অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের সেন্ট লুসিয়ায় অবস্থিত স্বনামধন্য আইরনসাইড স্টেট স্কুলের স্কুল কাউন্সিলের প্যারেন্ট মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক মো. রাবিউল আলম। তিনি বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডে (ইউকিউ) টিইএসওএল ও অ্যাপ্লায়েড লিঙ্গুইস্টিকস বিষয়ে পিএইচডি করছেন।
বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ভাষিক পটভূমির প্রায় ৮৭৫ জন শিক্ষার্থী বর্তমানে আইরনসাইড স্টেট স্কুলে পড়াশোনা করছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্কুল কাউন্সিল নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রাবিউল আলম সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর কাউন্সিল সদস্যদের সম্মতিতে তিনি ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য স্কুল কাউন্সিলের সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পান।
স্কুল কাউন্সিল বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ গভর্ন্যান্স বডি হিসেবে কৌশলগত দিকনির্দেশনা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় ভূমিকা রাখে। ফলে এই কাউন্সিলে একজন বাংলাদেশি গবেষকের নির্বাচিত হওয়া বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশিদের ইতিবাচক অংশগ্রহণ, আস্থা অর্জন এবং নেতৃত্বের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
পিএইচডি গবেষণার পাশাপাশি রাবিউল আলম অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষা, স্বেচ্ছাসেবা ও কমিউনিটি কার্যক্রমে যুক্ত। তিনি আইরনসাইড স্টেট স্কুলে তাঁর সন্তানের ক্লাসের প্যারেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন কমিউনিটি উদ্যোগে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
নিজের নির্বাচিত হওয়া প্রসঙ্গে রাবিউল আলম বলেন, ‘যেসব অভিভাবক ও কমিউনিটি সদস্য আমাকে ভোট দিয়ে আস্থা রেখেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং বৃহত্তর আইরনসাইড স্টেট স্কুল কমিউনিটির প্রতি। এই অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি গবেষক ও পেশাজীবীদের ইতিবাচক অবদানেরও প্রতিফলন।’

একবিংশ শতাব্দীর বিশ্বে একটি দেশের অগ্রগতি শুধু অর্থনীতি কিংবা অবকাঠামোর ওপর নয়; নির্ভর করে তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণার সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রতিষ্ঠার সামর্থ্যের ওপর। সেই সক্ষমতারই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির...
১৬ মিনিট আগে
জুনের সেন্ট পিটার্সবার্গে রাত নামে না। ঘড়িতে রাত ১১টা, অথচ আকাশে তখনো গোধূলির আলো। নেভা নদীর জলে ছড়িয়ে পড়ে সোনালি আভা। মানুষের কোলাহল থামে না, শহর জেগে থাকে এক অনন্য আলোয়। এই ‘সাদা রাতের’ শহরেই বসেছিল ২০২৬ সালের সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক ফোরাম (এসপিআইইএফ)।
১ ঘণ্টা আগে
বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখেন দেশের লাখো শিক্ষার্থী। তবে সঠিক তথ্যের অভাব, উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, আবেদন প্রক্রিয়া ও বৃত্তি পাওয়ার জটিলতায় অনেকে পথ হারিয়ে ফেলেন। শিক্ষার্থীদের এই ভোগান্তি কমাতে নতুন রূপ ও আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে...
২ ঘণ্টা আগে
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করার সময় একটি শক্তিশালী স্টেটমেন্ট অব পারপাস (এসওপি) শিক্ষার্থীর সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভালো ফল ও পরীক্ষার স্কোর গুরুত্বপূর্ণ হলেও বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এমন শিক্ষার্থী খোঁজে, যাঁরা নিজেদের লক্ষ্য, অভিজ্ঞতা এবং নির্দিষ্ট কোর্স বেছে...
৩ ঘণ্টা আগে