই আমার অভিনয়ের প্রশংসা করছেন। অনেকে আমার লুক নিয়ে কথা বলছেন। এত ভালোবাসা দেখে আমার মনে হয়েছে, সিনেমায় যদি এ রকম একটা চরিত্র করতে পারতাম, সেটা আমার জন্য আউটস্ট্যান্ডিং হতো।
এই ধরনের চরিত্রের গল্প নিয়ে নাটক কম হয়। এর কারণ কী বলে মনে করেন?
আমি তো এক্সপেরিমেন্টাল চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। কিন্তু এ ধরনের চরিত্র, বিশেষ করে নারীপ্রধান চরিত্রের গল্প নিয়ে কাজ কম হয়। তাই আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের অভিনয়ের সুযোগ কম। আমার মনে হয়, আরও কিছুটা সময় লাগবে। তাই, বকুল ফুল নাটকে অভিনয় করতে পেরে নিজেকে লাকি মনে হচ্ছে।
এখন তো গল্পভিত্তিক নাটকের ভিউ কম হয়। এ নিয়ে কী বলবেন?
সিরিয়াস গল্পের নাটক মানুষ কম দেখতে চায়; কারণ, এখনকার মানুষ অনেক ডিপ্রেসড। তাই একটু আনন্দের আশায় তারা মজার নাটক দেখতে পছন্দ করে।

আপনি কাজের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন। এর কারণ কী?
আমি নিজেকে সময় দিচ্ছি। মাঝে একটু হেলথ ইস্যু ছিল। তাই কম কাজ করা হয়েছে। তা ছাড়া চেষ্টা করছি একই ধরনের ক্যারেক্টার বারবার না করে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করার। দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে এখন প্রপার স্পনসর পাওয়া যাচ্ছে না। আগে ফেসবুক থেকে আয়ের বড় একটা অংশ উঠে আসত, এখন সেটা কমে গেছে। এসব কারণে অনেকে নাটক রিলিজ করছেন না। এ কারণেও মনে হচ্ছে আমার কাজের সংখ্যা কম।

সম্প্রতি একটি দীর্ঘ ধারাবাহিকে যুক্ত হয়েছেন। এটি নিয়ে কিছু বলুন
ধারাবাহিকটির নাম ‘খুশবু’। নির্মাণ করছেন সাজ্জাদ সুমন। আমি সাধারণত ধারাবাহিকে কাজ করি না। খুশবু নাটকের গল্পটা ভালো লেগেছে বলেই করছি। আমি অভিনয় করছি একজন অভিনেত্রীর চরিত্রে। তবে পুরো ধারাবাহিকে নয়, প্রথম দিকের এপিসোডগুলোয় আমাকে দেখা যাবে।
দুই বছর আগে ‘ওভারট্রাম্প’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। এরপর আর ওটিটিতে দেখা যায়নি আপনাকে।
এখন তো ওটিটির কাজও কম হচ্ছে। প্রথম দুই বছর যে পরিমাণ কাজ হয়েছে, এখন তাও হচ্ছে না। ওভারট্রাম্পের পর কয়েকটি কনটেন্ট নিয়ে কথা হয়েছিল আমার সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত করা হয়নি। তবে, ওটিটির কাজে প্রস্তুতির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যায়। শুটিংয়ের আগে রিহার্সাল হয়। গল্প ও চরিত্র পছন্দ হলে আমি ওটিটিতে কাজ করতে চাই।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১৬ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১৬ ঘণ্টা আগে