ঢাবি প্রতিনিধি

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন অনেক দিনের। আজকে যেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি।’ পরীক্ষার হলে প্রবেশের আগে এমনটা বলছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী সানজিনা আক্তার। বদরুন্নেসা মহিলা সরকারি কলেজের এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘একটু পরেই শুরু হবে পরীক্ষা, তাই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছি। খুবই শঙ্কা, আশার মাঝে রয়েছি। আল্লাহর রহমতে আমি চান্স পাব।’
আজ শুক্রবার শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বটতলা, অপরাজেয় বাংলা, শ্যাডোসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা বই, পত্রিকা, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স, প্রশ্নব্যাংক, গাইড বই ও সাপ্লিমেন্ট হাতে পড়ছেন। চোখ বুলিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শেষ মুহূর্তে চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ। অভিভাবকেরা হাতপাখা নিয়ে সন্তানের গায়ে বাতাস করছেন, কপালের ঘাম মুছে দিচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা দেখছেন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন।
ফুয়াদ হাসান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি বলতে কিছু নেই। নিজের ভেতরে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং হতাশা থেকে মুক্ত হতেই কারেন্ট আ্যফেয়ার্স হাতে নিয়েছি। এখান থেকে কোনো কিছু কমন আসবে এমনটাও না, তবে নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়ার লক্ষ্যে হাতে নিয়েছি।’
সুমাইয়া জাহান নামে আরেক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমার পাশে আমার মা আছেন। আমার মাই সকাল থেকে আমাকে নিজ হাতে নাশতা খাওয়ানো থেকে শুরু করে অনেক কাজ করেছেন। আমার কপালে একটু ঘাম হলেই মুছে দিচ্ছেন। সবাই পড়তেছে দেখে অনেক টেনশনে আছি। তাই নিজের ভেতরকার ভয় দূর করতে সাপ্লিমেন্ট হাতে নিয়েছে।’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন অনেক দিনের। আজকে যেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি।’ পরীক্ষার হলে প্রবেশের আগে এমনটা বলছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী সানজিনা আক্তার। বদরুন্নেসা মহিলা সরকারি কলেজের এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘একটু পরেই শুরু হবে পরীক্ষা, তাই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছি। খুবই শঙ্কা, আশার মাঝে রয়েছি। আল্লাহর রহমতে আমি চান্স পাব।’
আজ শুক্রবার শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বটতলা, অপরাজেয় বাংলা, শ্যাডোসহ বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা বই, পত্রিকা, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স, প্রশ্নব্যাংক, গাইড বই ও সাপ্লিমেন্ট হাতে পড়ছেন। চোখ বুলিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শেষ মুহূর্তে চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ। অভিভাবকেরা হাতপাখা নিয়ে সন্তানের গায়ে বাতাস করছেন, কপালের ঘাম মুছে দিচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা দেখছেন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন।
ফুয়াদ হাসান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি বলতে কিছু নেই। নিজের ভেতরে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং হতাশা থেকে মুক্ত হতেই কারেন্ট আ্যফেয়ার্স হাতে নিয়েছি। এখান থেকে কোনো কিছু কমন আসবে এমনটাও না, তবে নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়ার লক্ষ্যে হাতে নিয়েছি।’
সুমাইয়া জাহান নামে আরেক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমার পাশে আমার মা আছেন। আমার মাই সকাল থেকে আমাকে নিজ হাতে নাশতা খাওয়ানো থেকে শুরু করে অনেক কাজ করেছেন। আমার কপালে একটু ঘাম হলেই মুছে দিচ্ছেন। সবাই পড়তেছে দেখে অনেক টেনশনে আছি। তাই নিজের ভেতরকার ভয় দূর করতে সাপ্লিমেন্ট হাতে নিয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে