নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০০০ সালে ২৩তম বিসিএসের (বিশেষ) স্বাস্থ্য ক্যাডারের প্রার্থী ছিলেন সুমনা সরকার। ওই বিসিএসের প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হন তিনি। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে জটিলতার কারণে চূড়ান্ত মৌখিক পরীক্ষা থেকে বাদ দেওয়া হয় তাঁকে। এরপর আদালতে দীর্ঘ এক যুগের লড়াই শেষে বিসিএস ক্যাডার হলেন সুমনা সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ২৩তম বিসিএসে (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে সহকারী সার্জন হিসেবে সুমনাকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে।
সুমনা সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটা একটা বিজয়। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমি দীর্ঘ সময় ধরে লড়াইয়ের শক্তিটা পেয়েছি।’
টাঙ্গাইলের মেয়ে সুমনা ২০০০ সালে গর্ভবতী অবস্থায় ২৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক অমল কৃষ্ণ সরকারের মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে জটিলতার অভিযোগে পিএসসি সুমনার মৌখিক পরীক্ষা তখন নেয়নি। এরপর ২০০৯ সালে সুমনা এর প্রতিকার চেয়ে আদালতে রিট করেন। নানা ঘটনাপ্রবাহ শেষে গত বছরের ১৯ নভেম্বর পিএসসিকে সুমনার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। এ বছর ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি সেই পরীক্ষায় অংশ নেন।
সুমনা বর্তমানে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত। যে সন্তানকে পেটে নিয়ে তিনি বিসিএসের প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষা দিয়েছিলেন সেই সন্তানের বয়স এখন ২০ বছর। সুমনা জানান, তাঁর সন্তানও এখন ডাক্তারি পড়ছে। কয়েক বছর পর সেও বিসিএসে অংশ নেবে।
২০ বছর অপেক্ষার পর বিসিএস ক্যাডার হওয়ায় সুমনা এবং তাঁর পরিবারের প্রত্যেকেই খুব খুশি। কিন্তু এই খুশির সঙ্গে আছে একটা চাপা আক্ষেপও।
সুমনা বলেন, ‘আমার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার খবরটা শুনে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন যিনি, সেই বাবাই এখন নেই। ২০১৮ সালে তাঁকে হারিয়েছি আমি। বিসিএস ক্যাডার হওয়ার এই বিজয়টা আমি আমার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে উৎসর্গ করছি।’

২০০০ সালে ২৩তম বিসিএসের (বিশেষ) স্বাস্থ্য ক্যাডারের প্রার্থী ছিলেন সুমনা সরকার। ওই বিসিএসের প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হন তিনি। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে জটিলতার কারণে চূড়ান্ত মৌখিক পরীক্ষা থেকে বাদ দেওয়া হয় তাঁকে। এরপর আদালতে দীর্ঘ এক যুগের লড়াই শেষে বিসিএস ক্যাডার হলেন সুমনা সরকার।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ২৩তম বিসিএসে (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে সহকারী সার্জন হিসেবে সুমনাকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে।
সুমনা সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটা একটা বিজয়। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমি দীর্ঘ সময় ধরে লড়াইয়ের শক্তিটা পেয়েছি।’
টাঙ্গাইলের মেয়ে সুমনা ২০০০ সালে গর্ভবতী অবস্থায় ২৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক অমল কৃষ্ণ সরকারের মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে জটিলতার অভিযোগে পিএসসি সুমনার মৌখিক পরীক্ষা তখন নেয়নি। এরপর ২০০৯ সালে সুমনা এর প্রতিকার চেয়ে আদালতে রিট করেন। নানা ঘটনাপ্রবাহ শেষে গত বছরের ১৯ নভেম্বর পিএসসিকে সুমনার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। এ বছর ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি সেই পরীক্ষায় অংশ নেন।
সুমনা বর্তমানে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত। যে সন্তানকে পেটে নিয়ে তিনি বিসিএসের প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষা দিয়েছিলেন সেই সন্তানের বয়স এখন ২০ বছর। সুমনা জানান, তাঁর সন্তানও এখন ডাক্তারি পড়ছে। কয়েক বছর পর সেও বিসিএসে অংশ নেবে।
২০ বছর অপেক্ষার পর বিসিএস ক্যাডার হওয়ায় সুমনা এবং তাঁর পরিবারের প্রত্যেকেই খুব খুশি। কিন্তু এই খুশির সঙ্গে আছে একটা চাপা আক্ষেপও।
সুমনা বলেন, ‘আমার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার খবরটা শুনে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন যিনি, সেই বাবাই এখন নেই। ২০১৮ সালে তাঁকে হারিয়েছি আমি। বিসিএস ক্যাডার হওয়ার এই বিজয়টা আমি আমার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে উৎসর্গ করছি।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
২৬ মিনিট আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৭ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে