Ajker Patrika

দক্ষিণখানে চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২ 

উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি
আপডেট : ১৩ মে ২০২৩, ১০: ৩৫
দক্ষিণখানে চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২ 

রাজধানীর দক্ষিণখানে স্বল্পশিক্ষিত যুবকদের উচ্চবেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুজন প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. হিমেল (৩৩) ও রাসেল মিয়া (২৮)।

প্রতারণার শিকার হওয়া ভুক্তভোগী রাকিব উদ্দিন বাদী হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পরপর দক্ষিণখানের মিজানের গ্যারেজ এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার মুডা আমিরাবাদের আবদুল্লাহ আল জিহাদের ছেলে মো. হিমেল ও টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার খলসিন্দুর এলাকার কাউছার মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া। বর্তমানে তারা দক্ষিণখানের মিজানের গ্যারেজ এলাকায় বসবাস করেন।

মামলার বাদী রাকিব উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে ২০১৯ সালে এইচএসসি পাশ করার পর চাকরির খোঁজ করা শুরু করি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দক্ষিণখানের ফায়দাবাদের ট্রান্সমিটার মোড়ের র‍্যাপিড সেফ সিকিউরিটি সার্ভিস লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় হয়। তাঁরা আমাকে উচ্চবেতনে চাকরির লোভ দেখিয়ে জানামত হিসাবে ২০ হাজার টাকা নেন। পরে আমাকে এক দিনের ট্রেনিং করান তাঁরা। ওই সময় এহসানুল হকি তোরণের সঙ্গে পরিচয় হয়। তোরণের কাছ থেকেও একইভাবে ২০ হাজার টাকা নেন। ট্রেনিং শেষে আমাদের অফিসের লোকজন গ্রামের বাড়ি থেকে লোক নিয়ে আসতে বলে। তাদের কথায় রাজি না হলে এবং জামানতের টাকা ফেরত চাইলে টাকা না দিয়ে উল্টো ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়।’

রাকিব আরও বলেন, ‘খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি, সিকিউরিটি কোম্পানির অফিসটি একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান। তাই এ ঘটনায় স্বপন হোসেন (৩৫), মো. হিমেল (৩৩), রাসেল মিয়া (২৮), হৃদয় (২৮) ও মণির হোসেনসহ অজ্ঞাত চার-পাঁচজনকে আসামি করে দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা করি। মামলার আসামিদের মধ্যে সিকিউরিটি অফিসটির এমডি, জিএম, এজিএম, ম্যানেজার ও সদস্য রয়েছেন।’

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু তাহের আজ শুক্রবার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মামলার পরই র‍্যাপিড সেফ সিকিউরিটি সার্ভিস লিমিটেডের হিমেল ও রাসেল মিয়া নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের আজ (শুক্রবার) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।’

গ্রেপ্তারের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসআই আবু তাহের বলেন, ‘মামলার বাদী রাকিব উদ্দিন ও তোরণের কাছ থেকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করেছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

হাসপাতালে আশ্রয় নেওয়া গৃহবধূকে ধর্ষণ: দুই আনসার সদস্য বরখাস্ত

১০ বছর পর দম্পতির কোলজুড়ে একসঙ্গে পাঁচ সন্তান

হাত-পা ও মুখ বেঁধে বাসায় চুরি, জামায়াত নেতার মৃত্যু

বাহরাইনের বাসায় অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ইসিকে ব্যবস্থা নিতে বলল বিএনপি

আমরা এক ইঞ্চিও নড়ব না, ভারতে যাব না: বিসিবি সহসভাপতি

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত