নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বাড়িয়ে দিলে ব্যাংকে কেউ টাকা রাখবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বাড়িয়ে দিলে সবাই সঞ্চয়পত্র কিনবে, ব্যাংকে টাকা রাখবে না। ব্যাংকেও তো তারল্যের ব্যাপার আছে। ব্যালেন্স করে দেখতে হবে। সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে দিলে ব্যাংক টাকা পাবে কোত্থেকে?
আজ শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
৩০ জুন রাষ্ট্রপতির আদেশে সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফার হার নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সহকারী সচিব মো. মোবারক হোসেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ছয় মাস সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ সুদহার হবে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন সুদহার হবে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যাদের বিনিয়োগ কম, তারা তুলনামূলকভাবে বেশি মুনাফা পাবে। অন্যদিকে যাদের বিনিয়োগ বেশি, তারা সুদ কম পাবে।
নতুন হারের জন্য বিনিয়োগের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ সঞ্চয়পত্রে কারও বিনিয়োগ যদি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম হয়, তাহলে তিনি তুলনামূলকভাবে বেশি মুনাফা পাবে। বিপরীতে কারও বিনিয়োগ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি হলে মুনাফা কমে আসবে।
সার্বিক দিক বিবেচনা করা হলে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে মুনাফার হার প্রতি লাখে ৫৭ টাকার মতো কমানো হয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, খারাপ ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে। ইসলামি ব্যাংক এর একটি উদাহরণ। এই ব্যাংকে আস্থা ফিরে আসছে। অন্য ব্যাংকগুলোর জন্য ব্যাংক রেজল্যুশন অ্যাক্ট করা হয়েছে, যার প্রথম শর্ত হলো যারা ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছে, তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। কারও টাকা মার যাবে না। একটু সময় লাগতে পারে। কারণ, টাকা নিয়ে চলে গেছে অনেকে। পৃথিবীর কোনো দেশে এ রকম ঘটনা ঘটেনি।
এনবিআরে চলমান অস্থিরতা প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সমস্যা সমাধানে তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে যা যা করা লাগবে, আমরা করব। পাঁচ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটিও করে দেওয়া হয়েছে।’
অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘বিদেশি বিনিয়োগকারী আনতে আমরা নিশ্চিত করছি, ব্যবসার জন্য যেন ১০-১২ জায়গায় যেতে না হয়। যত ধরনের ছাড়পত্র আছে, সেগুলো আমরা কেন্দ্রীয়করণের চেষ্টা করছি।’

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা বাড়িয়ে দিলে ব্যাংকে কেউ টাকা রাখবে না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বাড়িয়ে দিলে সবাই সঞ্চয়পত্র কিনবে, ব্যাংকে টাকা রাখবে না। ব্যাংকেও তো তারল্যের ব্যাপার আছে। ব্যালেন্স করে দেখতে হবে। সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে দিলে ব্যাংক টাকা পাবে কোত্থেকে?
আজ শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
৩০ জুন রাষ্ট্রপতির আদেশে সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফার হার নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সহকারী সচিব মো. মোবারক হোসেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ছয় মাস সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ সুদহার হবে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন সুদহার হবে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যাদের বিনিয়োগ কম, তারা তুলনামূলকভাবে বেশি মুনাফা পাবে। অন্যদিকে যাদের বিনিয়োগ বেশি, তারা সুদ কম পাবে।
নতুন হারের জন্য বিনিয়োগের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ সঞ্চয়পত্রে কারও বিনিয়োগ যদি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম হয়, তাহলে তিনি তুলনামূলকভাবে বেশি মুনাফা পাবে। বিপরীতে কারও বিনিয়োগ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি হলে মুনাফা কমে আসবে।
সার্বিক দিক বিবেচনা করা হলে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে মুনাফার হার প্রতি লাখে ৫৭ টাকার মতো কমানো হয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, খারাপ ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে। ইসলামি ব্যাংক এর একটি উদাহরণ। এই ব্যাংকে আস্থা ফিরে আসছে। অন্য ব্যাংকগুলোর জন্য ব্যাংক রেজল্যুশন অ্যাক্ট করা হয়েছে, যার প্রথম শর্ত হলো যারা ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছে, তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। কারও টাকা মার যাবে না। একটু সময় লাগতে পারে। কারণ, টাকা নিয়ে চলে গেছে অনেকে। পৃথিবীর কোনো দেশে এ রকম ঘটনা ঘটেনি।
এনবিআরে চলমান অস্থিরতা প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সমস্যা সমাধানে তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে যা যা করা লাগবে, আমরা করব। পাঁচ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটিও করে দেওয়া হয়েছে।’
অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘বিদেশি বিনিয়োগকারী আনতে আমরা নিশ্চিত করছি, ব্যবসার জন্য যেন ১০-১২ জায়গায় যেতে না হয়। যত ধরনের ছাড়পত্র আছে, সেগুলো আমরা কেন্দ্রীয়করণের চেষ্টা করছি।’

বন্ড সুবিধা বহাল ও সরকারের সঙ্গে আলোচনা চান দেশের তৈরি পোশাক কারখানা মালিকেরা। ভারত থেকে সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই দাবি জানান তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে
গত বছর অর্থাৎ, ২০২৫ সালে চীনের অর্থনীতি ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে চীনের সরকারি পরিসংখ্যান বিভাগ। এতে বেইজিংয়ের নির্ধারিত বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও, এটি গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম দুর্বল প্রবৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
৪ ঘণ্টা আগে
১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দেশের দুই শীর্ষ খাত—বস্ত্রকল ও রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। দেশীয় সুতাশিল্প সুরক্ষার যুক্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সুবিধা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটলেও, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা...
১৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যত স্থবিরতা কাটেনি। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এস
১৩ ঘণ্টা আগে