টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিআরটি প্রজেক্টের কাজ শেষ হলে আপনারা ভুল বলে কিছুই পাবেন না।’ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলমান বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের নকশায় ভুল আছে বলে মন্তব্য করেছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের (গাসিক) মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। তার প্রতিক্রিয়ায় আজ শুক্রবার সকালে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মেয়র হানিফ উড়াল সেতুর ডিজাইনেও ভুল থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে তা চালু হওয়ার পর এ রকম কিছুই পাওয়া যায়নি। আর এডিবি ভুল ডিজাইনের কোনো প্রকল্পে বিনিয়োগ করেন না। তাদের সঙ্গে বহুবার আমাদের মিটিং হয়েছে।’
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চেরাগ আলী এলাকায় চলমান বিআরটি প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে যান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেলসহ অন্য মেগা প্রকল্পের সঙ্গে আগামী বছরের (২০২২ সাল) ডিসেম্বর নাগাদ বিআরটি প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ভোগান্তি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এ মহাসড়কের পয়োনিষ্কাশন প্রকল্প অত্যন্ত খারাপ। বর্ষাকালে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় এ সড়ক ব্যবহারকারীদের। তবে বর্ষা চলে গেলে জনসাধারণের ভোগান্তি কিছুটা কমবে। গাজীপুরের মানুষ অনেক ভোগান্তি সহ্য করেছেন। তিনি বলেন, এরই মধ্যে প্রকল্পটির ৬৩ দশমিক ২৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী বর্ষাকালে এ ভোগান্তি আর থাকবে না। সাময়িক যন্ত্রণাকে মেনে নেওয়ার জন্য আমি সবাইকে আহ্বান জানাই। বিআরটি যখন চালু হবে তখন প্রতিদিন গাজীপুর দিয়ে প্রতি ঘণ্টায় ২০ হাজার যাত্রী চলাচল করতে পারবে।
বিআরটি প্রকল্প পরিদর্শনকালে সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সেতু সচিব নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথের প্রধান প্রকৌশলী সবুজ খান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খানসহ গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্মকর্তারা।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিআরটি প্রজেক্টের কাজ শেষ হলে আপনারা ভুল বলে কিছুই পাবেন না।’ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলমান বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের নকশায় ভুল আছে বলে মন্তব্য করেছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের (গাসিক) মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। তার প্রতিক্রিয়ায় আজ শুক্রবার সকালে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মেয়র হানিফ উড়াল সেতুর ডিজাইনেও ভুল থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে তা চালু হওয়ার পর এ রকম কিছুই পাওয়া যায়নি। আর এডিবি ভুল ডিজাইনের কোনো প্রকল্পে বিনিয়োগ করেন না। তাদের সঙ্গে বহুবার আমাদের মিটিং হয়েছে।’
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চেরাগ আলী এলাকায় চলমান বিআরটি প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে যান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেলসহ অন্য মেগা প্রকল্পের সঙ্গে আগামী বছরের (২০২২ সাল) ডিসেম্বর নাগাদ বিআরটি প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ভোগান্তি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এ মহাসড়কের পয়োনিষ্কাশন প্রকল্প অত্যন্ত খারাপ। বর্ষাকালে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় এ সড়ক ব্যবহারকারীদের। তবে বর্ষা চলে গেলে জনসাধারণের ভোগান্তি কিছুটা কমবে। গাজীপুরের মানুষ অনেক ভোগান্তি সহ্য করেছেন। তিনি বলেন, এরই মধ্যে প্রকল্পটির ৬৩ দশমিক ২৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী বর্ষাকালে এ ভোগান্তি আর থাকবে না। সাময়িক যন্ত্রণাকে মেনে নেওয়ার জন্য আমি সবাইকে আহ্বান জানাই। বিআরটি যখন চালু হবে তখন প্রতিদিন গাজীপুর দিয়ে প্রতি ঘণ্টায় ২০ হাজার যাত্রী চলাচল করতে পারবে।
বিআরটি প্রকল্প পরিদর্শনকালে সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সেতু সচিব নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথের প্রধান প্রকৌশলী সবুজ খান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খানসহ গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্মকর্তারা।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে