নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবিমার আওতায় আনতে চায় বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। এ লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা’ প্রকল্প।
প্রতিটি জেলার সব শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা প্রকল্পের আওতায় আনতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। ৪ মার্চ আইডিআরএ চেয়ারম্যান চিঠিতে সই করেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২১ সালের ১ মার্চ বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা পরিকল্প উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আইডিআরএর তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা পরিকল্প জীবন বীমা করপোরেশনের মাধ্যমে প্রথমে দুই বছরের জন্য সীমিত পরিসরে পাইলটিং করা হয়। ২০২৩ সালে এটি সব জীবনবিমা কোম্পানির মাধ্যমে বাজারজাতকরণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ফলে গত বছরে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী এ বিমা পরিকল্পের আওতায় এসেছে। চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত সব স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের এ বিমার আওতায় আনা হয়েছে, যার সংখ্যা প্রায় ২ লাখ।
বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা পরিকল্পটির উদ্দেশ্য দেশের শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ করা। এ বিমার আওতায় ৩ থেকে ১৭ বছরের কোনো শিক্ষার্থীর পিতা-মাতা বা আইনগত অভিভাবক এই বিমা সুবিধার আওতায় আসতে পারেন।
বছরে মাত্র ৮৫ টাকা প্রিমিয়াম পরিশোধের মাধ্যমে এ বিমার আওতায় আসার পর কোনো শিক্ষার্থীর অভিভাবকের শারীরিক অক্ষমতা বা মৃত্যুতে শিক্ষার্থীর বয়স ১৭ বছর হওয়া পর্যন্ত মাসিক ৫০০ টাকা হারে বৃত্তি পাবে, যা শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চলমান রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। বার্ষিক প্রিমিয়াম আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি করে বর্ধিত বিমাসুবিধা (মাসিক বৃত্তি) পাওয়া যাবে।

সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবিমার আওতায় আনতে চায় বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। এ লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা’ প্রকল্প।
প্রতিটি জেলার সব শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা প্রকল্পের আওতায় আনতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকদের চিঠি দিয়েছে বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। ৪ মার্চ আইডিআরএ চেয়ারম্যান চিঠিতে সই করেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২১ সালের ১ মার্চ বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা পরিকল্প উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আইডিআরএর তত্ত্বাবধানে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা পরিকল্প জীবন বীমা করপোরেশনের মাধ্যমে প্রথমে দুই বছরের জন্য সীমিত পরিসরে পাইলটিং করা হয়। ২০২৩ সালে এটি সব জীবনবিমা কোম্পানির মাধ্যমে বাজারজাতকরণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ফলে গত বছরে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে প্রায় ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী এ বিমা পরিকল্পের আওতায় এসেছে। চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত সব স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের এ বিমার আওতায় আনা হয়েছে, যার সংখ্যা প্রায় ২ লাখ।
বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা পরিকল্পটির উদ্দেশ্য দেশের শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ করা। এ বিমার আওতায় ৩ থেকে ১৭ বছরের কোনো শিক্ষার্থীর পিতা-মাতা বা আইনগত অভিভাবক এই বিমা সুবিধার আওতায় আসতে পারেন।
বছরে মাত্র ৮৫ টাকা প্রিমিয়াম পরিশোধের মাধ্যমে এ বিমার আওতায় আসার পর কোনো শিক্ষার্থীর অভিভাবকের শারীরিক অক্ষমতা বা মৃত্যুতে শিক্ষার্থীর বয়স ১৭ বছর হওয়া পর্যন্ত মাসিক ৫০০ টাকা হারে বৃত্তি পাবে, যা শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চলমান রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। বার্ষিক প্রিমিয়াম আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি করে বর্ধিত বিমাসুবিধা (মাসিক বৃত্তি) পাওয়া যাবে।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
৪ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১১ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
১২ ঘণ্টা আগে