রাজধানীর শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগ নেতাদের মারধরের ঘটনায় পুলিশের দুই কর্মকর্তা তদন্ত কমিটির কাছে বক্তব্য দিয়েছেন।
নির্যাতনের ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের গঠিত তদন্ত কমিটির কাছে নিজেদের বক্তব্য দিয়েছেন সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদ ও ডিএমপির সদর দপ্তরের এডিসি সানজিদা আফরিন। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা তাদের বক্তব্য লিখিত রেকর্ড করেছেন। শনিবার তাদেরর বক্তব্য নেওয়া হয়। এর আগেও তদন্ত কমিটি তাদের সঙ্গে কয়েক দফা কথা বলেছেন।
এর সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হকের বক্তব্য নেওয়া হবে। এর আগে ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ নেতাদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) এ কে এম হাফিজ আক্তার জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তের স্বার্থে তদন্ত কমিটি সবার বক্তব্য নেবেন। অনেক তথ্য উপাত্তের বিষয় রয়েছে। তদন্ত সবকিছু বের হবে।
ডিএমপির তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাদের বক্তব্য পর্যায়ক্রমে নেওয়া হবে। এছাড়াও আরও যারা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য রয়েছে তাদেরও বক্তব্য নেওয়া হবে।
এই ঘটনায় এডিসি হারুনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে দুই দফার বদলি শেষে রংপুর রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে। পুলিশ পরিদর্শক গোলাম মোস্তফাকে শাহবাগ থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।
গত ৯ সেপ্টেম্বর ডিএমপির শাহবাগ থানায় দুই ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করা হয়। রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হকের সঙ্গে বারডেম হাসপাতালে ব্যক্তিগত বিরোধে জড়ান এডিসি হারুন। সেই দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর নির্যাতন করা হয়। এই ঘটনা তদন্ত করছে ডিএমপি।

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৩৩ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৩৯ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে