নৌপথ দুর্ঘটনার জন্য শতকরা ৬০ ভাগ দায়ী নৌপুলিশ, বলে মন্তব্য করেছেন সেভ দ্য রোডের নেতৃবৃন্দ। আজ সোমবার সকাল ৯টায় নারায়ণগঞ্জের সৈয়দপুর কয়লা ঘাট এলাকা পরিদর্শন শেষে দুর্ঘটনায় ডুবে যাওয়া লঞ্চে থাকা নিখোঁজদের স্বজন ও গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তাঁরা এ কথা বলেন।
আকাশ-সড়ক-রেল ও নৌপথ দুর্ঘটনামুক্ত রাখার লক্ষ্যে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য রোডের পক্ষ থেকে কথা বলেন সংগঠনটির মহাসচিব শান্তা ফারজানা। এ সময় শান্তা ফারজানা বলেন, ‘নৌ পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার কারণে নারায়ণগঞ্জে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। দুর্ঘটনার পর তারা এসে গণমাধ্যমের সামনে বিভিন্ন কথা বলেন, কিন্তু তাদের দায়িত্ব কি এ পর্যন্তই শেষ? নৌ যানের রুট পারমিট পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চলাচলের শৃংখলা বজায় রাখা, নৌপথে যাত্রীদের অধিকার রক্ষাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে তাদের চরম অনীহার কারণে নৌপথে ক্রমশ দুর্ঘটনা বেড়ে চলছে।’
তিনি বলেন, ‘এমনকি দুর্ঘটনার এলাকাটি পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি, নৌপুলিশের একটি টিমও কাছাকাছি কোথাও অবস্থান করছিল না। দুর্ঘটনার এক ঘণ্টা পরও তারা এসে পৌঁছাতে পারেনি বলেও স্থানীয়রা আমাদের জানিয়েছেন। নৌপুলিশ যদি দুর্ঘটনা কমাতে কোনো ভূমিকাই না রাখেন, কেবল ঘাট ইজারা তদারকি, মাছ খাওয়া আর জনতার রক্ত পানি করা অর্থে বেতন নেওয়ার জন্য কি খুব বেশি প্রয়োজন? তা যদি না হয়, তাহলে অবশ্যই নৌপুলিশকে হতে হবে আরও দায়িত্বশীল।’
সংগঠনটির মহাসচিব আরও বলেন, ‘একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তর-উপদপ্তরে কেবল লিজ, বালু মহল, টেন্ডারবাজি চললেও নৌপথকে দুর্ঘটনামুক্ত রাখার কোনো উদ্যোগ বা প্রয়াস না থাকাও এমন নির্মম দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।’
এ সময় সেভ দ্য রোডের প্রতিষ্ঠাতা ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদি, ভাইস চেয়ারম্যান বিকাশ রায় বলেন, ‘আমরা দ্রুত নিখোঁজদের উদ্ধার এবং নিহতদের পরিবারকে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি এবং ঘাতক এমভি রূপসীর সকল স্টাফের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৩০ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৩৬ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে