
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই–অরেঞ্জে পণ্য কিনতে গিয়ে ৫১ জন গ্রাহকের ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৭৫ হাজার ৯৯৩ টাকার পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে আছে। ওই টাকা ফেরত চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
ই-কমার্স কাস্টমারস অ্যাসোসিয়েশন এবং ই-অরেঞ্জের ৫১ গ্রাহকের পক্ষে আজ শনিবার এ নোটিশ পাঠান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব।
বাণিজ্য সচিব, অর্থ সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যংকের গর্ভনর, নগদ, বিকাশ, এসএসএল কমার্জ পেমেন্ট গেটওয়েসহ ১২ জনকে এই নোটিশ দেওয়া হয়। আগামী তিন দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব না দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রাহকদের টাকা ফেরত, দুদকের মাধ্যমে ই–অরেঞ্জ কর্তৃক পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ নিরুপণ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটিও নোটিশে জানাতে বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, ‘ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে পরিশোধিত অর্থ ফেরত প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। গত কয়েক বছরে সরকারের কার্যকর নজরদারির অভাবে ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। নোটিশের প্রাপকেরা কোনোভাবেই এর দায় এড়াতে পারেন না।’

নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ লঙ্ঘনের দায়ে গত এক সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাতটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সাতটি মামলা করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারত সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে কড়াকড়ি ও নানা শর্তারোপের প্রভাবে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে ভাটা পড়েছে। এতে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় কমেছে, অন্যদিকে স্থলবন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও
৪ ঘণ্টা আগে
গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ও স্থলভাগে গ্যাস সংরক্ষণাগার নির্মাণের পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এসব বিষয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিস্তারিত ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
৬ হাজার মাইক্রো ইকোনমিক জোন শুধু একটি প্রকল্প নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম। এর মূল লক্ষ্য স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা যতটা সম্ভব স্থানীয়ভাবে উৎপাদন ও সরবরাহ করা। এতে আমদানিনির্ভরতা কমার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে...
৮ ঘণ্টা আগে