ক্যাম্পাস ডেস্ক

আরও একদল তরুণ শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার যাত্রা শুরু হলো ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাসে। নতুন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে রাজধানীর বনানীর ইউসিএসআই ক্যাম্পাস। সম্প্রতি জানুয়ারি-২০২৬ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান হয়। এতে নতুন শিক্ষার্থী, তাঁদের অভিভাবক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা অংশ নেন।
বিশ্বখ্যাত মালয়েশিয়ান ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ কুশাইরি বিন মুহাম্মদ রাজুদ্দিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে নবীন শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করানো হয়।
নতুন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক শাহ সামিউর রশিদ। সমাপনী বক্তব্য দেন ফ্যাকাল্টি অব কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ডিজিটাল ইনোভেশনের ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আখতার হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দুই সিনিয়র শিক্ষার্থী শশী হোসেন ও আহনাফ ফতেহ হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ কুশাইরি বলেন, ‘ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে তোমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছ। এটি বিশ্বের শীর্ষ ৩০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এবং এশিয়ায় নবম অবস্থানে রয়েছে। একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের, পরিবারের পাশাপাশি দেশ ও জাতির প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’ তিনি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মমুখী ও শিল্পসংশ্লিষ্ট কারিকুলামের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান।

ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আখতার হোসেন বলেন, ‘তোমাদের স্বপ্নপূরণের যাত্রা শুরু হলো এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে, যা শুধু মালয়েশিয়াতেই নয়, বিশ্বব্যাপী একটি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান। ২০২৯ সালের মধ্যে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ একটি আধুনিক ও সুপরিসর সিটি ক্যাম্পাস স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।’
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক শাহ সামিউর রশিদ বলেন, ‘বিশ্বের একটি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তোমাদের উচ্চশিক্ষা জীবন শুরু হলো। এই পথচলা যেমন চ্যালেঞ্জের, তেমনি সম্ভাবনাময়। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।’
অনুষ্ঠানের পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি, কারিকুলাম ও কোর্স-কাঠামো, পাঠদান পদ্ধতি, পরীক্ষাব্যবস্থা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। ব্রিফিং শেষে নবীন শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন এবং ক্লাসরুম, সেমিনার কক্ষ, বিভিন্ন ল্যাব, লাইব্রেরি ও স্পোর্টস জোন ঘুরে দেখেন।

আরও একদল তরুণ শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার যাত্রা শুরু হলো ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাসে। নতুন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে রাজধানীর বনানীর ইউসিএসআই ক্যাম্পাস। সম্প্রতি জানুয়ারি-২০২৬ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান হয়। এতে নতুন শিক্ষার্থী, তাঁদের অভিভাবক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা অংশ নেন।
বিশ্বখ্যাত মালয়েশিয়ান ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ কুশাইরি বিন মুহাম্মদ রাজুদ্দিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে নবীন শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করানো হয়।
নতুন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক শাহ সামিউর রশিদ। সমাপনী বক্তব্য দেন ফ্যাকাল্টি অব কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ডিজিটাল ইনোভেশনের ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আখতার হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দুই সিনিয়র শিক্ষার্থী শশী হোসেন ও আহনাফ ফতেহ হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ কুশাইরি বলেন, ‘ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে তোমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছ। এটি বিশ্বের শীর্ষ ৩০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এবং এশিয়ায় নবম অবস্থানে রয়েছে। একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের, পরিবারের পাশাপাশি দেশ ও জাতির প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’ তিনি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মমুখী ও শিল্পসংশ্লিষ্ট কারিকুলামের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানান।

ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আখতার হোসেন বলেন, ‘তোমাদের স্বপ্নপূরণের যাত্রা শুরু হলো এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে, যা শুধু মালয়েশিয়াতেই নয়, বিশ্বব্যাপী একটি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান। ২০২৯ সালের মধ্যে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ একটি আধুনিক ও সুপরিসর সিটি ক্যাম্পাস স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।’
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক শাহ সামিউর রশিদ বলেন, ‘বিশ্বের একটি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তোমাদের উচ্চশিক্ষা জীবন শুরু হলো। এই পথচলা যেমন চ্যালেঞ্জের, তেমনি সম্ভাবনাময়। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।’
অনুষ্ঠানের পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি, কারিকুলাম ও কোর্স-কাঠামো, পাঠদান পদ্ধতি, পরীক্ষাব্যবস্থা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। ব্রিফিং শেষে নবীন শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন এবং ক্লাসরুম, সেমিনার কক্ষ, বিভিন্ন ল্যাব, লাইব্রেরি ও স্পোর্টস জোন ঘুরে দেখেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ডি-ইউনিটের (সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ) স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সানজিদা ফারহানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও ইনস্টিটিউটগুলোতে প্রযুক্তি ইউনিটের অধীনে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষা গ্রহণের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
স্কাউট আন্দোলনের মাধ্যমে মানবকল্যাণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘নম্বর টু দ্য ন্যাশনাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রোভার-এর সাবেক সিনিয়র রোভারমেট ও যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রতিবছর দেশের লক্ষাধিক শিক্ষার্থী মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির স্বপ্ন নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন। এবারও সরকারি ও বেসরকারি এমবিবিএস-বিডিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। পাসের হার ৬৬.৫৭ শতাংশ।
৯ ঘণ্টা আগে