নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া চলাচলে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন জরুরী কাজে বাইরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে মুভমেন্ট পাস দেবে পুলিশ। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই পাসের জন্য অ্যাপের ঘোষণা দেবেন পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ। এর আগে গত বছর করোনা সংক্রমণ বাড়ার সময় মে মাসে এই মুভমেন্ট পাসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিলো পুলিশ সদরদপ্তরের পক্ষ থেকে।
অ্যাপ ছাড়াও পাসের জন্য https://movementpass.police.gov.bd/ ঠিকানায় যেকোন নাগরিক তার চলাচলের স্থান ও সময়ের সাথে কারণ উল্লেখ করে আবেদন করতে পারবেন।
পুলিশ সদরদপ্তর থেকে জানানও হয়েছে, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত চলাচলে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে কঠোর ভূমিকা পালন করবে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে যারা করোনা ভ্যাকসিন নিতে বাসা থেকে বের হবেন তাদের জন্য ছাড় দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে দেখাতে হবে ভ্যাকসিন কার্ড। তবে জরুরি প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস। যেকেউ তার প্রয়োজনের বিষয় জানিয়ে আবেদন করলে মিলবে পাস।
তবে অপ্রয়োজনে কিন্তু যে কেউ চাইলে পাস পাবেন না। ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখা যায়, মুদি দোকানে কেনাকাটা, কাঁচাবাজার, ওষুধপত্র, চিকিৎসাকাজে নিয়োজিত, কৃষিকাজ, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ, ত্রাণ বিতরণ, পাইকারি/খুচরা ক্রয় পর্যটন, মৃতদেহ সৎকার, ব্যবসা ও অন্যান্য ক্যাটাগরিতে দেয়া হবে এই পাস। যাদের বাইরে চলাফেরা প্রয়োজন কিন্তু কোনও ক্যাটাগরিতেই পড়েন না, তাদের অন্যান্য ক্যাটাগরিতে পাস দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এছাড়াও কোনও ব্যক্তির বাবা-মা কিংবা পরিবারের কেউ যদি অন্য জেলায় মারা যান, তবে তিনি অ্যাপের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে পাসের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন যৌক্তিক হলে মুহূর্তেই তিনি পাস পেয়ে যাবেন।
ঢাকায় প্রতিবার যাতায়াতের জন্য আলাদা পাস নিতে হবে, একটি পাস একবার ব্যবহারযোগ্য। যাওয়া এবং আসার জন্য দুইটি আলাদা পাসের আবেদন করতে হবে।

আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া চলাচলে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন জরুরী কাজে বাইরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে মুভমেন্ট পাস দেবে পুলিশ। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই পাসের জন্য অ্যাপের ঘোষণা দেবেন পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ। এর আগে গত বছর করোনা সংক্রমণ বাড়ার সময় মে মাসে এই মুভমেন্ট পাসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিলো পুলিশ সদরদপ্তরের পক্ষ থেকে।
অ্যাপ ছাড়াও পাসের জন্য https://movementpass.police.gov.bd/ ঠিকানায় যেকোন নাগরিক তার চলাচলের স্থান ও সময়ের সাথে কারণ উল্লেখ করে আবেদন করতে পারবেন।
পুলিশ সদরদপ্তর থেকে জানানও হয়েছে, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত চলাচলে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে কঠোর ভূমিকা পালন করবে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে যারা করোনা ভ্যাকসিন নিতে বাসা থেকে বের হবেন তাদের জন্য ছাড় দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে দেখাতে হবে ভ্যাকসিন কার্ড। তবে জরুরি প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস। যেকেউ তার প্রয়োজনের বিষয় জানিয়ে আবেদন করলে মিলবে পাস।
তবে অপ্রয়োজনে কিন্তু যে কেউ চাইলে পাস পাবেন না। ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখা যায়, মুদি দোকানে কেনাকাটা, কাঁচাবাজার, ওষুধপত্র, চিকিৎসাকাজে নিয়োজিত, কৃষিকাজ, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ, ত্রাণ বিতরণ, পাইকারি/খুচরা ক্রয় পর্যটন, মৃতদেহ সৎকার, ব্যবসা ও অন্যান্য ক্যাটাগরিতে দেয়া হবে এই পাস। যাদের বাইরে চলাফেরা প্রয়োজন কিন্তু কোনও ক্যাটাগরিতেই পড়েন না, তাদের অন্যান্য ক্যাটাগরিতে পাস দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এছাড়াও কোনও ব্যক্তির বাবা-মা কিংবা পরিবারের কেউ যদি অন্য জেলায় মারা যান, তবে তিনি অ্যাপের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে পাসের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন যৌক্তিক হলে মুহূর্তেই তিনি পাস পেয়ে যাবেন।
ঢাকায় প্রতিবার যাতায়াতের জন্য আলাদা পাস নিতে হবে, একটি পাস একবার ব্যবহারযোগ্য। যাওয়া এবং আসার জন্য দুইটি আলাদা পাসের আবেদন করতে হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে