দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত জলসীমায় চীনা জাহাজে বিষাক্ত সায়ানাইড পাওয়ার দাবি করেছে ফিলিপাইন। এই ঘটনাটি ইতিমধ্যে অস্থিতিশীল এই অঞ্চলে নতুন করে ভূরাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে।
ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষের মতে, ‘সেকেন্ড থমাস শোল’ (ফিলিপাইনে যা আইয়ুনগিন শোল নামে পরিচিত) এলাকায় নৌ অভিযানের সময় জব্দ করা উপকরণগুলো ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে সায়ানাইডের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফিলিপাইনের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতে, এটি কেবল পরিবেশগত নিয়ম লঙ্ঘন নয়, বরং একটি ‘স্যাবোটাজ’ বা নাশকতামূলক কাজ। সায়ানাইড ব্যবহারের ফলে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের বিনাশ হতে পারে। এটি মাছের মজুত ধ্বংস করে এবং প্রবাল প্রাচীরের কাঠামো দুর্বল করে দেয়।
ওই প্রবাল প্রাচীরের ওপর ফিলিপাইনের একটি নৌ-জাহাজ অবস্থান করছে, যা ওই অঞ্চলে ম্যানিলার আঞ্চলিক দাবির প্রধান ভিত্তি। সায়ানাইডের মাধ্যমে প্রাচীরটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফিলিপাইনের কৌশলগত অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে।
এই অভিযোগটি এমন এক সময়ে এল যখন ওই অঞ্চলে বারবার দুই দেশের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটছে। ২০২৪ সালে এক সহিংস ঘটনায় ফিলিপাইনের একজন নাবিক আহত হয়েছিলেন। ফিলিপাইন বারবার অভিযোগ করেছে, চীন তাদের রসদ সরবরাহে বাধা দিচ্ছে। অন্যদিকে চীন এই দাবি অস্বীকার করে ফিলিপাইনকেই তাদের জলসীমা লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করে আসছে।
দক্ষিণ চীন সাগর বিশ্বের অন্যতম বিতর্কিত অঞ্চল। চীন প্রায় পুরো জলপথটি নিজের বলে দাবি করে, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ২০১৬ সালে একটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল চীনের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করলেও বেইজিং তা মানতে নারাজ। প্রতি বছর এই পথ দিয়ে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি বিশ্ব বাণিজ্য পরিচালিত হয়, ফলে এখানকার উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সায়ানাইড আবিষ্কারের ঘটনাটি সমুদ্রের বিরোধে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখন কেবল নৌ মহড়া বা আইনি লড়াই নয়, বরং পরোক্ষ কৌশলে পরিবেশ ও অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। যদি সায়ানাইড ব্যবহারের বিষয়টি প্রমাণিত হয়, তবে এটি বেইজিং ও ম্যানিলার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও তলানিতে নিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক মহলে চীনের পরিবেশগত কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করবে।
এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে সমুদ্রের নিয়ন্ত্রণ কেবল সামরিক উপস্থিতির বিষয় নয়, বরং এটি সেই বাস্তুতন্ত্রকেও রক্ষা বা ধ্বংস করার লড়াই, যা এই অঞ্চলের জীবনরেখা হিসেবে কাজ করে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৭ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
৯ ঘণ্টা আগে