প্রতিনিধি, ভাঙ্গুড়া (পাবনা)

মোকলেছ উদ্দিন খন্দকার (৫২)। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে টিকা নেন শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায়। টিকা গ্রহণের কিছুক্ষণ পর থেকেই তাঁর শুরু হয় মাথা ঘোরা। অবস্থার অবনতি হলে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান স্বজনরা। তারপর বিকেল চারটার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনাটি ঘটেছে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার করতকান্দি গ্রামে। মোকলেছ উদ্দিন উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের করতকান্দি গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিন খন্দকারের ছেলে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দাবি টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়নি। তাঁর মৃত্যুর অন্য কোন কারণ রয়েছে।
শনিবার থেকে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে কোভিড-১৯ ক্যাম্পেইন চলছিল। মোকলেছ উদ্দিন খন্দকার উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের করতকান্দি রোস্তম আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে করোনার টিকা গ্রহণ করেন। টিকা গ্রহণের কিছুক্ষণ পর তাঁর মাথা ঘুরতে থাকে। এ অবস্থায় তাঁকে নওগাঁ বাজারের এক পল্লি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিকেল চারটার দিকে নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান।
এ ব্যাপারে খানমরিচ ইউনিয়র পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আছাদুর রহমান বলেন, মোকলেছ উদ্দিন আগে থেকেই অসুস্থ, লো প্রেসারের রোগী। তিনি আজ সকাল সাড়ে নয়টা-দশটার দিকে করোনার টিকা নেন। পরে শুনি বিকেলে তিনি বাড়িতে মারা গেছেন।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হালিমা খানমের বক্তব্য নিতে তাঁর মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজন ব্যক্তির মৃত্যুর খবর তিনি শুনেছেন। যিনি আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে করোনা টিকা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু তিনি যে করোনা ভ্যাকসিনের ইফেক্টে মারা গেছেন সেটা বলতে পারি না।’
পাবনা সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী বলেন, ‘একজন ব্যক্তি হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে মারা যাওয়ার খবর শুনেছি। করোনা টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তাঁর মৃত্যু হলে টিকা নেওয়ার আধা ঘণ্টা সময়ের মধ্যেই তাঁর মারা যাওয়ার কথা।’
প্রসঙ্গত, আজ শনিবার ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ১৫টি কেন্দ্রে ৩ হাজার মানুষকে গণ টিকা প্রদান করা হয়।

মোকলেছ উদ্দিন খন্দকার (৫২)। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে টিকা নেন শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায়। টিকা গ্রহণের কিছুক্ষণ পর থেকেই তাঁর শুরু হয় মাথা ঘোরা। অবস্থার অবনতি হলে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান স্বজনরা। তারপর বিকেল চারটার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনাটি ঘটেছে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার করতকান্দি গ্রামে। মোকলেছ উদ্দিন উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের করতকান্দি গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিন খন্দকারের ছেলে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দাবি টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়নি। তাঁর মৃত্যুর অন্য কোন কারণ রয়েছে।
শনিবার থেকে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে কোভিড-১৯ ক্যাম্পেইন চলছিল। মোকলেছ উদ্দিন খন্দকার উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের করতকান্দি রোস্তম আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে করোনার টিকা গ্রহণ করেন। টিকা গ্রহণের কিছুক্ষণ পর তাঁর মাথা ঘুরতে থাকে। এ অবস্থায় তাঁকে নওগাঁ বাজারের এক পল্লি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিকেল চারটার দিকে নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান।
এ ব্যাপারে খানমরিচ ইউনিয়র পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আছাদুর রহমান বলেন, মোকলেছ উদ্দিন আগে থেকেই অসুস্থ, লো প্রেসারের রোগী। তিনি আজ সকাল সাড়ে নয়টা-দশটার দিকে করোনার টিকা নেন। পরে শুনি বিকেলে তিনি বাড়িতে মারা গেছেন।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হালিমা খানমের বক্তব্য নিতে তাঁর মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজন ব্যক্তির মৃত্যুর খবর তিনি শুনেছেন। যিনি আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে করোনা টিকা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু তিনি যে করোনা ভ্যাকসিনের ইফেক্টে মারা গেছেন সেটা বলতে পারি না।’
পাবনা সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী বলেন, ‘একজন ব্যক্তি হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে মারা যাওয়ার খবর শুনেছি। করোনা টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তাঁর মৃত্যু হলে টিকা নেওয়ার আধা ঘণ্টা সময়ের মধ্যেই তাঁর মারা যাওয়ার কথা।’
প্রসঙ্গত, আজ শনিবার ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ১৫টি কেন্দ্রে ৩ হাজার মানুষকে গণ টিকা প্রদান করা হয়।

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১৬ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২২ মিনিট আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
২৭ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল হুমাইরা আক্তার মিম (১৫)। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৩১ মিনিট আগে