শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে মাদারীপুর জেলার শিবচরের এক্সপ্রেসওয়ে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সড়ক) ও অ্যাপ্রোচ সড়কে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত হয়। আজ সোমবার সকাল থেকেই শিবচরের পাঁচ্চর, কাঁঠালবাড়ি, সূর্যনগরসহ এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন স্থানে সড়কের দুপাশ জুড়ে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ায় কয়েক হাজার মানুষ।
জানা গেছে, পদ্মা সেতু পার হয়ে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী স্ব-পরিবারে সড়কপথে টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন। সড়কপথে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়ক এবং এক্সপ্রেসওয়ের দুপাশে অবস্থান নেয়। স্লোগানে মুখর করে তুলে মহাসড়ক। মহাসড়কজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো।
পাঁচ্চর এলাকার স্থানীয়রা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের এখান দিয়ে তাঁর বাড়ি যাচ্ছেন। এই খবর শুনে আমিও মহাসড়কে এসে দাঁড়িয়েছি। পদ্মাসেতুর ওপর দিয়ে তিনি প্রথম বাড়ি যাচ্ছেন। আমাদের এলাকার অসংখ্য মানুষ শুভেচ্ছা জানাতে মহাসড়কে এসে দাঁড়িয়েছে।
সূর্যনগর এলাকার কলেজছাত্র মো. রাকিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর এই সড়ক হয়ে টুঙ্গিপাড়া গিয়েছে। আমরা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি।
আবদুল হালিম নামে শিবচরের এক আওয়ামী নেতা বলেন, সকাল থেকে আমরা আমাদের নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে এখানে এসেছি। তাঁকে একনজর দেখার জন্য।
কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহসেন উদ্দিন সোহেল বেপারী বলেন, ‘স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রথম সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন। আমরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে সকাল থেকেই মহাসড়কে অবস্থান করি। অসংখ্য মানুষ প্রধানমন্ত্রীর এই সড়কযাত্রা দেখতে অ্যাপ্রোচ সড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে দাঁড়িয়েছিল।’
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া সফরকে কেন্দ্র করে পুরো এক্সপ্রেসওয়ে নিরাপত্তার চাঁদরে ঢেকে রেখেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এখানে যানবাহন ও সাধারণের চলাচল সীমিত করে রাখা হয়।
শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সড়কপথে টুঙ্গিপাড়া যাওয়াকে ঘিরে ভোর থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ছিল মহাসড়কে। পুলিশের চেকপোস্টসহ টহল ও কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে মাদারীপুর জেলার শিবচরের এক্সপ্রেসওয়ে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সড়ক) ও অ্যাপ্রোচ সড়কে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতা-কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত হয়। আজ সোমবার সকাল থেকেই শিবচরের পাঁচ্চর, কাঁঠালবাড়ি, সূর্যনগরসহ এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন স্থানে সড়কের দুপাশ জুড়ে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ায় কয়েক হাজার মানুষ।
জানা গেছে, পদ্মা সেতু পার হয়ে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী স্ব-পরিবারে সড়কপথে টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন। সড়কপথে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ পদ্মা সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়ক এবং এক্সপ্রেসওয়ের দুপাশে অবস্থান নেয়। স্লোগানে মুখর করে তুলে মহাসড়ক। মহাসড়কজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো।
পাঁচ্চর এলাকার স্থানীয়রা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের এখান দিয়ে তাঁর বাড়ি যাচ্ছেন। এই খবর শুনে আমিও মহাসড়কে এসে দাঁড়িয়েছি। পদ্মাসেতুর ওপর দিয়ে তিনি প্রথম বাড়ি যাচ্ছেন। আমাদের এলাকার অসংখ্য মানুষ শুভেচ্ছা জানাতে মহাসড়কে এসে দাঁড়িয়েছে।
সূর্যনগর এলাকার কলেজছাত্র মো. রাকিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর এই সড়ক হয়ে টুঙ্গিপাড়া গিয়েছে। আমরা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি।
আবদুল হালিম নামে শিবচরের এক আওয়ামী নেতা বলেন, সকাল থেকে আমরা আমাদের নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে এখানে এসেছি। তাঁকে একনজর দেখার জন্য।
কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহসেন উদ্দিন সোহেল বেপারী বলেন, ‘স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রথম সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন। আমরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে সকাল থেকেই মহাসড়কে অবস্থান করি। অসংখ্য মানুষ প্রধানমন্ত্রীর এই সড়কযাত্রা দেখতে অ্যাপ্রোচ সড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে দাঁড়িয়েছিল।’
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া সফরকে কেন্দ্র করে পুরো এক্সপ্রেসওয়ে নিরাপত্তার চাঁদরে ঢেকে রেখেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এখানে যানবাহন ও সাধারণের চলাচল সীমিত করে রাখা হয়।
শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সড়কপথে টুঙ্গিপাড়া যাওয়াকে ঘিরে ভোর থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ছিল মহাসড়কে। পুলিশের চেকপোস্টসহ টহল ও কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে