টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

‘যুক্তবর্ণ মুক্ত করি, নতুন নতুন শব্দ গড়ি’ স্লোগানে টাঙ্গাইলের মধুপুরে শিশুদের নিয়ে আয়োজিত হয়েছে ‘বর্ণমেলা’ অনুষ্ঠান। সোমবার দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করে উপজেলার দিগরবাইদ সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ব্যতিক্রমী এই শিক্ষণীয় আয়োজন দেখে অভিভূত হয়েছে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বর্ণমেলায় শিক্ষার্থীরা তাদের লব্ধ জ্ঞান বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তুলে ধরে। সৌরজগৎ, শব্দ গঠন পদ্ধতি, সংযুক্ত শব্দ মুক্তকরণ এবং প্রতিটি অক্ষর দিয়ে নতুন নতুন শব্দ তৈরি করাসহ শিক্ষার্থীরা তাদের সুন্দর সুন্দর কার্যক্রম উপস্থাপন করে।
দিগরবাইদ সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তারেকুল ইসলাম তারেক বলেন, ‘বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনন্দের সঙ্গে পাঠদান এবং স্বল্প সময়ে পড়ালেখা আয়ত্তে নেওয়ার জন্য আমরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করি। বর্ণমেলাটা হলো তারই অংশ। এই মেলায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের প্রতিটি অক্ষর দিয়ে নতুন নতুন শব্দ তৈরির খেলায় মেতে ওঠে। শিশু নিকেতনে গানের তালে তালে শেখানো হয় পড়ালেখা ও নৈতিক আদর্শ। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের মাধ্যমে প্রযুক্তিজ্ঞান সমৃদ্ধ করে পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়। ট্রেনের আদলে গড়া শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের সময় পরিচ্ছন্নতা শেখানো হয়। নাকপুর, দাঁতপুর, নখপুর, চুলপুর এমন ভিন্ন ভিন্ন নামের স্টেশনে প্রবেশের সময় স্টেশনমাস্টারদের নাক, দাঁত, নখ, মাথার চুল পরিচ্ছন্ন আছে কি না, সেই বিষয়গুলো ছাত্রদের দিয়ে তদারকি করানো হয়।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার মান বাড়ানোর জন্য দিগরবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যতিক্রম এই আয়োজন সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। অর্থের সীমাবদ্ধতায় সবকিছু আটকে থাকে না। ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়, এই কথা মিথ্যা নয়—তা শতভাগ প্রমাণ করেছে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ‘বর্ণমেলার এই আয়োজন বা বর্ণমেলা এই শব্দের প্রয়োগ আমি প্রথম দেখলাম। এই বিদ্যালয়ের প্রতিটি কার্যক্রম সবাইকে মুগ্ধ করার মতো। একই বরাদ্দ, একই মানের শিক্ষক, একই ব্যবস্থাপনার মধ্যে এমন ব্যতিক্রম আয়োজন সফল সম্ভব হয়েছে; কারণ, শিক্ষকেরা এই বিদ্যালয় অঙ্গনকে তাঁদের পরিবার হিসেবে বেছে নিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের সন্তান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আমি চাই প্রতিটি বিদ্যালয় তাদের শিখনপদ্ধতি বাস্তবায়নে দিগরবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অনুসরণ করুক।’
বর্ণমেলার উদ্বোধন করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জোয়াহেরুল ইসলাম প্রমুখ।

‘যুক্তবর্ণ মুক্ত করি, নতুন নতুন শব্দ গড়ি’ স্লোগানে টাঙ্গাইলের মধুপুরে শিশুদের নিয়ে আয়োজিত হয়েছে ‘বর্ণমেলা’ অনুষ্ঠান। সোমবার দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করে উপজেলার দিগরবাইদ সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ব্যতিক্রমী এই শিক্ষণীয় আয়োজন দেখে অভিভূত হয়েছে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বর্ণমেলায় শিক্ষার্থীরা তাদের লব্ধ জ্ঞান বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তুলে ধরে। সৌরজগৎ, শব্দ গঠন পদ্ধতি, সংযুক্ত শব্দ মুক্তকরণ এবং প্রতিটি অক্ষর দিয়ে নতুন নতুন শব্দ তৈরি করাসহ শিক্ষার্থীরা তাদের সুন্দর সুন্দর কার্যক্রম উপস্থাপন করে।
দিগরবাইদ সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তারেকুল ইসলাম তারেক বলেন, ‘বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনন্দের সঙ্গে পাঠদান এবং স্বল্প সময়ে পড়ালেখা আয়ত্তে নেওয়ার জন্য আমরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করি। বর্ণমেলাটা হলো তারই অংশ। এই মেলায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের প্রতিটি অক্ষর দিয়ে নতুন নতুন শব্দ তৈরির খেলায় মেতে ওঠে। শিশু নিকেতনে গানের তালে তালে শেখানো হয় পড়ালেখা ও নৈতিক আদর্শ। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের মাধ্যমে প্রযুক্তিজ্ঞান সমৃদ্ধ করে পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়। ট্রেনের আদলে গড়া শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের সময় পরিচ্ছন্নতা শেখানো হয়। নাকপুর, দাঁতপুর, নখপুর, চুলপুর এমন ভিন্ন ভিন্ন নামের স্টেশনে প্রবেশের সময় স্টেশনমাস্টারদের নাক, দাঁত, নখ, মাথার চুল পরিচ্ছন্ন আছে কি না, সেই বিষয়গুলো ছাত্রদের দিয়ে তদারকি করানো হয়।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার মান বাড়ানোর জন্য দিগরবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যতিক্রম এই আয়োজন সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। অর্থের সীমাবদ্ধতায় সবকিছু আটকে থাকে না। ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়, এই কথা মিথ্যা নয়—তা শতভাগ প্রমাণ করেছে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ‘বর্ণমেলার এই আয়োজন বা বর্ণমেলা এই শব্দের প্রয়োগ আমি প্রথম দেখলাম। এই বিদ্যালয়ের প্রতিটি কার্যক্রম সবাইকে মুগ্ধ করার মতো। একই বরাদ্দ, একই মানের শিক্ষক, একই ব্যবস্থাপনার মধ্যে এমন ব্যতিক্রম আয়োজন সফল সম্ভব হয়েছে; কারণ, শিক্ষকেরা এই বিদ্যালয় অঙ্গনকে তাঁদের পরিবার হিসেবে বেছে নিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের সন্তান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আমি চাই প্রতিটি বিদ্যালয় তাদের শিখনপদ্ধতি বাস্তবায়নে দিগরবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অনুসরণ করুক।’
বর্ণমেলার উদ্বোধন করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জোয়াহেরুল ইসলাম প্রমুখ।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৬ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৯ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে