
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের একজন ভাগ্যবান লটারি বিজয়ী পাওয়ারবলে ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার জিতে রাতারাতি বিলিয়নিয়ার বনে গেছেন। তিনি এখন মার্কিন পপ তারকা টেলর সুইফটের চেয়েও ধনী!
গত সপ্তাহে প্রকাশিত ফোর্বসের বিলিয়নিয়ার তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন টেলর সুইফট। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১১০ কোটি ডলার। শুধু গান গেয়ে বিলিয়নিয়ার হওয়ার একমাত্র রেকর্ডটিও এখন সুইফটের ঝুলিতে।
তবে ফোর্বসের পরবর্তী তালিকায় ওরেগন অঙ্গরাজ্যের পোর্টল্যান্ডের ওই লটারি বিজয়ী টেলর সুইফটের সেই মুকুট ছিনিয়ে নিতে পারেন।
গত শনিবার (৬ এপ্রিল) ড্রয়ের ফল প্রকাশের দুই দিন পর ভাগ্যবান বিজয়ী তাঁর পুরস্কার দাবি করেন। লটারির পরিচালক মাইক ওয়েলস বলেন, এটি ওরেগন লটারির জন্য একটি অভূতপূর্ব জ্যাকপট জয়। পুরস্কারের অর্থ হস্তান্তরের আগে বিজয়ীকে যাচাই করার জন্য আমরা সমস্ত সতর্কতা অবলম্বন করছি।
লটারির নগদ পুরস্কারের ওপর ফেডারেল ট্যাক্স রয়েছে। এর পরও যে পরিমাণ টাকা ওই বিজয়ী হাতে পাবেন, তা তাঁর জীবন সম্পূর্ণরূপে বদলে দিতে পারে।
সংবাদমাধ্যম এবিসি ৭ শিকাগোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুরুতে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে ড্র বিলম্বিত হয়েছিল। পরে সেদিনই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। গত সোমবার পর্যন্ত বিজয়ীদের টিকিট প্রদর্শনের সুযোগ ছিল। বর্তমানে সবার দাবি যাচাই করা হচ্ছে। বাকিদের নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি। দ্বিতীয় বিজয়ী ১ লাখ ডলার পাবেন।
লটারির আয়োজক প্লেইড প্যান্ট্রির প্রেসিডেন্ট ও সিইও জোনাথন পোলনস্কি বলেছেন, ‘ওরেগনে প্লেইড প্যান্ট্রির ১০৪টি স্টোরের মধ্যে একটি থেকে ১৩০ কোটি বিলিয়ন ডলারের পাওয়ারবল টিকিট বিক্রি হয়েছে এটি জেনে আমরা রোমাঞ্চিত।’
তিনি বলেন, ‘যে স্টোর থেকে টিকিটটি বিক্রি হয়েছে, সেটি আমাদের সবচেয়ে নতুন এবং সবচেয়ে প্রিয় স্টোরগুলো একটি। ওরেগন লটারি থেকে আয় অঙ্গরাজ্যের সবাইকে উপকৃত করে। আমরা শুরু থেকেই ওরেগন লটারির গর্বিত অংশীদার। ভাগ্যবান বিজয়ীকে অভিনন্দন।’

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের একজন ভাগ্যবান লটারি বিজয়ী পাওয়ারবলে ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার জিতে রাতারাতি বিলিয়নিয়ার বনে গেছেন। তিনি এখন মার্কিন পপ তারকা টেলর সুইফটের চেয়েও ধনী!
গত সপ্তাহে প্রকাশিত ফোর্বসের বিলিয়নিয়ার তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন টেলর সুইফট। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১১০ কোটি ডলার। শুধু গান গেয়ে বিলিয়নিয়ার হওয়ার একমাত্র রেকর্ডটিও এখন সুইফটের ঝুলিতে।
তবে ফোর্বসের পরবর্তী তালিকায় ওরেগন অঙ্গরাজ্যের পোর্টল্যান্ডের ওই লটারি বিজয়ী টেলর সুইফটের সেই মুকুট ছিনিয়ে নিতে পারেন।
গত শনিবার (৬ এপ্রিল) ড্রয়ের ফল প্রকাশের দুই দিন পর ভাগ্যবান বিজয়ী তাঁর পুরস্কার দাবি করেন। লটারির পরিচালক মাইক ওয়েলস বলেন, এটি ওরেগন লটারির জন্য একটি অভূতপূর্ব জ্যাকপট জয়। পুরস্কারের অর্থ হস্তান্তরের আগে বিজয়ীকে যাচাই করার জন্য আমরা সমস্ত সতর্কতা অবলম্বন করছি।
লটারির নগদ পুরস্কারের ওপর ফেডারেল ট্যাক্স রয়েছে। এর পরও যে পরিমাণ টাকা ওই বিজয়ী হাতে পাবেন, তা তাঁর জীবন সম্পূর্ণরূপে বদলে দিতে পারে।
সংবাদমাধ্যম এবিসি ৭ শিকাগোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুরুতে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে ড্র বিলম্বিত হয়েছিল। পরে সেদিনই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। গত সোমবার পর্যন্ত বিজয়ীদের টিকিট প্রদর্শনের সুযোগ ছিল। বর্তমানে সবার দাবি যাচাই করা হচ্ছে। বাকিদের নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি। দ্বিতীয় বিজয়ী ১ লাখ ডলার পাবেন।
লটারির আয়োজক প্লেইড প্যান্ট্রির প্রেসিডেন্ট ও সিইও জোনাথন পোলনস্কি বলেছেন, ‘ওরেগনে প্লেইড প্যান্ট্রির ১০৪টি স্টোরের মধ্যে একটি থেকে ১৩০ কোটি বিলিয়ন ডলারের পাওয়ারবল টিকিট বিক্রি হয়েছে এটি জেনে আমরা রোমাঞ্চিত।’
তিনি বলেন, ‘যে স্টোর থেকে টিকিটটি বিক্রি হয়েছে, সেটি আমাদের সবচেয়ে নতুন এবং সবচেয়ে প্রিয় স্টোরগুলো একটি। ওরেগন লটারি থেকে আয় অঙ্গরাজ্যের সবাইকে উপকৃত করে। আমরা শুরু থেকেই ওরেগন লটারির গর্বিত অংশীদার। ভাগ্যবান বিজয়ীকে অভিনন্দন।’

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
২০ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
২০ ঘণ্টা আগে