নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর গ্রিন রোডে ল্যাবএইড হাসপাতালের ছাদে অনুমোদনহীন রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করা এবং রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডারে লিকেজ পাওয়ায় হাসপাতালটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহাঙ্গীর আলম এ আদালত পরিচালনা করেন।
মো. জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে জানান, রেস্টুরেন্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থার ঘাটতি খুঁজতে গ্রীন রোড সংলগ্ন ল্যাবএইড হাসপাতালে বিকেল তিনটা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালিত হয়েছে। হাসপাতালটির ছাদে অনুমোদন ছাড়া অবৈধভাবে একটি রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
নুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটানোর পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি ছিল জানিয়ে মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পায় যে, নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে হাসপাতালের ৮ম তলায় একটি রুফটপ রেস্টুরেন্ট তথা ক্যাফেটেরিয়া গড়ে তোলা হয়েছে। যেটা নকশাতে ছিল না। পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাতেও আমরা ত্রুটি পেয়েছি। রান্নাঘরে ব্যবহারের জন্য সিঁড়ির পাশে রক্ষিত ৫টি গ্যাস সিলিন্ডারের মধ্যে ১টি সিলিন্ডারে লিকেজ পাওয়া গিয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সার্বিকভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই, ল্যাবএইড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইন, ২০০৩ এর ১৮ ধারা অনুযায়ী এ জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এর আগে অভিযানের শুরুতে গ্রিন রোডের সেন্ট্রাল হাসপাতালে প্রবেশ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, ক্যাফেটেরিয়ায় রান্নার পরিবেশসহ সার্বিক বিষয় পরিদর্শন করে সেখানে সন্তোষজনক পরিবেশ পাওয়ায় সেন্ট্রাল হাসপাতালকে কোনো জরিমানা করেনি আদালত।
অভিযানকালে অন্যান্যের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীর গ্রিন রোডে ল্যাবএইড হাসপাতালের ছাদে অনুমোদনহীন রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করা এবং রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডারে লিকেজ পাওয়ায় হাসপাতালটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহাঙ্গীর আলম এ আদালত পরিচালনা করেন।
মো. জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে জানান, রেস্টুরেন্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থার ঘাটতি খুঁজতে গ্রীন রোড সংলগ্ন ল্যাবএইড হাসপাতালে বিকেল তিনটা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালিত হয়েছে। হাসপাতালটির ছাদে অনুমোদন ছাড়া অবৈধভাবে একটি রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
নুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটানোর পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি ছিল জানিয়ে মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পায় যে, নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে হাসপাতালের ৮ম তলায় একটি রুফটপ রেস্টুরেন্ট তথা ক্যাফেটেরিয়া গড়ে তোলা হয়েছে। যেটা নকশাতে ছিল না। পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাতেও আমরা ত্রুটি পেয়েছি। রান্নাঘরে ব্যবহারের জন্য সিঁড়ির পাশে রক্ষিত ৫টি গ্যাস সিলিন্ডারের মধ্যে ১টি সিলিন্ডারে লিকেজ পাওয়া গিয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সার্বিকভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই, ল্যাবএইড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইন, ২০০৩ এর ১৮ ধারা অনুযায়ী এ জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এর আগে অভিযানের শুরুতে গ্রিন রোডের সেন্ট্রাল হাসপাতালে প্রবেশ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, ক্যাফেটেরিয়ায় রান্নার পরিবেশসহ সার্বিক বিষয় পরিদর্শন করে সেখানে সন্তোষজনক পরিবেশ পাওয়ায় সেন্ট্রাল হাসপাতালকে কোনো জরিমানা করেনি আদালত।
অভিযানকালে অন্যান্যের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে