
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গরু চুরি করে পালানোর সময় গণপিটুনিতে শামিম মিয়া (৪২) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ওই চক্রের আরও সাতজন। আজ মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার পশারগাতী ইউনিয়নের হাজীবাগ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শামিম মিয়া গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ফুলারপাড় গ্রামের মুন্নু মিয়ার ছেলে। জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আজ মঙ্গলবার ভোরের দিকে মুকসুদপুর উপজেলার লখাইড়চর গ্রামের ঝিল্লু কাজীর বসতবাড়ির গোয়ালঘর থেকে একটি গাভি ও একটি বাছুর চুরি করে ট্রাকে নিয়ে পালিয়ে যেতে থাকে আট সদস্যের একটি গরুচোর চক্র। এ সময় ট্রাকটি উপজেলার পশারগাতী ইউনিয়নের হাজীবাগ গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে তারা গরুসহ আট চোরকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।’
ওসি মোস্তফা কামাল আরও বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শামিম মিয়াকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মারাত্মক আহত লিটন, সুমন হাওলাদার, ইলিয়াছ সরদার, ফারুক শেখ, সোহাগ, বিপ্লব সরকার ও ফয়সাল মিয়া পুলিশি পাহারায় মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ফেনীতে মেডিকেল কলেজ স্থাপন ফেনীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি হলেও এ দাবিকে কেন্দ্র করে কিছু মহল ‘মব’ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ৪ এপ্রিল ফেনী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এবি পার্টির এক নারীনেত্রীর বক্তব্যকে তিনি ‘অরুচিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্নাতক (পাস) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা অটোপাসের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মূল ফটকে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে আসছেন। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। আজ সোমবার স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের মূল ফটকে দাঁড়িয়ে
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের মদিনা শহরে বুলডোজারের চাকায় আহত হয়ে এক প্রবাসী মারা গেছেন। তাঁর নাম আহমদ হোসেন (৫৮)। গতকাল রোববার রাত ২টার দিকে (সৌদি আরবের সময়) মদিনা শহরের চানাইয়া নামের এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অতিরিক্ত ফি আদায় করা হলে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না। যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ আমাদের টাকায় শিক্ষকদের বেতন হয়। শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যেন অযাচিত কিছু চাপিয়ে না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে কাজ চলছে।’
৩ ঘণ্টা আগে