ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে মার্কেটিং বিভাগ এবং সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে সেটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
আহতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হন সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব শান্ত। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফাইনাল খেলায় নিয়ন্ত্রণহীন উত্তেজনার কারণে উভয় পক্ষের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সেটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের শিক্ষকেরা সেটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী ও প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিম সেখানে হাজির হয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রণ আনে এবং আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের একাদশ ১৪৯ রানের টার্গেট দিয়ে মাঠ ছাড়ে। পরে মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট এক উইকেটে ৯ ওভারে ৭২ রান করে। মার্কেটিং বিভাগের একজন আউট হওয়ার পরে মাঠ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানায়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। এ ছাড়া দর্শক সারিতেও এ নিয়ে স্ল্যাজিং হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে উপস্থিত শিক্ষকেরা খেলা স্থগিত করে দেন।
সংঘর্ষের ঘটনায় সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব শান্ত, মামুন রেজা, জিম নাজমুল, মিনহাজুল ইসলাম ফাহিম, চতুর্থ বর্ষের নাঈম হাসান অয়ন, কৃপা দাস, ফারহান মুরসালিন অলিভ, জামিল হোসেন জীম, তৃতীয় বর্ষের মশিউর রহমান মুন্না, রিশাদ সরকার, এনামুল হক পলাশ, অয়ন সমাদ্দার, মাসফিউর রহমান, দ্বিতীয় বর্ষের তপন, প্রথম বর্ষের মেহেদী হাসান ও রেদোয়ান আহত হন। এদিকে মার্কেটিং বিভাগের আহত হন ২৭তম ব্যাচের মো. দেলোয়ার হোসাইন, জুলফিকার মাহমুদ মুন্না, ইমতিয়াজ হোসাইন এবং ২৬তম ব্যচের আরাফ মাহমদ।
সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা খেলার শুরু থেকে বাজে আচরণ করেছেন, এটা খুবই খারাপ দিক। সিনিয়ররা সমাধান করতে চাইলে তাঁরা সংঘর্ষে জড়িয়ে যান। এমনকি নাজমুস সাকিব শান্তকে তাঁরা ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করেন।
অন্যদিকে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, সমাজকল্যাণের শিক্ষার্থীরাই শুরু থেকে বাজে আচরণ করেছেন। তাঁরা সংঘর্ষ শুরু করেছেন।
সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ছাত্র উপদেষ্টা নেই। তবে খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ইনস্টিটিউটের শিক্ষক মো. রনি মৃধা। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে একজন শিক্ষক হিসেবে বলছি, মার্কেটিং বিভাগের কিছু শিক্ষার্থীর আচরণ খুবই উগ্র ছিল, তাঁদের কারণে আজকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করছি।’
এদিকে মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা ও বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি খেলার মাঠে ছিলাম না, তবে সহকর্মীদের কাছ থেকে শুনেছি। এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের কাম্য নয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খেলাধুলা আমাদের শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রম। সব সময় নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আমরা খেলাধুলা পরিচালনা করার চেষ্টা করি, কিন্তু আজকে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেল। আমি আহতদের দেখেছি, তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি; ঘটনাস্থলেও গিয়েছি। এ রকম ঘটনা আমরা কখনোই প্রত্যাশা রাখি না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে মার্কেটিং বিভাগ এবং সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে সেটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
আহতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হন সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব শান্ত। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফাইনাল খেলায় নিয়ন্ত্রণহীন উত্তেজনার কারণে উভয় পক্ষের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সেটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের শিক্ষকেরা সেটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী ও প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিম সেখানে হাজির হয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রণ আনে এবং আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের একাদশ ১৪৯ রানের টার্গেট দিয়ে মাঠ ছাড়ে। পরে মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট এক উইকেটে ৯ ওভারে ৭২ রান করে। মার্কেটিং বিভাগের একজন আউট হওয়ার পরে মাঠ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানায়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। এ ছাড়া দর্শক সারিতেও এ নিয়ে স্ল্যাজিং হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে উপস্থিত শিক্ষকেরা খেলা স্থগিত করে দেন।
সংঘর্ষের ঘটনায় সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব শান্ত, মামুন রেজা, জিম নাজমুল, মিনহাজুল ইসলাম ফাহিম, চতুর্থ বর্ষের নাঈম হাসান অয়ন, কৃপা দাস, ফারহান মুরসালিন অলিভ, জামিল হোসেন জীম, তৃতীয় বর্ষের মশিউর রহমান মুন্না, রিশাদ সরকার, এনামুল হক পলাশ, অয়ন সমাদ্দার, মাসফিউর রহমান, দ্বিতীয় বর্ষের তপন, প্রথম বর্ষের মেহেদী হাসান ও রেদোয়ান আহত হন। এদিকে মার্কেটিং বিভাগের আহত হন ২৭তম ব্যাচের মো. দেলোয়ার হোসাইন, জুলফিকার মাহমুদ মুন্না, ইমতিয়াজ হোসাইন এবং ২৬তম ব্যচের আরাফ মাহমদ।
সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা খেলার শুরু থেকে বাজে আচরণ করেছেন, এটা খুবই খারাপ দিক। সিনিয়ররা সমাধান করতে চাইলে তাঁরা সংঘর্ষে জড়িয়ে যান। এমনকি নাজমুস সাকিব শান্তকে তাঁরা ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করেন।
অন্যদিকে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, সমাজকল্যাণের শিক্ষার্থীরাই শুরু থেকে বাজে আচরণ করেছেন। তাঁরা সংঘর্ষ শুরু করেছেন।
সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ছাত্র উপদেষ্টা নেই। তবে খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ইনস্টিটিউটের শিক্ষক মো. রনি মৃধা। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে একজন শিক্ষক হিসেবে বলছি, মার্কেটিং বিভাগের কিছু শিক্ষার্থীর আচরণ খুবই উগ্র ছিল, তাঁদের কারণে আজকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করছি।’
এদিকে মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা ও বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি খেলার মাঠে ছিলাম না, তবে সহকর্মীদের কাছ থেকে শুনেছি। এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আমাদের কাম্য নয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খেলাধুলা আমাদের শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রম। সব সময় নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আমরা খেলাধুলা পরিচালনা করার চেষ্টা করি, কিন্তু আজকে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেল। আমি আহতদের দেখেছি, তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি; ঘটনাস্থলেও গিয়েছি। এ রকম ঘটনা আমরা কখনোই প্রত্যাশা রাখি না।’

সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল হুমাইরা আক্তার মিম (১৫)। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
১০ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে মো. নোমান (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার চেয়ারম্যান অফিস এলাকার পাশের একটি ভাড়া বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নোমান পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মজিবর দফাদারের ছেলে
৪২ মিনিট আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের নতুন বাক্তারচর এলাকায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র রাতের আঁধারে বিপুল পরিমাণ মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে আগেই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে