গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরপ্রবি) শিক্ষার্থীরা টানা ২য় দিনেও আন্দোলন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেমিস্টার, হল ও পরিবহন ফি কমানো এবং বিভাগ উন্নয়ন ফি বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে এই আন্দোলন করছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে সেখানে অবস্থান করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের স্লোগানে স্লোগানে কম্পিত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। দাবি আদায়ে ক্যাম্পাসে আন্দোলনের পাশাপাশি বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় বেতন, কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ফি, ছাত্র কল্যাণ ফি, আইডি কার্ড, চিকিৎসা ফি এবং পরিবহন ফিসহ অন্যান্য ফি বাড়িয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের ঘোষণা দেয়।
তবে গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বর্ধিত ফি আদায়ের আদেশ স্থগিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোরাদ হোসেন স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ও ২৬ অক্টোবর পৃথক দুটি স্মারকে প্রকাশিত কোর্স রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ ও ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে কার্যক্রম অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আলিফ বলেন, অগণিত ফি রয়েছে যা শিক্ষাকে পণ্য বানিয়ে ফেলেছে, সে সব বাতিল করতে হবে। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবিসহ একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের অবজ্ঞা করে কর্তৃপক্ষ তাঁর পরের দিনই বর্ধিত ফিসহ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার যে কোন সময় উপাচার্য ড. এ কিউ এম মাহবুব ফি সংক্রান্ত বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কিউ এম মাহবুব বলেন, করোনাকালের পরিবহন ফি এবং হল ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও কিছু ফি কমানো হয়েছে। তারপরও যদি শিক্ষার্থীদের কোনো দাবি থাকে তাহলে সেগুলোও শোনা হবে। শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করেনি এমন ফি নেওয়া হবে না। তাঁদের দাবি থাকলে আমাকে জানাবে এবং আলোচনার মাধ্যমে তা সমাধান করা হবে।
প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিন পদত্যাগের পূর্বে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে শিক্ষার্থীদের ১৪ দফা দাবি মেনে নিয়েছিলেন। সেই দাবিগুলোর মধ্যে বর্ধিত ফি কমানোর কথা উল্লেখ ছিল। তবে দাবি মেনে নিলেও এখনো সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। করোনা পরবর্তী সময়ে বর্ধিত ফি কমানোর জন্য শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি জমা দিলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. মোরাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গত মঙ্গলবার নতুনভাবে নির্ধারিত ফি সমূহ প্রকাশ করা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরপ্রবি) শিক্ষার্থীরা টানা ২য় দিনেও আন্দোলন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেমিস্টার, হল ও পরিবহন ফি কমানো এবং বিভাগ উন্নয়ন ফি বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে এই আন্দোলন করছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে সেখানে অবস্থান করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের স্লোগানে স্লোগানে কম্পিত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। দাবি আদায়ে ক্যাম্পাসে আন্দোলনের পাশাপাশি বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় বেতন, কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ফি, ছাত্র কল্যাণ ফি, আইডি কার্ড, চিকিৎসা ফি এবং পরিবহন ফিসহ অন্যান্য ফি বাড়িয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের ঘোষণা দেয়।
তবে গতকাল বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বর্ধিত ফি আদায়ের আদেশ স্থগিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোরাদ হোসেন স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ও ২৬ অক্টোবর পৃথক দুটি স্মারকে প্রকাশিত কোর্স রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ ও ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে কার্যক্রম অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আলিফ বলেন, অগণিত ফি রয়েছে যা শিক্ষাকে পণ্য বানিয়ে ফেলেছে, সে সব বাতিল করতে হবে। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবিসহ একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের অবজ্ঞা করে কর্তৃপক্ষ তাঁর পরের দিনই বর্ধিত ফিসহ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার যে কোন সময় উপাচার্য ড. এ কিউ এম মাহবুব ফি সংক্রান্ত বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কিউ এম মাহবুব বলেন, করোনাকালের পরিবহন ফি এবং হল ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও কিছু ফি কমানো হয়েছে। তারপরও যদি শিক্ষার্থীদের কোনো দাবি থাকে তাহলে সেগুলোও শোনা হবে। শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করেনি এমন ফি নেওয়া হবে না। তাঁদের দাবি থাকলে আমাকে জানাবে এবং আলোচনার মাধ্যমে তা সমাধান করা হবে।
প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিন পদত্যাগের পূর্বে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে শিক্ষার্থীদের ১৪ দফা দাবি মেনে নিয়েছিলেন। সেই দাবিগুলোর মধ্যে বর্ধিত ফি কমানোর কথা উল্লেখ ছিল। তবে দাবি মেনে নিলেও এখনো সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। করোনা পরবর্তী সময়ে বর্ধিত ফি কমানোর জন্য শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি জমা দিলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. মোরাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গত মঙ্গলবার নতুনভাবে নির্ধারিত ফি সমূহ প্রকাশ করা হয়।

যশোরের মনিরামপুরে পোষা বিড়াল হত্যার অভিযোগে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন এক ব্যবসায়ী। বিড়ালের মালিক জিল্লুর রহমান শনিবার দুপুরে মনিরামপুর থানার ওসি এবং ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।
৬ মিনিট আগে
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে খুলনাগামী আন্তনগর ডাউন রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় চার তরুণকে আটক করেছে জিআরপি পুলিশ। শনিবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। তবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
পাহাড়ের আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) বিলুপ্ত হয়নি; বরং দলের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানাল দলটি। ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহের মহেশপুরে সেনাবাহিনীর একটি টহলগাড়ির সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে চারজন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছে। তবে ওই ট্রাকটি আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে মহেশপুর-খালিশপুর সড়কের বেলেঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত সেনাসদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে