নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী রোববার আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার বেঞ্চ শুনানি শেষে আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
শুনানিতে শিশির মনির বলেন, স্বাধীন তদন্ত কমিশন পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত–পাকিস্তানসহ অনেক উন্নত দেশেই রয়েছে। স্বচ্ছতা–জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্যই কমিশন গঠন করা দরকার। তিনি বলেন, ২০০৭ সালে ‘পুলিশ অধ্যাদেশ’ নামে একটি আইনের খসড়া তৈরি করা হয়। প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের ৭১ দফায় ‘পুলিশ কমপ্লেইন্ট কমিশন’ গঠনের বিধান প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু সেই খসড়া অধ্যাদেশ আজও আইনে পরিণত হয়নি। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ২৭টি অঙ্গরাজ্যে এই রকম কমিশন গঠন করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, মো. আসাদ উদ্দিন, ফয়েজ উদ্দিন আহমেদসহ ১০২ জন রিটটি করেন। আবেদনে পুলিশ কমপ্লেইন্ট ইনভেস্টিগেশন কমিশন (পিসিআইসি) গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিটে দৃষ্টান্ত হিসেবে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা ছয়টি মামলার অনুলিপি সংযুক্ত করা হয়। সেসব মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা আপসের মাধ্যমে অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন। আবেদনে বলা হয়, তদন্ত হলো বিচারের প্রাথমিক ধাপ। ন্যায়বিচারের জন্য প্রধান শর্ত হলো সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত। সুষ্ঠু তদন্ত সংবিধানের ৩৫ (৩) এবং ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির মৌলিক অধিকার। বর্তমান আইনি কাঠামোতে পুলিশের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তদন্তভার পুলিশের ওপরই ন্যস্ত। ফলে তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী রোববার আদেশ দেবেন হাইকোর্ট। গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার বেঞ্চ শুনানি শেষে আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
শুনানিতে শিশির মনির বলেন, স্বাধীন তদন্ত কমিশন পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত–পাকিস্তানসহ অনেক উন্নত দেশেই রয়েছে। স্বচ্ছতা–জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্যই কমিশন গঠন করা দরকার। তিনি বলেন, ২০০৭ সালে ‘পুলিশ অধ্যাদেশ’ নামে একটি আইনের খসড়া তৈরি করা হয়। প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের ৭১ দফায় ‘পুলিশ কমপ্লেইন্ট কমিশন’ গঠনের বিধান প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু সেই খসড়া অধ্যাদেশ আজও আইনে পরিণত হয়নি। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ২৭টি অঙ্গরাজ্যে এই রকম কমিশন গঠন করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, মো. আসাদ উদ্দিন, ফয়েজ উদ্দিন আহমেদসহ ১০২ জন রিটটি করেন। আবেদনে পুলিশ কমপ্লেইন্ট ইনভেস্টিগেশন কমিশন (পিসিআইসি) গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিটে দৃষ্টান্ত হিসেবে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা ছয়টি মামলার অনুলিপি সংযুক্ত করা হয়। সেসব মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা আপসের মাধ্যমে অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন। আবেদনে বলা হয়, তদন্ত হলো বিচারের প্রাথমিক ধাপ। ন্যায়বিচারের জন্য প্রধান শর্ত হলো সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত। সুষ্ঠু তদন্ত সংবিধানের ৩৫ (৩) এবং ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির মৌলিক অধিকার। বর্তমান আইনি কাঠামোতে পুলিশের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তদন্তভার পুলিশের ওপরই ন্যস্ত। ফলে তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে