যশোর প্রতিনিধি

ময়না খাতুন। ৩৬টি বসন্ত পার করেছেন। কিন্তু উচ্চতা মোটে ৩৬ ইঞ্চি। বহু চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন বাবা-মা। ধরেই নিয়েছিলেন এ জন্মে আর জামাইয়ের মুখ দেখবেন না তাঁরা। অবশেষে তাঁদের আশা পূরণ হলো। গতকাল শুক্রবার রাতে ধুমধাম করে বিয়ে হয় ময়নার। বর রবিউল ইসলাম। তাঁর উচ্চতা ৪২ ইঞ্চি। অবশ্য কনের চেয়ে ১০ বছরের ছোট। আজ শনিবার বৌভাতের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
এলাকাবাসী উদ্যোগ নিয়ে দুদিন ব্যাপী আড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ বিয়ে সম্পন্ন করেছেন। তিন ফুট উচ্চতার এ দম্পতির বিয়েতে আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের হাজারো মানুষের ঢল নামে।
নরেন্দ্রপুর গ্রামের পোস্ট অফিস এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলমগীর কবির জানান, গ্রামের মৃত আকবার আলীর ছেলে রবিউল ইসলামের উচ্চতা কম হওয়ায় বিয়ের জন্য পাত্রী পাচ্ছিলেন না। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় খোঁজ মেলে পাশের আন্দুলিয়া গ্রামের নাজির মোল্লার মেয়ে ময়না খাতুনের। তাঁরও উচ্চতা কম হওয়ায় দীর্ঘদিন থেকে পাত্র পাচ্ছিলেন না অভিভাবকেরা। স্থানীয় মোতাহার হোসেন বুলবুল, গাজি কামরুল ইসলাম, বিকাশ কুমার সেনসহ কয়েকজন তাঁদের বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন।
আলমগীর কবির আরও জানান, সবাই মিলে দুই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক করেন। যার ফলশ্রুতিতে শুক্রবার রাতে উভয়ের মধ্যে মুসলিম শরিয়া অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
বরের খালু জাহাঙ্গীর বলেন, আমরা খুবই দরিদ্র। রবিউলের বাবা-মা কেউ নেই। ছোট থেকে আমরাই মানুষ করেছি। ছেলেটা প্রতিবন্ধী হওয়ায় বিয়ের জন্য মেয়ে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। অবশেষে গ্রামবাসীর সহায়তায় পাশের আন্দুলিয়া গ্রামের ময়না খাতুনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সুজিত বিশ্বাস বলেন, শুক্রবার রবিউলের সঙ্গে ময়নার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় দুইটি মাইক্রোবাসসহ ২০টি মোটরসাইকেল যোগে এই বিয়েতে ৬০ জন বরযাত্রী ছিল। নিয়ম অনুযায়ী পরদিন শনিবার মহা ধুমধামের সঙ্গে বউভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয়রা। কনের এলাকা থেকে ৪০ জন আসেন এ অনুষ্ঠানে।
এদিকে দুই খুদে মানুষের বিয়েকে স্বাগত জানিয়েছে পোস্ট অফিসপাড়াসহ আশপাশের গ্রামের মানুষ। নবদম্পতিকে একনজর দেখতে এবং শুভকামনা জানাতে বর-কনের বাড়িতে ভিড় করছেন বহু নারী-পুরুষ।

ময়না খাতুন। ৩৬টি বসন্ত পার করেছেন। কিন্তু উচ্চতা মোটে ৩৬ ইঞ্চি। বহু চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন বাবা-মা। ধরেই নিয়েছিলেন এ জন্মে আর জামাইয়ের মুখ দেখবেন না তাঁরা। অবশেষে তাঁদের আশা পূরণ হলো। গতকাল শুক্রবার রাতে ধুমধাম করে বিয়ে হয় ময়নার। বর রবিউল ইসলাম। তাঁর উচ্চতা ৪২ ইঞ্চি। অবশ্য কনের চেয়ে ১০ বছরের ছোট। আজ শনিবার বৌভাতের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
এলাকাবাসী উদ্যোগ নিয়ে দুদিন ব্যাপী আড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ বিয়ে সম্পন্ন করেছেন। তিন ফুট উচ্চতার এ দম্পতির বিয়েতে আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের হাজারো মানুষের ঢল নামে।
নরেন্দ্রপুর গ্রামের পোস্ট অফিস এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলমগীর কবির জানান, গ্রামের মৃত আকবার আলীর ছেলে রবিউল ইসলামের উচ্চতা কম হওয়ায় বিয়ের জন্য পাত্রী পাচ্ছিলেন না। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় খোঁজ মেলে পাশের আন্দুলিয়া গ্রামের নাজির মোল্লার মেয়ে ময়না খাতুনের। তাঁরও উচ্চতা কম হওয়ায় দীর্ঘদিন থেকে পাত্র পাচ্ছিলেন না অভিভাবকেরা। স্থানীয় মোতাহার হোসেন বুলবুল, গাজি কামরুল ইসলাম, বিকাশ কুমার সেনসহ কয়েকজন তাঁদের বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন।
আলমগীর কবির আরও জানান, সবাই মিলে দুই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক করেন। যার ফলশ্রুতিতে শুক্রবার রাতে উভয়ের মধ্যে মুসলিম শরিয়া অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
বরের খালু জাহাঙ্গীর বলেন, আমরা খুবই দরিদ্র। রবিউলের বাবা-মা কেউ নেই। ছোট থেকে আমরাই মানুষ করেছি। ছেলেটা প্রতিবন্ধী হওয়ায় বিয়ের জন্য মেয়ে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। অবশেষে গ্রামবাসীর সহায়তায় পাশের আন্দুলিয়া গ্রামের ময়না খাতুনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সুজিত বিশ্বাস বলেন, শুক্রবার রবিউলের সঙ্গে ময়নার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় দুইটি মাইক্রোবাসসহ ২০টি মোটরসাইকেল যোগে এই বিয়েতে ৬০ জন বরযাত্রী ছিল। নিয়ম অনুযায়ী পরদিন শনিবার মহা ধুমধামের সঙ্গে বউভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয়রা। কনের এলাকা থেকে ৪০ জন আসেন এ অনুষ্ঠানে।
এদিকে দুই খুদে মানুষের বিয়েকে স্বাগত জানিয়েছে পোস্ট অফিসপাড়াসহ আশপাশের গ্রামের মানুষ। নবদম্পতিকে একনজর দেখতে এবং শুভকামনা জানাতে বর-কনের বাড়িতে ভিড় করছেন বহু নারী-পুরুষ।

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১৬ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২২ মিনিট আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
২৭ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল হুমাইরা আক্তার মিম (১৫)। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
৩১ মিনিট আগে