
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ভগবাননগর গ্রামে স্বাধীন বিশ্বাস (২৪) নামের এক তরুণকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় ৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল সোমবার ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে র্যাব এসব তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ভগবাননগর গ্রামের সজীব বিশ্বাস (২০), বিজয় বিশ্বাস (১৮), সুশান্ত বিশ্বাস (৩৫), সুভাষ বিশ্বাস (৪০), প্রসেনজিৎ বিশ্বাস (২৬) ও পলাশ বিশ্বাস (১৬)।
র্যাব-৬ ঝিনাইদহ ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর নাঈম আহমেদ জানান, চড়কপূজা উপলক্ষে ভগবাননগর গ্রামের আদিবাসীপল্লিতে ১৪ এপ্রিল দুপুরে কাদা খেলা নিয়ে স্থানীয় কালীমন্দিরের পাশে সুনীল বিশ্বাসের সঙ্গে শান্তি বিশ্বাস, শিপন বিশ্বাস ও টিপন বিশ্বাসের কথা-কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিবাদের সৃষ্টি হয়।
পরে ঘটনার দিন রাতে স্থানীয় একটি দোকানে গেলে সুনীল বিশ্বাসকে মারধর করেন প্রতিপক্ষের সমর্থকেরা। সুনীল বিশ্বাসকে রক্ষা করতে এলে তাঁর ছেলে স্বাধীন বিশ্বাসকেও পিটিয়ে আহত করেন তাঁরা। স্বাধীন বিশ্বাসকে উদ্ধার করে জেলার সদর হাসপাতালে আনেন স্থানীয় লোকজন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাত ১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
মেজর নাঈম আহমেদ বলেন, এই ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে শৈলকুপা থানায় ১৪ জনের নামসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এরপর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করে র্যাব। গতকাল দিন ও রাতের বিভিন্ন সময়ে জেলার ভাটই বাজার, শৈলকুপা থানার বিভিন্ন এলাকা ও মাগুরা জেলার কয়েকটি স্থান থেকে এজাহারভুক্ত ৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদেরকে শৈলকুপা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান আছে।

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৩ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৯ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে