
সবুজ সরকার, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ)
সবুজ সরকার, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ)
সকল লেখা

বেলকুচির শেরনগর মধ্যপাড়া: শিল্পবর্জ্যে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগ
ঘরের আঙিনাজুড়ে কালচে পানি। পানির ওপর ভাসছে ময়লা-আবর্জনা। বাতাসে তীব্র দুর্গন্ধ। সন্ধ্যা নামলেই বাড়ে মশার উপদ্রব। এমন পরিবেশে বছরের পর বছর বসবাস করছে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভার শেরনগর মধ্যপাড়ার প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ।

সড়কে হাট, ঝুঁকি-দুর্ভোগ
সকাল সাড়ে ৭টা। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভার সামনের আঞ্চলিক সড়ক ধীরে ধীরে ভরে উঠতে থাকে ধান ও সরিষার বস্তায়। আশপাশের চরাঞ্চল থেকে আসা কৃষকেরা নৌকা বা ভ্যানগাড়িতে করে ধান নামাতে থাকেন আর ব্যাপারীরা দরদামে ব্যস্ত। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাস্তাটি পরিণত হয় বড়সড় হাটে। কেনাবেচা চলে দুপুর পর্যন্ত।

জমি অধিগ্রহণে জটিলতা: সেতু আছে, সড়ক নেই
চার বছর আগে শেষ হয়েছে সেতু নির্মাণ প্রকল্পের মেয়াদ। এ সময়ের মধ্যে সেতুটির কাজ হয়েছে ৯৫ শতাংশ। তবে নেই কোনো সংযোগ সড়ক। ফলে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার দেলুয়া নদীর ওপর ৬ কোটি টাকা প্রকল্পের এ সেতুটি পড়ে রয়েছে অকেজো অবস্থায়।

কারখানার বর্জ্যে পানিদূষণ তীব্র
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা তাঁতশিল্পসমৃদ্ধ এলাকা। এই এলাকায় আশপাশে গড়ে উঠেছে সুতা রং করার প্রসেস মিল। অধিকাংশ প্রসেস মিলের পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থা নেই। এ কারণে মিলের রং ও বিভিন্ন ক্ষতিকর কেমিক্যালের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে আশপাশের ডোবা, পুকুর, যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায়। এগুলো পাম্পের সাহায্যে ভূগর্ভস্থ পান

উন্নয়নের ছোঁয়া নেই যেখানে
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে বেলকুচি ও বড়ধুল ইউনিয়নের চরাঞ্চলে ৬০ হাজার লোকের বসবাস। এই দুই চরাঞ্চলের মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা যাতায়াত ব্যবস্থা।

বেলকুচির তাঁতের শাড়ি
গ্রামের নাম তামাই, বওড়া, শেরনগর, গাড়ামাসী, চনন্দগাঁতী, চালা। উপজেলা বেলকুচি, জেলা সিরাজগঞ্জ। এসব গ্রামে গেলেই দেখতে পাবেন নারী-পুরুষদের কেউবা নাটাই ঘুরিয়ে সুতা কাটছেন, কেউ নলিতে সুতা ভরছেন
