গাংনী (মেহেরপুর): মেহেরপুরের গাংনীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাংবাদিক আল আমিন হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি।
আজ শনিবার ভোরে গাংনী পৌর শহরের বাঁশবাড়িয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আল আমিন হোসেন বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গাংনী থানার এসআই সুমন জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় আদালতের পরোয়ানা থাকায় সাংবাদিক আল আমিন হোসেনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১১ মে স্থানীয় দৈনিক মেহেরপুর প্রতিদিন পত্রিকায় গাংনীর সাবেক সাংসদ ‘মকবুলের কাণ্ড, ২৬ বছর দখলে রেখেছে পরের বাড়ি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে মকবুল হোসেনের ভাগনে সবুজ হোসেন বাদী হয়ে গাংনী থানায় ওই পত্রিকার প্রকাশক এ এস এম ইমন, সম্পাদক ইয়াদুল মোমিন ও যুগ্ম সম্পাদক আল আমিনের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন।

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৩২ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৩৮ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে