Ajker Patrika

জরিমানার পরও সিএনজি ফিলিং স্টেশনে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রি

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ২২: ১৩
জরিমানার পরও সিএনজি ফিলিং স্টেশনে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রি
মা সিএনজি স্টেশনে অবৈধভাবে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রির দায়ে এক লাখ টাকা জরিমানার পরও মা সিএনজি ফিলিং স্টেশন কাভার্ড ভ্যানে রাখা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার পরদিনই আবার প্রকাশ্যে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস বিক্রি শুরু হয়।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাসে মা সিএনজি ফিলিং স্টেশন। ১২ অক্টোবর সেখানে অভিযান চালান মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তৌহিদ রেজা। অভিযানে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রির অভিযোগে স্টেশনটির মালিক ইব্রাহিম মিয়াকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জরিমানার পরদিন ১৩ অক্টোবর থেকেই স্টেশনটিতে আবার কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। দিনের বেলায়ও ফিলিং স্টেশন থেকে কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস ভরতে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, কাভার্ড ভ্যানের ভেতরে সারি সারি সিলিন্ডার রেখে সেখানে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। বিভিন্ন কারখানায় এই সিলিন্ডারগুলো ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তাঁরা মনে করছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি কাভার্ড ভ্যানে বিপুলসংখ্যক গ্যাস সিলিন্ডার পরিবহন বা মজুত করা হলে দুর্ঘটনার সময় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তবে কাভার্ড ভ্যানে কতটি সিলিন্ডার রাখা হচ্ছে ও দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে কতটা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কারিগরি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় সম্পদ গ্যাসের অনুমোদনহীন বিক্রি আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি জননিরাপত্তার জন্যও মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। অবৈধ গ্যাস বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি স্টেশনটির লাইসেন্সের বিষয়টিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সচেতন মহলের ভাষ্য, একবার জরিমানা করার পরও একই ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকলে শুধু জরিমানা করে সমস্যার সমাধান হবে না। অবৈধ গ্যাস বিক্রি বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

মা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিক ইব্রাহিম মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত