নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের দক্ষিণ অংশে রাতে চকচকে আলো, উত্তরের অংশ ডুবে থাকতো প্রায় অন্ধকারে। ঢাকার দুটি সিটি করপোরেশনের ভাগাভাগির ফল। উড়াল সড়কটির দুই অংশ দুই সিটির অধীনে। অনেক দিন প্রায় অন্ধকারে থাকার পর সম্প্রতি দক্ষিণের অংশে চকচকে এলইডি বাতি লাগিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কিন্তু আগের মতো অন্ধকারে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতায় থাকা উড়ালসড়কের উত্তরের অংশ। সেখানে যে কয়েকটি বাতি রয়েছে, তা লালচে নিয়ন আলো। তাও বেশির ভাগ ছিল অকেজো।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজকের পত্রিকায় ‘ভাঙা ঢাকায় রাতের বেলা দিনের নিয়ম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে ডিএনসিসি। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ডিএনসিসির বিদ্যুৎ বিভাগের এক প্রকৌশলীকে দেওয়া হয়েছে কারণ দর্শানোর নোটিশ। মেয়র আতিকুল ইসলামের নির্দেশে গত মঙ্গলবার মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের উত্তর অংশে লাগানো হয়েছে নতুন ৪৬টা বাতি। এতে এখন পুরো ফ্লাইওভার জুড়ে জ্বলছে আলো। কোথাও অন্ধকার নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফ্লাইওভারের প্রায় সোয়া ছয় কিলোমিটার পড়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায়। সেখানে সড়কবাতির সংখ্যা ৪৯০টি। আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় পড়েছে প্রায় দুই কিলোমিটার অংশ। সেখানে সড়ক বাতির সংখ্যা রয়েছে ১০৩টি।
ডিএনসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়র মহোদয়ের নির্দেশে ফ্লাইওভারের নষ্ট হওয়া বাতি পরিবর্তন করে নতুন বাতি লাগানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সেলিম রেজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সবকিছুর লাইফ টাইম থাকে। সড়কবাতিরও তাই। সংবাদ করে বিষয়টিকে সামনে আনার জন্য আজকের পত্রিকাকে ধন্যবাদ। এতে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পেরেছি।’

মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের দক্ষিণ অংশে রাতে চকচকে আলো, উত্তরের অংশ ডুবে থাকতো প্রায় অন্ধকারে। ঢাকার দুটি সিটি করপোরেশনের ভাগাভাগির ফল। উড়াল সড়কটির দুই অংশ দুই সিটির অধীনে। অনেক দিন প্রায় অন্ধকারে থাকার পর সম্প্রতি দক্ষিণের অংশে চকচকে এলইডি বাতি লাগিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কিন্তু আগের মতো অন্ধকারে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতায় থাকা উড়ালসড়কের উত্তরের অংশ। সেখানে যে কয়েকটি বাতি রয়েছে, তা লালচে নিয়ন আলো। তাও বেশির ভাগ ছিল অকেজো।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজকের পত্রিকায় ‘ভাঙা ঢাকায় রাতের বেলা দিনের নিয়ম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে ডিএনসিসি। দায়িত্বে অবহেলার জন্য ডিএনসিসির বিদ্যুৎ বিভাগের এক প্রকৌশলীকে দেওয়া হয়েছে কারণ দর্শানোর নোটিশ। মেয়র আতিকুল ইসলামের নির্দেশে গত মঙ্গলবার মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের উত্তর অংশে লাগানো হয়েছে নতুন ৪৬টা বাতি। এতে এখন পুরো ফ্লাইওভার জুড়ে জ্বলছে আলো। কোথাও অন্ধকার নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফ্লাইওভারের প্রায় সোয়া ছয় কিলোমিটার পড়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায়। সেখানে সড়কবাতির সংখ্যা ৪৯০টি। আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় পড়েছে প্রায় দুই কিলোমিটার অংশ। সেখানে সড়ক বাতির সংখ্যা রয়েছে ১০৩টি।
ডিএনসিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়র মহোদয়ের নির্দেশে ফ্লাইওভারের নষ্ট হওয়া বাতি পরিবর্তন করে নতুন বাতি লাগানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সেলিম রেজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সবকিছুর লাইফ টাইম থাকে। সড়কবাতিরও তাই। সংবাদ করে বিষয়টিকে সামনে আনার জন্য আজকের পত্রিকাকে ধন্যবাদ। এতে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পেরেছি।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে