নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশন ময়মনসিংহ জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে জেলা পরিষদের শহীদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু। জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশনের সভাপতি মির্জা হজরত সাঈজী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশন ময়মনসিংহ জেলা শাখার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি অহনা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ফারুক নওয়াজ। উপস্থিত ছিলেন কবি সোহরাব পাশা, কবি স.ম শামসুল আলম, ছড়াকার সরকার জসিম, কবি মাহমুদ আল মামুন, কবি অর্ণব আশিক, কবি আসাদ উল্লাহ, গল্পকার নাহিদ হাসান রবিন, কবি মামুন রশিদ, কবি আলম মাহবুব, প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রতন প্রমুখ।
কবি পারভেজ শিহাবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক কবি আমিনুল শাহ এবং জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশন ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রাহাতুল রাফি।
আলোচনা শেষে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত ফোকলোরবিদ কবি আমিনুর রহমান সুলতানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
আলোচনা শেষে ১০ জন তরুণ কবি ও লেখকের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বইগুলো হলো—সুস্থির রঞ্জন সরকারের কাব্যগ্রন্থ ‘এক কাপ রং চা’, পঙ্কজ পালের ‘বৃষ্টির সকাল’, রঞ্জিত সরকারের ‘খেরো খাতার এক পাতা’, জারমিন কোমা সৌহেলীর গল্পগ্রন্থ ‘একটি লাশের যাত্রা’, বিনয় দেবনাথের কাব্যগ্রন্থ ‘সেই করে তোমায় দেখেছিলাম’, আইয়ুব আলীর গীতিকাব্য ‘আইয়ুব গীতি’, মাহমুদ আল মামুনের কাব্যগ্রন্থ ‘শব্দে শব্দে যুদ্ধ’ এবং অহনা নাসরিনের ‘একজন আগন্তুক ও একটি সানগ্লাস’।
এরপর আমন্ত্রিত অতিথি ও ময়মনসিংহের স্থানীয় কবি ও লেখকেরা তাদের স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন।

জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশন ময়মনসিংহ জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে জেলা পরিষদের শহীদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু। জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশনের সভাপতি মির্জা হজরত সাঈজী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশন ময়মনসিংহ জেলা শাখার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি অহনা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ফারুক নওয়াজ। উপস্থিত ছিলেন কবি সোহরাব পাশা, কবি স.ম শামসুল আলম, ছড়াকার সরকার জসিম, কবি মাহমুদ আল মামুন, কবি অর্ণব আশিক, কবি আসাদ উল্লাহ, গল্পকার নাহিদ হাসান রবিন, কবি মামুন রশিদ, কবি আলম মাহবুব, প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রতন প্রমুখ।
কবি পারভেজ শিহাবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক কবি আমিনুল শাহ এবং জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশন ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রাহাতুল রাফি।
আলোচনা শেষে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত ফোকলোরবিদ কবি আমিনুর রহমান সুলতানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
আলোচনা শেষে ১০ জন তরুণ কবি ও লেখকের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বইগুলো হলো—সুস্থির রঞ্জন সরকারের কাব্যগ্রন্থ ‘এক কাপ রং চা’, পঙ্কজ পালের ‘বৃষ্টির সকাল’, রঞ্জিত সরকারের ‘খেরো খাতার এক পাতা’, জারমিন কোমা সৌহেলীর গল্পগ্রন্থ ‘একটি লাশের যাত্রা’, বিনয় দেবনাথের কাব্যগ্রন্থ ‘সেই করে তোমায় দেখেছিলাম’, আইয়ুব আলীর গীতিকাব্য ‘আইয়ুব গীতি’, মাহমুদ আল মামুনের কাব্যগ্রন্থ ‘শব্দে শব্দে যুদ্ধ’ এবং অহনা নাসরিনের ‘একজন আগন্তুক ও একটি সানগ্লাস’।
এরপর আমন্ত্রিত অতিথি ও ময়মনসিংহের স্থানীয় কবি ও লেখকেরা তাদের স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে