
মফিদুল হক
মফিদুল হক
সকল লেখা

বিশ্ব নাট্য দিবস: বাংলা নাটকের ঐতিহ্য
বাংলার জনজীবন ও নাটক হাজার বছর পেরিয়ে হাজারো বাধা উজিয়ে চলেছে পরস্পরের হাতে হাত রেখে। এর রূপবদল ঘটেছে অনেক, বহু দিক দিয়ে নাটক হয়েছে সমৃদ্ধ, অন্যদিকে নাট্যস্রোতে বদ্ধতাও এসেছে কখনো কখনো, চোরাটান কিংবা আবিলতা নাটককে পথভ্রষ্ট করতে হয়েছে উদ্যত, এর জঙ্গমতা হরণ করবার শঙ্কা তৈরি করেছে।

নীলোৎপল সাধ্য সংগীতের সাধক ও প্রসারক
নীলোৎপল সাধ্যের মৃত্যুবার্ষিকী ছিল ১৭ মার্চ। তিনি তাঁর সংগীতজীবনের মধ্য গগনে খসে পড়েছিলেন শিল্পচর্চা ও শিল্পসাধনায় ব্রতী অনুগামী অনুজ পরম্পরা তৈরির কর্মযজ্ঞ পালন থেকে। হালে শিল্পপ্রসারে প্রযুক্তি অনেক সুযোগ ও সংযোগ তৈরি করেছে, সে কারণে শিল্পে স্নাত হওয়ার অনেক দরজা খুলে গেছে...

সংগীত-সাধক নীলোৎপল সাধ্য: স্মরণ
সংগীতশিল্পী অনেকেই হন, কিন্তু সংগীত-সাধক মিলবে গুটিকয়। নীলোৎপল সাধ্য ছিলেন তেমন এক ব্যতিক্রমী শিল্পী সত্তা। জন্মেছিলেন ৬ ডিসেম্বর ১৯৫৫, বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ধোবাউড়া গ্রামে। গারো পাহাড়ের পাদদেশ থেকে শিক্ষার সূত্রে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ হয়ে তিনি ঢাকায় এসে স্থিত হন। প্রকৌশলী হিসেবে সরকারের টেলিযোগাযোগ

১১ বছর আগের একদিন: লাশকাটা ঘরে ত্বকী
১১ বছর আগের একদিন লাশকাটা ঘরে শুয়েছিল ত্বকী, উত্তীয়-সম নবীন কিশোর, বয়স তার তখনো আঠারোয় পা রাখেনি। শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খালে ৮ মার্চ পাওয়া গিয়েছিল তার মরদেহ, তারপর আইন ও বিচারধারা অনুসারে নিস্পন্দ ত্বকীকে নিয়ে যাওয়া হয়

সংস্কৃতির অব্যাহত লড়াই ও অভিযাত্রা
সংস্কৃতি ও তার পরিবর্তনময়তা নিয়ে বাঙালি ভাবুকদের মধ্যে অগ্রগণ্য ব্যক্তিত্ব ছিলেন গোপাল হালদার। তাঁর ‘সংস্কৃতির রূপান্তর’ বইটি বহুল পঠিত ও আলোচিত। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন এবং বাঙালির জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সেই মোড়-ফেরার কালে কবি শামসুর রাহমানের সঙ্গে টেলিভি

বঙ্গবন্ধু হত্যা এবং উলট-পুরাণ
১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার যে নিষ্ঠুরতা ও নৃশংসতা, তার পরিমাপ করা দুঃসাধ্য। তারপরও এই রক্তপাতের উৎস আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। যে ঘাতকেরা অভিযান পরিচালনা করেছিল বত্রিশ নম্বর সড়কের অরক্ষিত বাসভবনে, নারী-পুরুষ-শিশু হত্যা যারা করেছিল ভাবলেশহীনভাবে, সপরিবারে বঙ্গবন্ধু-হত্যার বর্বরতার লক্ষ্য ও উদ

কিশোর ত্বকী পড়ে থাকে লাশকাটা ঘরে!
আট বছর আগের এক দিন লাশকাটা ঘরে শুয়েছিল ত্বকী। নবীন কিশোর, বয়স তার তখনো আঠারোয় পা রাখেনি। শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খালে ৮ মার্চ পাওয়া গিয়েছিল তার মরদেহ। তারপর আইন ও বিচারধারা অনুসারে নিস্পন্দ ত্বকীকে নিয়ে যাওয়া হয় লাশকাটা ঘরে।
